মোঃ মামুন ভুঁইয়া,

পাকুন্দিয়া–কিশোরগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের সুখিয়া বাজার এলাকায় একটি গরু পরিবহনকারী গাড়ির সঙ্গে একটি ক্লাসিক (যাত্রীবাহী) গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাথমিক তথ্যমতে ৬টি গরুসহ ৩ জন মানুষ নিহত হয়েছেন। এছাড়া গুরুতর আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১৫ জন। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করি।
দুঃখজনক হলেও সত্য, সাম্প্রতিক সময়ে পাকুন্দিয়া ও আশপাশের এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনার সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রায়ই প্রাণহানি, গুরুতর আহত হওয়া এবং অপূরণীয় ক্ষতির খবর শুনতে হচ্ছে। একটি দুর্ঘটনা শুধু কয়েকটি প্রাণই কেড়ে নেয় না, বরং বহু পরিবারকে চিরদিনের জন্য শোক, অনিশ্চয়তা ও আর্থিক সংকটের মুখে ফেলে দেয়।
এখন সময় এসেছে এই বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার। শুধু দুর্ঘটনার পর তদন্ত বা শোক প্রকাশ নয়, দুর্ঘটনা প্রতিরোধে কার্যকর ও দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ গ্রহণ করা জরুরি।
সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা শুধু সরকারের একার দায়িত্ব নয়; চালক, যাত্রী, পথচারী এবং আমাদের প্রত্যেকের সম্মিলিত দায়িত্ব। একটি ছোট অসতর্কতা মুহূর্তেই কেড়ে নিতে পারে বহু মূল্যবান প্রাণ।
আমরা চাই, পাকুন্দিয়া–কিশোরগঞ্জ মহাসড়ক আর কোনো পরিবারের কান্নার কারণ না হোক। সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, সড়ক ও জনপথ বিভাগ, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের প্রতি অনুরোধ, এই মহাসড়কের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জরুরি ভিত্তিতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করুন।
মনে রাখুন, গন্তব্যে কয়েক মিনিট দেরিতে পৌঁছানো যায়, কিন্তু একটি প্রাণ চলে গেলে তা আর কখনো ফিরে আসে না। নিরাপদ সড়ক হোক সবার অধিকার, আর সচেতনতা হোক আমাদের প্রথম প্রতিরক্ষা।