কলকাতা থেকে নিউজ দাতা মনোয়ার ইমাম

দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার ডায়মন্ড হারবার থেকে উস্তি হয়ে রাজার খাল হারিয়ে যেতে বসেছে।এই ঐতিহাসিক খালের অপর নাম বুড়ির খাল। ব্রিটিশ আমলে এই ঐতিহাসিক খাল দিয়ে বয়ে গেছে বানিজ্যিক নৌকা ও শালতি ও ডোঙ্গা বড় বড় পালতোলা নৌকা। বানিজ্যিক দিক থেকে দেখতে গেলে এই ঐতিহাসিক খালের গুরুত্ব ছিল অনেক খানি। বিগত প্রায় আশি দশক এবং নব্বই দশকের শেষ দিকে এই খাল দিয়ে বেয়ে আসতো সবুজ ফসল ও ধান এবং সবজি।এই খালের লাগোয়া ব্রিটিশ আমলের উস্তির হাট এবং রাজার হাট বিখ্যাত। কিন্তু কালের পরিবর্তন এবং মানুষের আনাগোনা একটু কম হতেই এবং আধুনিক বাংলা র উন্নত মানের যান পরিবহন ব্যবস্থা হওয়ার পর চাপ কুমে যায় এই ঐতিহাসিক রাজার খালের।এই সুযোগে উস্তি র হাটের কিছু হোটেল ওয়ালা মুরগির মাংস দোকানদাররা এবং উস্তি বাজার থেকে আসা আবর্জনা নিয়ে ফেলা হচ্ছে এই খালের উপর। এবং আস্তে আস্তে ভরাট হয়ে যাচ্ছে খালের পাড়। এবং জল পাশ হবার গতিপথ পরিবর্তন হচ্ছে। ভ্যাট ও ভরাট আবর্জনার স্তূপ দিকে দিকে গ্রাস করে নিচ্ছে পুরো খাল। বিগত সরকারের আমলে এই খাল সংস্কার হয়নি। দীর্ঘদিন ধরে কেউ চোখ তুলে তাকায়নি।স্হানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা চুপ ছিল দীর্ঘদিন ধরে। বিগত সরকারের আমলে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ও তৎকালীন সরকারের সময় কিছু প্রশাসনের কর্মকর্তারা ও উস্তি ব্লক উন্নয়ন বোর্ড এর সদস্যদের নিস্ক্রিয়তায় আজ এই অবস্থা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিজেপি নেতা বাপি মন্ডল। তবে এই খাল পুনরায় খনন করে এবং স্বাভাবিক রাখতে এবং আগের মতো গতিপথ আনতে উড়ে পড়ে লেগেছে মগরাহাট পশ্চিমের ব্লক বিজেপি নেতৃত্ব। এদের মধ্যে বড় ভূমিকা পালন করতে চলেছেন দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলা বিজেপি র সাংগঠনিক সম্পাদক ও অফিস সেক্রেটারি তুহিন মন্ডল এবং মগরাহাট পশ্চিমের ব্লক বিজেপি নেতা তম্ময় হাজরা এবং উস্তি ব্লক বিজেপি র সাংগঠনিক নেতা পার্থ সারথি ঘোষ এবং দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার বিজেপি সাংগঠনিক কমিটির সহ সভাপতি শ্রী গৌর ঘোষ এবং মগরাহাট পশ্চিমের বিজেপি নেতা ও প্রার্থী গৌর সুন্দর ঘোষ।
তবে এই ঐতিহাসিক রাজার খাল যদি পুনরায় চালু করে তাহলে ডায়মন্ড হারবার হয়ে উস্তি ভায়া রাজার হাট পর্যন্ত সাধারণ মানুষ চলাচল করতে পারে এবং বানিজ্য ভাবে বড় ভূমিকা পালন করতে পারে এই ঐতিহাসিক রাজার খাল।