যোগাযোগ :

ঢাকা থেকে প্রকাশিত, সরকারি মিডিয়া তালিকা ভুক্ত, জাতীয়  দৈনিক যুগযুগান্তর পত্রিকায় ও যে যে টিভি... জেলা উপজেলা, বিশেষ প্রতিনিধি, ক্রাইম রিপোর্টার, বিভাগীয় প্রধান, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি নেওয়া হচ্ছে..। আগ্রহীদের সিভি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এন আইডি কার্ড এর কপি এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট মেইল অথবা হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানোর অনুরোধ করা হলো। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378, ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378 ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা।

প্রাণঘাতী রোগ কালাজ্বর শনাক্ত হবে ৩ ঘণ্টায় ঢাবির গবেষক দলের উদ্ভাবন

প্রাণঘাতী রোগ কালাজ্বর শনাক্ত হবে ৩ ঘণ্টায় ঢাবির গবেষক দলের উদ্ভাবন

নিজস্ব প্রতিবেদক:

দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রাণঘাতী রোগ কালাজ্বর নির্ভুলভাবে শনাক্তের পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) গবেষকরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মুহাম্মদ মনজুরুল করিমের নেতৃত্বে একটি গবেষক দল এ পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছে। ‘রিয়েল টাইম পিসিআর’-ভিত্তিক এ পরীক্ষায় ‘মলিকুলার ডায়াগনস্টিক পদ্ধতিতে’ মূত্রের নমুনার মাধ্যমে মাত্র তিন ঘণ্টায় নির্ভুলভাবে কালাজ্বর শনাক্ত করা যাবে। গবেষণাটি বিশ্বখ্যাত জার্নাল ‘পিএলওএস গ্লোবাল পাবলিক হেলথ’-এ প্রকাশিত হয়েছে।
ঢাবির অধ্যাপক আব্দুল মতিন চৌধুরী ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে গতকাল সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন উপাচার্য ড. মো. আখতারুজ্জামান।
গবেষক দলের প্রধান অধ্যাপক মনজুরুল জানান, কালাজ্বর নির্ণয়ের ক্ষেত্রে আগে রক্তের ইমিউনোক্রোমাটোগ্রাফিক পরীক্ষা এবং অস্থিমজ্জা, যকৃৎ, প্লীহা, লিম্ম্ফ নোডের টিস্যু অণুবীক্ষণ যন্ত্রের মাধ্যমে পরীক্ষা করা হতো। এতে রোগ শনাক্ত করতে সাত দিন সময় লাগত। তাঁদের উদ্ভাবিত পদ্ধতিতে মূত্রের নমুনা ব্যবহার করে মাত্র তিন ঘণ্টায় এখন কালাজ্বর শনাক্ত করা যাবে।
উপাচার্য আখতারুজ্জামান গবেষক দলকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, মৌলিক গবেষণার ক্ষেত্রে এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উল্লেখযোগ্য সাফল্য। ঢাবিতে বিশ্বমানের অনেক গবেষক ও বিজ্ঞানী রয়েছেন। নতুন নতুন উদ্ভাবনের মাধ্যমে তাঁরা দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে সক্ষম। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মমতাজ উদ্দিন আহমেদ, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক টিটো মিঞা, ঢাবি জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক মাহবুব হাসান, চিকিৎসা অনুষদের ডিন অধ্যাপক শাহরিয়ার নবী, অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারপারসন অধ্যাপক আনোয়ারা বেগমসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন, শিক্ষক ও গবেষক দলের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 jujugantor.com
Theme Customized BY SpacialNews.Com