কক্সবাজার উখিয়া প্রতিনিধি : সরোয়ার আলম
কক্সবাজারের ঘুমধুম সীমান্তে মাদকবিরোধী পৃথক দুটি অভিযানে ২ লাখ পিস বার্মিজ ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এসব অভিযানে দুইজনকে আটক করা হয়েছে। গত ১০ ও ১১ অক্টোবর ঘুমধুম ও বাইশফাঁড়ী বিওপির টহলদল অভিযান দুটি পরিচালনা করে।
রোববার (১১ অক্টোবর) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন (৩৪ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম খায়রুল আলম, পিবিজিএম, পিএসসি।
ঘুমধুম বিওপির অভিযানে ১০ হাজার ইয়াবাসহ আটক ২
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গত ১০ অক্টোবর রাত আনুমানিক ৯টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঘুমধুম বিওপির একটি আভিযানিক টহলদল সীমান্ত পিলার-৩২ থেকে প্রায় ২০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে জামালের ঘের এলাকায় বিশেষ অভিযান চালায়। এ সময় ১০ হাজার পিস বার্মিজ ইয়াবা ট্যাবলেটসহ এফডিএমএন সদস্য মো. ইসলাম (২৫) ও মো. মোজিবুল্লাহ (২৩) নামে দুইজনকে আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিরা ক্যাম্প-৮-এর বি/৮১ ও বি/৭৪ ব্লকের বাসিন্দা বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
বাইশফাঁড়ী বিওপির অভিযানে উদ্ধার ১ লাখ ৯০ হাজার ইয়াবা
অন্যদিকে, ১১ অক্টোবর ভোর আনুমানিক ৪টার দিকে বাইশফাঁড়ী বিওপির বিশেষ টহলদল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সীমান্ত পিলার-৩৫ থেকে প্রায় ১০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে মধ্যপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় মালিকবিহীন পরিত্যক্ত অবস্থায় ১ লাখ ৯০ হাজার পিস বার্মিজ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
দুটি অভিযানে সর্বমোট ২ লাখ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে ১০ হাজার পিস ইয়াবাসহ দুইজনকে আটক করা হয়েছে এবং বাকি ১ লাখ ৯০ হাজার পিস ইয়াবা মালিকবিহীন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।
বিজিবি জানায়, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী মামলা দায়ের করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। উদ্ধার করা মালিকবিহীন ইয়াবার ঘটনায়ও মামলা দায়ের ও পুলিশের কাছে হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
৩৪ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম খায়রুল আলম বলেন, “বিজিবি শুধু সীমান্ত পাহারাতেই নয়, বরং মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধেও সমানভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”
সীমান্ত সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে কক্সবাজার রিজিয়নের রামু সেক্টরের অধীনস্থ কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন (৩৪ বিজিবি) নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে। সীমান্ত এলাকায় অবৈধ মাদক প্রবেশ ও পাচার রোধে এ ধরনের অভিযান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।