সিলেট প্রতিনিধি :
থেমে নেই মামলা। চলছে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের উপর একটির পর একটি মামলা। ২০২৪ সালের ৫ই আগষ্ট গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশত্যাগ করে ভারতে যাওয়ার পরপরই শুরু হয় আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের উপর স্ট্রীম-রোলার। বাড়ী-ঘর ভাংচুর, মব করে নেতা-কর্মীদের উপর হামলা, ধরে নিয়ে গিয়ে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে সোপর্দ করা হয় অসংখ্য জনকে। এরই ধারাবাহিকতায় ২০২৬ সালের ২২শে জানুয়ারি সিলেট মেট্রোপলিটন এলাকার আওতাধীন এয়ারপোর্ট থানায় সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শফিকুর রহমান চৌধুরীকে প্রধান আসামি,সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক,আব্দুল্লাহ মিয়া পুত্র শেখ শাহান আহমদ সহ ১৪০ জন ও ১০০ থেকে ১৫০ জনকে অজ্ঞাতনামা
আসামি করে এয়ারপোর্ট জি আর ১৭/২০২৬ থানার মামলা নং ৩, মামলাটি দায়ের করা হয়। ইতিমধ্যেই এই মামলায় বিগত ৫ই আগষ্ট, ২০২৪ ইং পর এজাহারনামীয় গ্রেফতার হয়ে দীর্ঘদিন জেল হাজতে ছিলেন।
উক্ত মামলায় পুলিশ আসামি ধরার জন্য নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে যাচ্ছে, এরই ধারাবাহিকতায় আব্দুল্লাহ মিয়া’র পুত্র শেখ শাহান আহমদ গ্রেফতারের জন্য নগরীর মেট্রোপলিটন পুলিশের
জালালাবাদ থানাধীন কুচারপাড়া৷ এলাকার মোহনা ২২/২ বাসায় বেশ কয়েকবার অভিযান পরিচালনা করে। আসামি শেখ শাহান আহমদ কে বাসায় না পেয়ে এলাকার স্হানীয় লোকজন জিজ্ঞেস করে ফিরে যায়।সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের উপর আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীকে রাজনৈতিক মামলায় গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।