যোগাযোগ :

ঢাকা থেকে প্রকাশিত, সরকারি মিডিয়া তালিকা ভুক্ত, জাতীয়  দৈনিক যুগযুগান্তর পত্রিকায় ও যে যে টিভি... জেলা উপজেলা, বিশেষ প্রতিনিধি, ক্রাইম রিপোর্টার, বিভাগীয় প্রধান, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি নেওয়া হচ্ছে..। আগ্রহীদের সিভি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এন আইডি কার্ড এর কপি এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট মেইল অথবা হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানোর অনুরোধ করা হলো। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378, ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378 ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা।

সখীপুরে শ্রেণিকক্ষ সংকট, গাছতলায় চলে পাঠদান

সখীপুরে শ্রেণিকক্ষ সংকট, গাছতলায় চলে পাঠদান

টাঙ্গাইলপ্রতিনিধি

টাঙ্গাইলের সখীপুরে সুরিরচালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শ্রেণিকক্ষ সংকটে খোলা আকাশের নিচে চলছে পাঠদান। ফলে ব্যাহত হচ্ছে শ্রেণি কার্যক্রম। সামান্য বৃষ্টি হলে বন্ধ হয়ে যায় শ্রেণি কার্যক্রম। এ কারণে শিক্ষার্থী নিয়ে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছে কর্তৃপক্ষ।

স্থানীয় ও শিক্ষকরা জানান, বিদ্যালয়ের মূল ভবনটি জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় ছাত্র-ছাত্রীদের কখনো খোলা মাঠে, কখনো গাছ তলায় ক্লাস নেওয়া হচ্ছে। এতে মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষা কার্যক্রম। হ্রাস পাচ্ছে শিক্ষার্থীদের আগ্রহ।
বিদ্যালয় সূত্র জানায়, ১৯৭৪ সালে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। কিন্তু বিদ্যালয়টির পাকা ভবন নির্মিত হয় ১৯৯৩-৯৪ অর্থ বছরে। ওই ভবনে একটি অফিস কক্ষ ও তিনটি শ্রেণিকক্ষ রয়েছে। কয়েক বছর আগে সাত লাখ টাকা বরাদ্দে আংশিক সংস্কার করা হলেও বর্তমানে ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ছে। ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে ভবনটি ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। ফলে শিক্ষার্থীদের জন্য তৈরি হয়েছে চরম সংকট।

 

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নুরুল আলম জাগো নিউজকে বলেন, ‘বিদ্যালয়ে ছয়জন শিক্ষক ও ১২৩ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। কিন্তু শ্রেণিকক্ষ আছে মাত্র দুটি। বাধ্য হয়ে শিক্ষকরা গাছতলায় ক্লাস নিচ্ছেন। বর্ষা মৌসুমে ক্লাস কার্যক্রম প্রায় অচল হয়ে পড়ে। আমরা উপজেলা শিক্ষা অফিসে নতুন ভবনের চাহিদা জমা দিয়েছি। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে শিক্ষার মান মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।’

পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী ইলমা ইসলাম জানায়, দেওয়াল, পিলার, ছাদ সবখানেই ফাটল। ছাদের খণ্ড হাতের ওপর পড়ে প্রচণ্ড ব্যথা পেয়েছি। খুব ভয় পেয়েছিলাম। এরপর থেকে ওই কক্ষে ক্লাস নেওয়া বন্ধ হয়ে গেছে।’

শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা বলেন, ‘গাছ তলায় ক্লাস নেওয়া শুধু কষ্টকর নয় বরং শিক্ষার্থীদের মনে ভয় আর বিরক্তি তৈরি করছে। ফলে তারা পড়ালেখার প্রতি আগ্রহ হারাচ্ছে।’

 

উপজেলা শিক্ষা অফিসার খোরশেদ আলম বলেন, ‘পরিস্থিতি সম্পর্কে আমরা অবগত। ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে ক্লাস বন্ধ করে পাশের মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দুটি কক্ষে ক্লাস নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। পাশাপাশি নতুন ভবনের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।’

এ ব্যাপারে উপজেলা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফুর রহমান বলেন, ‘সারাদেশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় এ উপজেলার ৬২টি বিদ্যালয়ের তালিকা প্রণয়ন করা হয়েছে। প্রকল্পটি অনুমোদন পেলে সুরিরচালা বিদ্যালয়ও নতুন ভবন পাবে।’

 

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 jujugantor.com
Theme Customized BY SpacialNews.Com