গাইবান্ধার, সাঘাটা উপজেলার জুমারবাড়ী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সেক্রেটারি, জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য, জনাব শাখাওয়াত হোসেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠন যুবলীগ, ছাত্রলীগ সহ সবগুলোকে সক্রীয় করতে তোরজোর শুরু করেছে। ২৯/০৫/২৬ ইংরেজি, শুক্রবার বিকাল ৪টা থেকে সন্ধা পর্যন্ত, তার নিজ গ্রামে, দূর্নীতির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত শাখাওয়াত হোসেন মাল্টিমিডিয়া কেজি স্কুল মাঠে প্রকাশ্যে সমাবেশ করেন।

জানা যায়, এই শাখাওয়াত হোসেন ছিলেন ফ্যাসিস্ট আমলে, সাঘাটা-ফুলছড়ির সবথেকে সুবিধাভোগী কয়েকজনের একজন। ভেলু মিয়া এমপি থাকা অবস্থায়, ক্ষমতার অপব্যবহার করে নিজের, স্ত্রীর, ভাগিনা সহ বেশ কিছু চাকরি বাগিয়ে নেয়। অনেককে চাকরি দেবার কথা বলে করেন প্রতারনা। নিজ গ্রামে ফজলে রাব্বি এমপির স্ত্রীর নামে প্রতিবোন্ধি স্কুলের নাম করে, নগদ অর্থ ও জমি মিলে কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে নেয় চাকরি প্রত্যাশিদের কাছে।

খুবই ধুরন্ধর এই শাখাওয়াত, ভেলু মিয়া মারা যাবার পর, উপনির্বাচন এবং ২৪ এর আমি-ডামির নির্বাচনে সাবেক ছাত্র লীগ সভাপতি মাহমুদ হাসানের রিপনের হাল ধরেন।

ক্ষমতায় থাকা অবস্থাতেই সাঘাটা উপজেলার সমস্ত রাস্তার গাছ গুলো চুরি করে কাটার জন্য মামলায় পড়েন। সেসময় এমপি রিপনকে দিয়ে ধামাচাপা দেন। অতঃপর ৫ আগষ্টের বিএনপি অফিসে হামলার কারনে মামলা হয় তার নামে। কিছুদিন পর জামিনে বেড়িয়ে এসে, বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত নেতা নাহিদুজ্জামান নিশাদের হাস মার্কার ভোট করে। তারপর থেকেই আওয়ামিলীগকে সংগঠিত করতে জুমারবাড়ীর বিভিন্ন জায়গায় মাঝেমধ্যেই তাকে মিটিং করতে দেখা যায়। শোনা যাচ্ছে, এর জন্য বিএনপি-জামাতের কিছু অসাধু নেতাদেরকে ম্যানেজ করেই সে এসমস্ত কাজ করছে। সর্বশেষ তাকে গতকালকের বিশাল সমাবেশ করতে দেখে, ইতোমধ্যে এলাকায় আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিএনপি-জামায়াতের ত্যাগী নেতারা সংক্ষুব্ধ হয়েছে। একই এলাকায় জামায়াতে ইসলামীর একজন রানিং এমপি থাকার পরেও, কিভাবে আওয়ামীলীগ কার্যক্রম চালাচ্ছে, তা নিয়েও জনমনে প্রশ্ন উঠেছে।