শিরোনাম :
দেশে গুম-অপহরণ ও ভয়ের সংস্কৃতিমুক্ত রাষ্ট্র চায় জনগণ: প্রধানমন্ত্রী সিলেটের রেল যোগাযোগ উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার : রেল প্রতিমন্ত্রী ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কৃষিমন্ত্রী ‘সরকারের মূল লক্ষ্য হচ্ছে কৃষকদের অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ করা’ আবীর–কামরুজ্জামান জুটিকে ঘিরে অনিয়মের অভিযোগ, ঝুঁকিতে কৃষি সরবরাহ ব্যবস্থা চট্টগ্রাম লোহাগাড়ায় দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৪ চট্টগ্রামে ১৫০ রাউন্ড গুলিসহ গ্রেফতার ২ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর মতবিনিময় শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী বিএনপিসহ চার সংগঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়ে প্রধানমন্ত্রী ফরিদপুরে হামের প্রাদুর্ভাব, একদিনে শনাক্ত ৫৪ জন
যোগাযোগ :

ঢাকা থেকে প্রকাশিত, সরকারি মিডিয়া তালিকা ভুক্ত, জাতীয়  দৈনিক যুগযুগান্তর পত্রিকায় ও যে যে টিভি... জেলা উপজেলা, বিশেষ প্রতিনিধি, ক্রাইম রিপোর্টার, বিভাগীয় প্রধান, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি নেওয়া হচ্ছে..। আগ্রহীদের সিভি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এন আইডি কার্ড এর কপি এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট মেইল অথবা হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানোর অনুরোধ করা হলো। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378, ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378 ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা।

স্থাপত্যশৈলীর এক বিস্ময়: ইস্তাম্বুলের নীল মসজিদ

স্থাপত্যশৈলীর এক বিস্ময়: ইস্তাম্বুলের নীল মসজিদ

ধর্ম ডেস্ক :
তুরস্কের ইস্তাম্বুল শহরে অবস্থিত ঐতিহাসিক সুলতান আহমেদ মসজিদ—বিশ্বজুড়ে ‘নীল মসজিদ’ নামে পরিচিত। এটি স্থাপত্য, সংস্কৃতি ও ধর্মীয় ঐতিহ্যের এক অপূর্ব নিদর্শন। ১৭ শতকে নির্মিত এই মসজিদ উসমানীয় সাম্রাজ্যের স্থাপত্যশৈলীর শ্রেষ্ঠ উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হয়।

ইতিহাস ও নির্মাণের পেছনের প্রেক্ষাপট
মসজিদটির নির্মাণ শুরু হয় ১৬০৯ সালে, উসমানীয় সুলতান আহমেদ প্রথম-এর নির্দেশে। নির্মাণকাজ চলে প্রায় সাত বছর। ১৬১৬ সালে এটি সম্পন্ন হয়। মূল স্থপতি ছিলেন সুলতানের রাজদরবারের প্রধান স্থপতি সেদেফকার মেহমেদ আগা (Sedefkar Mehmed Agha)—যিনি ছিলেন বিখ্যাত স্থপতি সিনানের শিষ্য।

১. গম্বুজ ও ভৌগোলিক বিন্যাস
মসজিদটির কেন্দ্রীয় গম্বুজের উচ্চতা প্রায় ৪৩ মিটার এবং প্রস্থ ২৩.৫ মিটার। এই গম্বুজটি চারটি বিশাল স্তম্ভ (elephant feet) দ্বারা সমর্থিত। গম্বুজটির চারপাশে রয়েছে একাধিক আধা-গম্বুজ যা গঠনগতভাবে সৌন্দর্য ও ভারসাম্য রক্ষা করে।

২. ছয়টি মিনার
এই মসজিদের অন্যতম অনন্য বৈশিষ্ট্য এর ছয়টি মিনার। সে যুগে কেবল কাবা শরিফে ছয়টি মিনার ছিল, তাই শুরুতে এটি বিতর্কের জন্ম দেয়। পরবর্তীতে সুলতান আহমেদ কাবায় আরও একটি মিনার নির্মাণের ব্যবস্থা করেন, যাতে মক্কা ও ইস্তাম্বুলের মিনার সংখ্যার ভারসাম্য থাকে।

৩. ইজনিক টাইলস ও নীল সৌন্দর্য
মসজিদের অভ্যন্তরে ব্যবহৃত হয়েছে প্রায় ২০,০০০ হাতে তৈরি ইজনিক টাইলস। এই টাইলসগুলোতে নীল, সবুজ ও লাল রঙের জ্যামিতিক ও উদ্ভিদীয় নকশা রয়েছে। বিশেষত নীল রঙের আধিপত্যের কারণে একে ‘নীল মসজিদ’ বলা হয়।

৪. জানালার সজ্জা
মসজিদের ভেতরে রয়েছে প্রায় ২৬০টি জানালা, যা প্রাকৃতিক আলো প্রবেশে সহায়তা করে এবং অভ্যন্তরভাগে প্রশান্তির পরিবেশ তৈরি করে। প্রাচীন কালে এগুলোর অনেক কাচ ছিল ভেনিস থেকে উপহার হিসেবে আনা রঙিন কাচ; পরবর্তীতে অনেক জানালা পুনঃনির্মাণ বা সংস্কার করা হয়েছে।

৫. অভ্যন্তরীণ নকশা ও ঝাড়বাতি
অভ্যন্তরে রয়েছে বিশাল ঝাড়বাতি ও লোহার চেইনে ঝুলন্ত লণ্ঠন, যা আগে উটের ডিম বা দামী কাঁচের সাজে সজ্জিত ছিল। ভেতরে দেখা যায় ইসলামিক ক্যালিগ্রাফির মনোমুগ্ধকর কাজ—বিশেষ করে পবিত্র কোরআনের আয়াতসমূহ ও নবীজির (স.) ৯৯টি নাম।

একটি মসজিদ, একটি ঐতিহাসিক নিদর্শন
নীল মসজিদ আজও কার্যকর মসজিদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। নামাজের সময় মসজিদটি মুসল্লিদের জন্য উন্মুক্ত থাকে এবং বাকি সময়ে ভ্রমণপিপাসুদের জন্য উন্মুক্ত থাকে। পর্যটকদের জন্য এটি ইস্তাম্বুলের এক অন্যতম গন্তব্য। পাশাপাশি এটি UNESCO বিশ্ব ঐতিহ্য তালিকাভুক্ত স্থানের কাছাকাছি অবস্থিত।

নীল মসজিদ তুর্কি ইতিহাস, সংস্কৃতি ও আধ্যাত্মিকতার মিলনস্থল। এর নির্মাণশৈলী, ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট এবং অপার সৌন্দর্য যুগে যুগে মানুষকে মুগ্ধ করে আসছে। আজও যারা ইস্তাম্বুলে যান, তাদের জন্য নীল মসজিদ শুধু দর্শনীয় নয়, বরং

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 jujugantor.com
Theme Customized BY SpacialNews.Com