যোগাযোগ :

ঢাকা থেকে প্রকাশিত, সরকারি মিডিয়া তালিকা ভুক্ত, জাতীয়  দৈনিক যুগযুগান্তর পত্রিকায় ও যে যে টিভি... জেলা উপজেলা, বিশেষ প্রতিনিধি, ক্রাইম রিপোর্টার, বিভাগীয় প্রধান, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি নেওয়া হচ্ছে..। আগ্রহীদের সিভি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এন আইডি কার্ড এর কপি এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট মেইল অথবা হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানোর অনুরোধ করা হলো। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378, ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378 ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা।

মানিকগঞ্জের জজ কোর্টে পলিথিন নিষিদ্ধে মূল জায়গায় হাত দিতে হবে: ব্যারিস্টার সুমন

মানিকগঞ্জের জজ কোর্টে পলিথিন নিষিদ্ধে মূল জায়গায় হাত দিতে হবে: ব্যারিস্টার সুমন

মানিকগঞ্জপ্রতিনিধি:

হবিগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন বলেছেন, পলিথিন নিষিদ্ধ করার জন্য কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে হবে, মূল জায়গায় হাত দিতে হবে। বেশির ভাগ সরকার মূল জায়গায় হাত না দিয়ে যেখানে হাত দিলে কোনও ঝামেলা হয় না, ওই সব জায়গা দিয়ে পার হতে চায়।

বুধবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে দুদকের করা একটি মামলায় আসামিপক্ষের আইনজীবী হয়ে মানিকগঞ্জের জজ কোর্টে আসেন ব্যারিস্টার সুমন। কোর্ট শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

ব্যারিস্টার সুমন বলেন, ৯৫ সালে পলিথিনকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এরপর ২০ বছরের উপরে হয়ে গেছে, বেশি হয়ে গেছে। এখন অনেকেই বিশ্বাস করবে না পলিথিন নিষিদ্ধ। পলিথিন ব্যবহারকারী বা যারা দোকানে বিক্রয় করে, এদের চেয়ে পলিথিন আনে কারা দেশে এবং তৈরি করে… গিয়ে দেখেন এরা সবচেয়ে শক্তিশালী। এদেরকে কোনোভাবেই সরকার ধরে না বা ধরতে চায় না। কারণ, এরা অনেক শক্তিশালী।

হবিগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য বলেন, সরকারকে জিজ্ঞাসা করলে উপরে উপরে বলে আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি, ব্যবস্থা নিব। এখন যারা পলিথিন ব্যবহার করে এদেরকে ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে ৫০০, ৩০০ ও এক হাজার ৮০০ জরিমানা করেন, তাতে পলিথিন কোনও দিন কমবেনা বাংলাদেশ থেকে। পলিথিন নিষিদ্ধ করার জন্য কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে হবে, মূল জায়গাই হাত দিতে হবে। বেশির ভাগ সরকার মূল জায়গাই হাত না দিয়ে, যে জায়গাই হাত দিলে কোন ঝামেলা হায় না ওই সব জায়গা দিয়ে পার হতে চায়।

ফুটবল খেলার উন্নয়ন প্রসঙ্গে ব্যারিস্টার সুমন বলেন, ফুটবল আমি ভালোবাসি। ফুটবলের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের তরুণ সমাজকে একটা ভালো জায়গায় নিয়ে যেতে হবে। মাদক থেকে দূরে রাখতে হবে। বাংলাদেশের ফুটবলের অবস্থা ১২টা থেকে ১৩টা বেজে গেছে। আমি চেষ্টা করব ৮টা থেকে ৯টা পর্যন্ত আনা যায় নাকি, যেন মানুষ বলতে পারে ফুটবলের ১২টা বাজে নাই। সেজন্য আমি চেষ্টা করে যাচ্ছি।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 jujugantor.com
Theme Customized BY SpacialNews.Com