মোঃমানিক মিয়া
নাস্তার পরোটা ও নান দিয়ে গরুর কলিজা, ডিম, চিকেন খাওয়া যায়। এছাড়া ডিমের মোগলাইও বেশ জনপ্রিয়।
দুপুরের খাবারের ভাতের সাথে বিভিন্ন পদের ভর্তা প্ল্যাটার, দেশি মুরগি বা গরু ও খাঁসির কালো ভুনা পাওয়া যায়। লইট্টা, কাঁচকি বাটা, সুরমা, কোরালের মতো সামুদ্রিক মাছ দিয়ে খাবার সারা সম্ভব বেশ সুলভ মূল্যে।
দেশি খাবারের জন্য স্বল্প বাজেটে সেরা হোটেল পুলিশ স্টেশন রোডের আল গণি। আপনি যদি টাকার মধ্যে খাবার খেতে চান তাহলে আল গণিই বেস্ট অপশন।
দেশি খাবারের মধ্যে এখানে ভাত, পোলাও, খিঁচুড়ির সাথে ডাল, সবজি, মুরগির মাংস, খাঁসির কালো ভুনা, হাঁস ও কবুতর ভুনা পাওয়া যায়। এছাড়া মেজবানী গরুর মতো মুখরোচক খাবারও রয়েছে এখানে।
আরো আছে চার পদের মাছ ভর্তা (ইলিশ, কোরাল, টাকি, টুনা) আর আলু, ঢেঁড়শ, বেগুন, শিম, কাচকলা ও কলার মোঁচা ভর্তা। সামুদ্রিক মাছের মধ্যে আছে রুপচাঁদা, লইট্টা, কোরাল মাছের মাথা, চিংড়ি, ইলিশ, টেংরা, ও চিরিং মাছ। এখানে কেবল সপ্তাহের শনিবার খাঁসির মাংস পাওয়া যায়।
সকালের নাস্তা ও দুপুরের খাবারের প্যাকেজ পাওয়া যায় যা জনপ্রতি ১৫০ টাকা থেকে শুরু করে টাকার মধ্যে। নাস্তার প্যাকেজে আছে পরোটা, ডালভাজি, অমলেট ও চা। প্যাকেজের বাইরে আছে নেহারি, খাঁসির পায়া, আলু পোস্ত ভুনা ও গরুর কলিজা।
দুপুরের খাবারের প্যাকেজে ভাত ও ডালের সঙ্গে হয় মাছ নয়তো মাংস রদবদল করে নেয়া যায়। যদি কেউ একটু বাজেট বাড়িয়ে খেতে চায় তবে এখানে চিকেন, বিফ ও সামুদ্রিক মাছের বারবিকিউও পাওয়া যায়।
নিউ কুটুমবাড়ি হোটেল এন্ড রেস্তুরা। এখানে বেশ জনপ্রিয় দুইটি খাবার হলো লইট্টা ফ্রাই ও কোরাল মাছের কারি।
এছাড়াও এখানকার সবজি মিক্সেরও বেশ সুনাম রয়েছে। দুপুরের খাবার অনায়াসেই সেরে ফেলা যায় এই হোটেলে। ভাত-ডালের সাথে ভর্তা প্যাকেজ (ছুরি শুটকি, লইট্টা শুটকি, কোরাল, চিংড়ি, কলার মোচা) আর সামুদ্রিক মাছের মধ্যে কাঁচকি, রুপচাঁদা, রিটা, কোরাল এবং মাংসের মধ্যে মুরগি, হাঁস, কবুতর ও গরু উল্লেখযোগ্য।
পালংকি
ইনানী বিচের কাছে বাজেট ফ্রেন্ডলি একটা রেস্তোরাঁ পালংকি বাঙালি, ভারতীয়, থাই, পশ্চিমা ও ইতালীয় খাবার পাওয়া যায়। খাবারের তালিকায় বেশ সুন্দর কিছু নাম দেখতে পাওয়া যায় যেমন: আট পদের ভর্তার নাম ‘অষ্টভূজা’, ছোট মাছের চচ্চড়ির নাম ‘যদি কিছু মনে না করেন’।
সঙ্গে সামুদ্রিক মাছের তালিকায় আছে লইট্টা, রুপচাঁদা, কাকড়া, শানদাঁড় শুটকি ও ছোট মাছ।
শুধু সন্ধ্যায় পাওয়া যায় ভারতের বিখ্যাত ডাল মাখনি, পালক পনির, বিফ আচারি, আলু মটর পনির বাটার মাসালা। থাই খাবারের মধ্যে চওমিন, নুডলস, চিলি অনিয়ন (চিকেন/বিফ)।
আর পশ্চিমা খাবারের মধ্যে পাওয়া যায় চিকেন গ্রিল, বিফ স্টেক, লবস্টার ও স্যালমন। কাবাবের মধ্যে শিক, আলিশান, বাজারা, রেশমি ও হরিয়ালি কাবাব।
গ্রীলড সি ফুড পাওয়া যায় যা অন্যান্য সকল রেঁস্তোরার গ্রিল্ড ফুড থেকে বেশ সস্তা। এর মধ্যে আছে চিংড়ি, স্কুইড, কাকড়া, রুপচাঁদা ও কোরালের গ্রিল।
Leave a Reply