যোগাযোগ :

ঢাকা থেকে প্রকাশিত, সরকারি মিডিয়া তালিকা ভুক্ত, জাতীয়  দৈনিক যুগযুগান্তর পত্রিকায় ও যে যে টিভি... জেলা উপজেলা, বিশেষ প্রতিনিধি, ক্রাইম রিপোর্টার, বিভাগীয় প্রধান, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি নেওয়া হচ্ছে..। আগ্রহীদের সিভি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এন আইডি কার্ড এর কপি এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট মেইল অথবা হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানোর অনুরোধ করা হলো। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378, ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378 ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা।

ভোলা সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেড দিতে সর্বাত্মক চেষ্টা চলছে: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা

ভোলা সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেড দিতে সর্বাত্মক চেষ্টা চলছে: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা

ভোলা প্রতিনিধি,
১১তম গ্রেডপ্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় চৌধুরী জানিয়েছেন, সরকার সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেড প্রদান বিষয়ে সর্বাত্মক চেষ্টা চালাচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন যে, এই প্রচেষ্টা সফল হবে।

শনিবার (২৯ নভেম্বর) সকালে ভোলা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে পিইডিপি-৪ ও চাহিদা ভিত্তিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় অবকাঠামো নির্মাণ কার্যক্রম সমাপ্তির কৌশল নির্ধারণ বিষয়ক সেমিনারের শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানিয়েছেন।

ডা. বিধান রঞ্জন রায় চৌধুরী বলেন, “আমরা চেষ্টা করে প্রধান শিক্ষকদের ১০ম গ্রেড দিতে পেরেছি এবং তাদের দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মকর্তার মর্যাদা দিতে পেরেছি। এখন সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেড দেওয়ার বিষয়ে সর্বাত্মক চেষ্টা চালাচ্ছি। আশা করি আমরা সফল হবো।”

তিনি আরও বলেন, “শিক্ষকরা শিক্ষা ব্যবস্থার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি। তারা মূল শিক্ষা দেন, অন্যরা শুধুমাত্র সহায়ক ভূমিকা পালন করেন। শিক্ষকদের অবস্থার উন্নয়নে সরকার সবসময় কাজ করছে।”

শিক্ষার মান উন্নয়নের বিষয়ে অধ্যাপক বিধান রঞ্জন রায় চৌধুরী বলেন, “প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উন্নয়ন বিভিন্ন ক্ষেত্রে হয়েছে, তবে মূল লক্ষ্য ‘শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক ভিত্তি গড়ে তোলা’ অনেক ক্ষেত্রে যথাযথ গুরুত্ব পায়নি। এখন আমরা মূল উদ্দেশ্যকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছি এবং প্রয়োজনীয় সব কাজ সে অনুযায়ী সাজানো হচ্ছে।”

তিনি জানান, জেলা পর্যায়ে বেশিরভাগ বই পৌঁছে গেছে এবং জানুয়ারির শুরুতেই শিক্ষার্থীরা সব বই হাতে পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, ‘যেসব বিদ্যালয়ে ভোটকেন্দ্র হবে সেগুলো মেরামতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং জেলা প্রশাসক এ বিষয়ে উদ্যোগ নিয়েছেন।’

এর আগে, এদিন দুপুরে তিনি জেলা পরিষদ মিলনায়তনে প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. আতিকুর রহমান, পরিচালক মো. মিরজুল ইসলাম উকিল, বিভাগীয় উপপরিচালক নিলুফার ইয়াসমিন, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারসহ অন্যান্য কর্মকর্তারাও।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 jujugantor.com
Theme Customized BY SpacialNews.Com