মুহ.মিজানুর রহমান বাদল,
মানিকগঞ্জের সিংগাইর পৌরবাজারে ফুটপাতে অবৈধ দোকান অপসারণে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে। এসময় ফুটপাতে ফলের দোকান ও রাস্তায় সেনেটারি মালামাল রাখায় ৭ দোকানিকে অর্থদন্ড করা হয়েছে। মঙ্গলবার(১৬ জুন) দুপুরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট খায়রুন্নাহার এবং উপজেলা সহকারি কমিশনার(ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাবেল উদ্দিন এ অভিযান পরিচালনা করেন।  এ সময় অভিযানে সিংগাইর থানা পুলিশ সহযোগিতা করেন।
জানাযায়,সিংগাইর পৌরবাজারে ফুটপাত দখল করে অবৈধভাবে  ফলের দোকান ও সেনেটারি দোকানের মালামাল রাস্তার রেখে জনসাধারণের যাতায়াত বিঘ্ন ঘটিয়ে এক শ্রেনীর ব্যবসায়ী দীর্ঘদিন যাবৎ ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিল। বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনের নজরে এলে মঙ্গলবার দুপুরে মোবাইলকোর্ট পরিচালনা করে নাজিমউদ্দীনকে ২ হাজার,আক্কাছ মোল্লাকে ২ হাজার, শান্তকে ২ হাজার, আব্দুল্লাহকে ১ হাজার, মামুনকে ২ হাজার, নুরুল ইসলামকে ২ হাজার ও আলম হোসেনকে ২ হাজার টাকা অর্থদন্ড দিয়ে তাৎক্ষণিক আদায় ও ফুটপাত থেকে মালামাল সরিয়ে নেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট খায়রুন্নাহার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান,স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) আইন ২০০৯ অনুযায়ী ৭টি মামলায় অর্থদন্ড করা হয়।জনস্বার্থে এ ধরণের অভিযান  অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।####

সিংগাইরে শ্রেনীকক্ষে ছাত্র ছাত্রীর অনৈতিক কর্মকান্ড,ধামাচাপার অভিযোগ
মুহ.মিজানুর রহমান বাদল,মানিকগঞ্জ:
মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার  সাহরাইল উচ্চ  বিদ্যালয়ে টিফিন চলাকালীন সময় পশ্চিম পাশের ভবনের নিচ তলায় ৮ম শ্রেনীর ক শাখার কক্ষে ১০ম শ্রেনীর এক শিক্ষার্থী ও জনৈক ৮ম শ্রেনীর এক শিক্ষার্থীর মাঝে  অনৈতিক কর্মকান্ডের ঘটনায় ২ জনকে  বিদ্যালয় থেকে টিসি দিয়ে ধামাচাপার চেস্টা অভিযোগ ওঠেছে বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ।
সোমবার বিকালে উপজেলার সায়েস্তা ইউনিয়নের সাহরাইল উচ্চ বিদ্যালয়ে এমন ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এলাকার জুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি ও মানুষের মাঝে চলছে নানা কানাঘষা । এছাড়াও  বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের এমন কান্ডে অভিভাবকদের মাঝে ভীতি কাজ করছে।
বিশ্বস্ত সূত্রে জানাযায়,উপজেলা সায়েস্তা ইউনিয়নের সাহরাইল উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণীর এক শিক্ষার্থী বিদ্যালয় টিফিন চলাকালীন সময় জনৈক ৮ম শ্রেনীর এক ছাত্রীকে কৌশলে শ্রেনীকক্ষে নিয়ে গত ১০ জুন অনৈতিক কর্মকান্ডে লিপ্ত হয় । বিষয়টি ওই শ্রেনী কক্ষের সিসি ক্যামেরায় ধরা পরে । পরবর্তীতে ঘটনাটি সোমবার দুপুরে প্রকাশ হলে ওই বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো.সিরাজুল ইসলাম  ছেলে ও মেয়ের অভিভাবককে ডেকে স্থানীয় প্রভাবশালী বিএনপি নেতার উপস্থিতিতে ২ শিক্ষার্থীকে টিসি ও সাদা স্ট্যাম্পে মুচলেকা রেখে বিদ্যালয় থেকে বের করে দেয়া হয়েছে বলে সূত্রে জানাযায় ।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই বিদ্যালয়ের এক সহকারী শিক্ষক ঘটনা সত্যতার কথা স্বীকার করে বলেন, স্কুলের সভাপতি ইউএনও স্যারের সাথে আলাপ করে থানা পুলিশকে অবগত না করে শিক্ষার্থীদের টিসি ও মুচলেকা নিয়ে সমাধান করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে সাহরাইল উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. সিরাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, দুই শিক্ষার্থীর আপত্তিকর কথাবার্তা সিসিটিভি ফুটেছে ধরা পরে বিষয়টি ইউএনর স্যারের অনুমতি নিয়ে অভিভাবকদের ডেকে সমাধান করা হয়েছে |

উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও বিদ্যালয়ের সভাপতি খায়রুন্নাহার জানান,বিষয়টি আমাকে স্কুল থেকে জানিয়েছে। তেমন গুরুতর না হওয়ায়  দুই পরিবারের অভিভাবকদের ডেকে মুচলেকা নিতে বলেছি। পরবর্তীতে এ ধরণের ঘটনা ঘটালে  দুই শিক্ষার্থীকে স্কুল থেকে বহিস্কারের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।