ধর্ম ও জীবন
(পবিত্র সূরা মায়িদা শরীফ: ৮২)।।
ইহুদি-মুশরিক-কাফিরদেরকে এবং তাদের দালাল লাওওয়াত্বকে সমর্থন করার কারণেই ভূমিকম্পসহ সব আযাব গযব আসছে।
মহান আল্লাহ পাক বলে, “ জমীনে এবং পানিতে যত আযাব-গজব সব বান্দার হাতের কামাই।” (পবিত্র সূরা রুম শরীফ: ৪১)
সেনাবাহিনীর উচিত দেশ রক্ষার্থে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করা
আমাদের মাতৃভূমিতে দ্বীন ইসলাম ও মুসলিম বিদ্বেষী কাফির মুশরিকেরা একের পর এক তাদের হিংস্র মানসিকতার প্রতিফলন ঘটিয়েই যাচ্ছে। প্রশাসন, আইন-আদালতসহ রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে বসে আছে কাফির-মুশরিকদের দালাল মুনাফিকরা অথবা মুসলমান ছুরতে ছদ্মবেশী কাফির-মুশরিকরাই। এরা দেশটাকে গৃহযদ্ধের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে এবং ভয়াবহ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির মাধ্যমে দেশকে অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক প্রায় অচলাবস্থার দিকে ঠেলে দিয়েছে। কথিত অন্তর্বর্তী সরকার মুসলমানদের সাথে প্রতারণা করে দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারী, মুসলমান উনাদের শত্রুদেরকে পৃষ্টপোষকতা করছে এবং দেশটাকে বিদেশী শত্রুদের হাতে তুলে দেয়ার অপচেষ্টা করে যচ্ছে। অন্তর্বর্তী প্রতারক গাদ্দার দেশের জনগণকে বিভিন্ন অজুহাতে একদরকে আরেক দলের বিরুদ্ধে উস্কিয়ে লেলিয়ে দিয়ে দেশটাকে গৃহযুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে। স্বৈরাচারীর কথিত বিচার আর ছাত্র-জনতার সাথে পুলিশ-বিজিবি-সেনাবাহিনীর মারামারি লাগিয়ে দিয়ে দেশের জনগণের দৃষ্টিকে একদিকে আবদ্ধ করে রেখেছে আর অন্যদিকে তারা দেশের বন্দর, টার্মিনাল সব বিদেশীদের কাছে ইজারা দিচ্ছে; দেশ বিক্রি করছে। পকেটমার বা চোর যেমন সবার চোখকে ফাঁকি দিয়ে পকেটের টাকা চুরি করে ঠিক সেইভাবে অন্তর্বর্তী, প্রতারক, গাদ্দার, আমেরিকার দালাল সরকার দেশের জনগনকে ফাঁকি দিয়ে ও ধোকা দিয়ে দেশটা বিক্রি করে চলছে। দেশের বন্দর, দেশের খনি, দেশের সম্পদ সব আস্তে আস্তে বিদেশী শত্রুদেরকে দিয়ে দিচ্ছে আর দেশের মানুষের হক্ব মেরে কাফিরদের তোষামোদী করছে। দেশের মানুষের ভরসার শেষ স্থানটুকু ছিল সেনাবাহিনী। কিন্তু এই সেনাবাহিনীসহ দেশের জনগণের নির্বিকার অবস্থার কারণে এবং লওওয়াত্ব জালিমকে সমর্থন করার কারণে ভূমিকম্পসহ নানান আযাব গজব আসছে। আজ সকাল ১০:৩৮ এ্ হয়েছে ভয়াবহ ভূমিকম্প। মানুষের উচিত তওবা করে লাওওয়াত্বকে উৎখাত করা। নতুবা আরো গজব আসতে পারে। কিন্তু এই সেনাবাহিনী দেশের নিরাপত্তা ও জনগণের মৌলিক অধিকারের নিরাপত্তা দিতে এগিয়ে আসছেনা। উল্টো তারাই এখন বিদেশী কাফির-মুশরিকদের পাতানো ফাঁদে পড়ে গেছে। সেনাবাহিনীর এমন নিষ্ক্রিয়তা, কাপুষতা দেখে জনগণ মনে করছে; হয়ত সেনাবাহিনীও বিক্রি হয়ে গেছে অথবা উৎকোচ খেয়ে দেশের ও জনগণের কথা ভুলে গেছে। তা নাহলে যাদের দায়িত্ব দেশ রক্ষা করা তারা এমন প্রতিক্রিয়াহীন হবে কেনো?-এই সব বিষয় নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে লেখাও হচ্ছে। তাও নিরাপত্তা বা প্রতিরক্ষা বাহিনীর টনক কেনো নড়ছেনা। তবে আবার কি নতুন কোনো ইস্ট ইন্ডয়া কোম্পানী (এনজিও সরকার) দেশটাকে দীর্ঘমেয়াদি জালিম বেনিয়াদের হাতে তুলে দেওয়ার কাজ করে যাচ্ছে। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো অকার্যকর বানিয়ে বিদেশীদের হাতে তুলে দেয়া হচ্ছে, জনগণের মৌলিক অধিকার ক্ষু্ণ্ণ হচ্ছে এবং দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব বিঘ্নিত হচ্ছে ও দ্বীন ইসলামের উপর আঘাত আসছে।
এমতাবস্থায় দেশ ও জাতির অস্তিত্ব রক্ষার্থে দেশের সচেতন মুসলমান ইমানদার জনসমাজকে এগিয়ে আসা অতীব জরুরী। আর এই সব প্রতারক শাসক, নেতা বা ভন্ড ধর্মব্যবসায়ীদের ফাঁদে পা না দিয়ে মুসলমানদের উচিত এমন একজন ইমামকে অনুসরণ করা, এমন একজন ওলী আল্লাহ উনাকে অনুসরণ করা, এমন একজন আহলে বাইত বা আওলাদে রসূলকে মান্য করা, এমন একজন অভিভাবক উনাকে খুঁজে বের করা যিনি দুনিয়ালোভী নন, যিনি প্রাণপ্রিয় নবীজী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পরিপূর্ণ অনুসরণ করেন, যিনি মহান আল্লাহ পাক উনার তরফ থেকে মুসলমান উনাদের ইমাম হিসেবে প্রেরিত।
আর মুসলমানদের উচিত সর্বক্ষেত্রে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্রাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অনুসরণ করা, উনার সাথে সম্পর্ক স্থাপন করা এবং শত্রুদেরকে চিনে শত্রুদের থেকে সতর্ক হওয়া, সাবধান থাকা।
সেনাবাহিনীর উচিত দেশ পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করে দেশটাকে সুশৃঙ্খল করা। বিদেশীদের দালাল অন্তর্বর্তী প্রতারককে উৎখাত করা অতীব জরুরী। নির্বাচনের ডামাডোলে না মেতে আগে সবাইকে দেশ রক্ষার্থে অন্তর্বর্তী প্রতারককে উৎখাত করা উচিত। জনগণের দোয়া এবং সমর্থন আছে ইনশা আল্লাহ। মহান আল্লাহ পাক আমাদের দ্বীনকে এবং দেশকে হেফাজত করুন; শক্রুদেরকে ধ্বংস করে দিন। আমীন।
Leave a Reply