: নুরুল আলম সিকদার,
কক্সবাজারের টেকনাফের হোয়াইক্যং ও উখিয়ার পালংখালী সীমান্ত এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে ৪ লাখ ৬০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে ৬৪ বিজিবি। এসব ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য ১৩ কোটি ৮০ লাখ টাকা। এ ঘটনায় আটক করা হয়েছে চারজনকে। জব্দ করা হয়েছে ইয়াবা পাচারে ব্যবহৃত একটি পিকআপ ও মোবাইল ফোন

সীমান্তে মাদক চোরাচালান প্রতিরোধে আবারও বড় সাফল্য পেয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ—বিজিবি।

সোমবার রাতে কক্সবাজারের টেকনাফের হোয়াইক্যং চেকপোস্টে তল্লাশি চালিয়ে একটি ডাবল কেবিন পিকআপ থেকে উদ্ধার করা হয় ১ লাখ ২০ হাজার পিস ইয়াবা। পিকআপটির পেছনের সিট কভারের নিচে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল এসব মাদক।

এ সময় পিকআপের চালক চট্টগ্রামের ডবলমুরিং এলাকার বাসিন্দা মো. সাইফুল ইসলামকে আটক করা হয়। জব্দ করা হয় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত পিকআপ ও একটি মোবাইল ফোন।

একই রাতে উখিয়ার পালংখালী বিওপির বিশেষ টহল দল সীমান্তবর্তী উলুবুনিয়া মাঝের কাঠি এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় মিয়ানমার থেকে সীমান্ত অতিক্রম করে আসা তিনজনকে সন্দেহ হলে চ্যালেঞ্জ করে বিজিবি। পালানোর চেষ্টা করলে ধাওয়া দিয়ে তাদের আটক করা হয়।

পরে তাদের বহন করা পোটলা তল্লাশি করে উদ্ধার করা হয় আরও ৩ লাখ ৪০ হাজার পিস ইয়াবা।

দুই অভিযানে মোট ৪ লাখ ৬০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। বিজিবির হিসাবে, এসব মাদকের আনুমানিক মূল্য ১৩ কোটি ৮০ লাখ টাকা।
লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম
অধিনায়ক, উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি)

বিজিবি জানিয়েছে, মাদকের বিরুদ্ধে তাদের জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত রয়েছে। সীমান্ত দিয়ে মাদক চোরাচালান বন্ধে গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান জোরদার করা হয়েছে। মাদক কারবারিদের বিষয়ে তথ্য দিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।

সীমান্ত সুরক্ষা ও মাদক পাচার প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে বিজিবি।