ক্রীড়া ডেস্ক:
মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়নের বিপক্ষে চোট শঙ্কা নিয়ে মাঠ ছেড়েছিলেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক মেসি। বিশ্বকাপের আগমুহূর্তে মেসির চোট নিয়ে দুশ্চিন্তায় আর্জেন্টাইন ভক্তরা।
মায়ামির ঘরের মাঠ নু স্টেডিয়ামে ম্যাচের ৭২তম মিনিটে হঠাৎ উরুতে অস্বস্তি অনুভব করেন এবং উদ্বিগ্ন মুখভঙ্গি নিয়ে মাঠ ছাড়েন মেসি। তিনি বেঞ্চে না বসে সরাসরি ড্রেসিংরুমে চলে যান, যা পরিস্থিতিকে আরও সন্দেহজনক করে তোলে।
তবে বিষয়টিকে খুব একটা দিচ্ছেন না মায়ামির কোচ গুইলের্মো হয়োস। তিনি বলছেন, এটি কোনো ইনজুরি নয়, বরং কেবল ক্লান্তি। ম্যাচ শেষে তিনি বলেন, আমাদের কাছে কোনো ইনজুরির তথ্য নেই। তিনি শুধু ক্লান্ত ছিলেন। পিচ ভারী ছিল, তাই ঝুঁকি না নেওয়াই ভালো।
কিন্তু পরিস্থিতি পুরোপুরি শান্ত হয়নি। ইএসপিএন আর্জেন্টিনার বুয়েন দিয়া অনুষ্ঠানে আলোচকরা মেসির চোট শঙ্কা নিয়ে আলাপকাপে জানান, বিষয়টি প্রথমে যতটা সাধারণ মনে হয়েছিল, বাস্তবে ততটা নাও হতে পারে। সেখানে বলা হয়, মেসিকে দ্রুত এমআরআই স্ক্যান করানো হবে যাতে আসল অবস্থা জানা যায়।
সেখানে সাংবাদিক মার্টিন আরেভালো বলেন, মেসির পরীক্ষা করা হবে, তারপরই বোঝা যাবে কী হয়েছে। আমরা আশাবাদী থাকতে চাই, কারণ সে বিশ্বের সেরা ফুটবলার এবং জাতীয় দল তাকে প্রয়োজন। কিন্তু দেখে মনে হচ্ছে মাংসপেশিতে কিছুটা সমস্যা আছে। যা দেখা গেছে, তা শুধু সাধারণ ক্লান্তি মনে হচ্ছে না।
অনুষ্ঠানে আরও আলোচনা হয় মাঠ ছাড়ার সময় তার আচরণ নিয়ে। কেউ কেউ মনে করেন তিনি ব্যথার চেয়ে বেশি রাগান্বিত ছিলেন। আবার অন্যদের মতে, লিও ২৪/৭ ক্যামেরার মধ্যে থাকেন, তাই তিনি জানতেন কীভাবে তাকে দেখা যাবে।
এখন সবকিছুই নির্ভর করছে পরীক্ষার ফলাফলের ওপর। মেসি কি ২০২৬ বিশ্বকাপে খেলতে পারবেন কিনা, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আর্জেন্টাইন ভক্তরা।