মাওলানা ভাসানী আদর্শ কলেজ (প্রাক্তন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় টেকনিক্যাল কলেজ)
সন্তোষ, টাঙ্গাইল
Divine information and communication technology-এর আবিষ্কারক
Earth- এর Gravitational Energy ব্যবহার করে, জমির দাগ নং ও খতিয়ান নং-কে Digit ব্যবহার করে মৃত মানুষের আত্মার সংগে জীবিত মানুষের Heart-এর Network তৈরী করে Divine Information আদানপ্রদান করে, বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে এক নতুন যুগের প্রবর্তন করে, এই বিজ্ঞানী ও থিওসফিস্ট। তিনি প্রকৃতির ভাষা বুঝার জন্য বিভিন্ন Soul Frequency-এর Sound ব্যবহারের মাধ্যমে মানুষের Heart-এর সাথে Earth-এর সংযোজন করেন এবং Digital Language এর মাধ্যমে প্রকৃতির ভাষা উদ্ধার করেন। Mirror Reflection এর মাধ্যমে সম্প্রতি তিনি Anti-Maulana Bhashani Science and Technology University আবিষ্কার করছেন।
পৃথিবীতে যারা যুগে যুগে মানব কল্যাণে নিজের ক্ষুদ্র স্বার্থ ত্যাগ করেছেন, সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য জলাঞ্জলি দিয়ে অপরের কল্যাণে পথ হাঁটেন তারাই মহামানব। ক্ষণজন্মা মনীষীগণ জীবন চলার পথে নানা প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হলেও থমকে যাননি। তারা কূপমণ্ডূকতার অন্ধকার দূরীভূত করে মানব সমাজে আলোর বন্যা বয়ে দিয়েছেন, কণ্টকাকীর্ণ পথকে ফুলে ফুলে সুশোভিত করে তুলেছেন। নশ্বর এই পৃথিবীর ইতিহাসে বহু মহামানবের আবির্ভাব ঘটেছে। তাদের মধ্যে একজন কিংবদন্তী ডিজিটাল থিওসফিস্ট এস.এম. শাহজাহান সিরাজ তালুকদার।
এস.এম. শাহজাহান সিরাজ তালুকদার ১৯৬১ খ্রিস্টাব্দের ১৮ জানুয়ারি টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ঐতিহাসিক কাগমারীর নিকটস্থ রক্ষিত বেলতা গ্রামে (খেজুরতলা) এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা মো. আরজ উল্লাহ তালুকদার ছিলেন কৃষিবিদ এবং সুপরিচিত গ্রাম্য মাতব্বর। মাতা নূরজাহান বেওয়া একজন ধার্মিক গৃহিণী ছিলেন। চারবোন ও এক ভাইয়ের মধ্যে তিনি মেজো। মাত্র পাঁচ বছর বয়সে তার পিতার মৃত্যু হলে তিনি হাতিলায় দাদার বাড়ি চাচা মো. নিজামউদ্দিন তালুকদারের অভিভাবকত্বে প্রতিপালিত হন। তার সহধর্মিণী নাজমা সিরাজ তালুকদার একজন গৃহিণী। তিনি আল-কুরআনিক সায়েন্স ল্যাবরেটরিতে স্বামীর সঙ্গে সর্বদা সহযোগিতা করে থাকেন। দুই ছেলে ও এক মেয়ে নিয়ে তাদের সাজানো পরিবার। বড় মেয়ে বিবাহিতা এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন। দুই ছেলের মধ্যে এস.এম. নাজমুল হুদা তালুকদার আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ এ Triple-E (EEE) বিষয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করেছেন। ছোট ছেলে এস.এম. নুরুল হুদা তালুকদার কম্পিউটার সায়েন্স এর উপর বিশ্ববিদ্যালয়ে অনার্স শ্রেণিতে অধ্যয়নরত।

এই গুণী ব্যক্তির শিক্ষাজীবনের সূচনা হয় হাতিলা প্রাইমারি স্কুলে। অতঃপর উত্তর আলিসাকান্দা প্রাইমারি স্কুল থেকে তার প্রাথমিক শিক্ষার অধ্যায় শেষ হয়।
