মাছুম মিয়া
‎
‎নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রি অফিস, পশ্চিম ও পূর্ব সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের দলিল লেখক এবং স্ট্যাম্প ভেন্ডার কল্যাণ সমিতির কার্যকরী কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৫ অক্টোবর বৃহস্পতিবার  দুপুরে রুপগঞ্জ পশ্চিম সাব রেজিস্ট্রার কার্যালয় প্রাঙ্গনে এ  অনুষ্ঠান হয়। রূপগঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রি অফিস স্ট্যাম্প ভেন্ডার কল্যাণ সমিতির সভাপতি হাবিবুর রহমান বাবুলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ-১ রূপগঞ্জ আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দীপু।
‎সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবু মুহাম্মদ মাসুম ও দলিল লেখক শাহীন মিয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম ফারুক খোকন, রূপগঞ্জ থানা বিএনপি সভাপতি এডভোকেট মাহফুজুর রহমান হুমায়ুন, সাধারণ সম্পাদক বাছির উদ্দিন বাচ্চু, রূপগঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রি অফিস (পশ্চিম) সাব রেজিস্ট্রার গোলাম মর্তুজা, রূপগঞ্জ (পূর্ব) সাব রেজিস্ট্রার মজিবুর রহমানসহ রূপগঞ্জ পূর্ব সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের দলিল লেখক এবং স্ট্যাম্প ভেন্ডার কল্যাণ সমিতির সভাপতি মোঃ আব্দুল জলিল মিয়াসহ সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের দলিল লেখক এবং স্ট্যাম্প ভেন্ডার কল্যাণ সমিতির কার্যকরী কমিটির সদস্যবৃন্দরা।
‎
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দীপু আরও বলেন, রূপগঞ্জের দুটি সাব-রেজিস্ট্রি অফিস থেকে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব পেলেও এখানকার অবকাঠামোগত উন্নয়ন হয়নি। এখনো জরাজীর্ণ পরিবেশে দলিল লেখক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাজ করতে হচ্ছে। তিনি বলেন, একটি সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে মাত্র একজন কর্মী দিয়ে কাজ পরিচালনার বিষয়টিও উদ্বেগজনক। রাজস্বের অর্থ রূপগঞ্জের উন্নয়নে ব্যয় করা গেলে স্থানীয় মানুষের আরও বেশি উপকার হতো।
‎তিনি আরও বলেন, আমি আপনাদের কথা দিয়ে যাচ্ছি, অতি শিগগিরই এখানে সুন্দর একটি স্থাপনা হবে, যাতে সারা বাংলাদেশের মানুষ এসে দেখতে পারে। এখানে একটি রেকর্ড রুমও করা হবে। ১৯০৪ সাল থেকে সংরক্ষিত যেসব কাগজপত্র প্রয়োজন হবে, সেগুলোর জন্য আর নারায়ণগঞ্জ বা ঢাকায় খোঁজাখুঁজি করতে হবে না। রূপগঞ্জ থেকেই সেসব নথি পাওয়া যাবে। এ কাজ আমি করে ছাড়ব, ইনশাআল্লাহ।
‎
‎সভাপতির বক্তব্যে হাবিবুর রহমান বাবুল বলেন, ১৯০৮ সালে রূপগঞ্জ রেজিস্ট্রি অফিস প্রতিষ্ঠিত হয়। দীর্ঘদিন ধরে এ অফিসের মাধ্যমে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব পেয়ে আসছে। তিনি ১৯৯০ সালে দলিল লেখকের লাইসেন্স পান এবং ২০০৭ সালে দলিল লেখক সমিতির সভাপতি হন বলে জানান।
‎তিনি আরও বলেন, ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর বিএনপির কোনো দলিল লেখক লাইসেন্স পাননি। এ সময় তিনি রূপগঞ্জের বিএনপি, ছাত্রদল ও যুবদলের বেকার কর্মীদের মধ্য থেকে যোগ্য ব্যক্তিদের দলিল লেখকের লাইসেন্স দেওয়ার জন্য সংসদ সদস্যের কাছে অনুরোধ জানান।