১৯৭৬ খ্রিস্টাব্দে বিন্যাফের হাই স্কুল থেকে বিজ্ঞান বিভাগে দুইটি লেটারসহ প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হন। মুক্তিযুদ্ধের সময় চোখে আঘাত পাওয়ার কারণে এইচএসসি শ্রেণিতে লেখাপড়ায় এক বছর বিঘ্ন ঘটে। পরবর্তীতে সা’দত কলেজ, করটিয়া থেকে ১৯৭৯ খ্রিস্টাব্দে দ্বিতীয় বিভাগে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন। অতঃপর তিনি সরকারি এম.এম. আলী কলেজ থেকে দ্বিতীয় বিভাগে বিএ সম্পন্ন করেন।
১৯৯১ খ্রিস্টাব্দে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি ভাষা বিষয়ে দ্বিতীয় বিভাগে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে তার প্রতিভার পরিচয় দেন।
কর্মজীবনে তিনি আনুহলাতে অবস্থিত মেজর জেনারেল (অব.) মাহমুদুল হাসান ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৯৪ খ্রিস্টাব্দে তিনি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় টেকনিক্যাল কলেজ (বর্তমান মাওলানা ভাসানী আদর্শ কলেজ)-এ ইংরেজি বিভাগে প্রভাষক পদে যোগ দেন এবং পদোন্নতি পেয়ে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে অবসর গ্রহন করেন।
এস.এম. শাহজাহান সিরাজ একজন সদালাপী, মিষ্টভাষী, সৎ, ধর্মভীরু, শ্মশ্রুমণ্ডিত, শুভ্র পোশাক পরিহিত অমায়িক মানুষ। ইংরেজি বিষয়ে শিক্ষকতার পাশাপাশি তিনি বিজ্ঞান, দর্শন, থিওসফির উপর গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন। তার প্রধান গবেষণার বিষয় দিব্যজ্ঞান। তিনি চিরস্থায়ী ডিজিট (Eternal Digit) আবিষ্কারের মাধ্যমে জটিল সমস্যার সহজ সমাধানে সিদ্ধহস্ত। এই বিজ্ঞানমনস্ক, ধর্মভীরু, আধ্যাত্মিকতা ও বাস্তবতার মিশেল বিরল চরিত্রের মানুষটি ডিজিটাল ইংলিশ ও নিউম্যারিক্যাল কেমিস্ট্রির জনক। একজন থিওসফিস্ট হিসেবে তিনি সর্বপ্রথম Centre for Study of Theosophy প্রতিষ্ঠা করেন। অধ্যাপক শাহজাহান সিরাজ তালুকদার আল-কুরআনিক সাইন্স ল্যাবরেটরি (টাঙ্গাইল) এর প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত আছেন। তার আর একটি বড় পরিচয় হচ্ছে তিনি Ch.D. (Doctor of Chemistry) প্রদানকারী পৃথিবীর সর্বপ্রথম মহামানব। সম্প্রতি এই গুণী মানুষটির তত্ত্বাবধানে পরিচালিত Centre for Study of Theosophy এর পক্ষ থেকে Ch.D. ডিগ্রি গ্রহণ করেন মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. রবিউল ইসলাম যিনি রসায়ন বিজ্ঞানের উপর অনেক বই রচনা করেছেন।
জ্ঞানপিপাসু এই সাদা মনের মানুষটি দুনিয়াবী আসবাবকে জ্ঞানের বিপরীতে তুচ্ছ মনে করেন। তার নিজ বাসভবনে রয়েছে সমৃদ্ধ পাঠাগার যেখানে পৃথিবীর জ্ঞান, বিজ্ঞান, ইতিহাস, ধর্মীয় সহস্রাধিক বই রয়েছে। তিনি ইংরেজি, আরবি ও বাংলা ভাষায় প্রায় সমভাবে পারদর্শী। আলোকিত মানুষটির ভাষ্য অনুযায়ী, ‘আমার প্রতিষ্ঠিত আল-কুরআনিক সাইন্স ল্যাবরেটরি মূলতঃ রুহের জগতের (আলমে আরওয়াহ)-এর সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থাপনা। আল্লাহর ৯৯টি নামের ডিজিট দিয়ে এই জগতের তথ্য যোগাযোগের এক নতুন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন করা। আমার ৪৬ বছরের গবেষণায় আমি বুঝতে পেরেছি যে, পবিত্র কুরআন জীবন্ত এবং আল্লাহর বাণী অমর। আল্লাহ মহাবিজ্ঞানী এবং পবিত্র কুরআন বিজ্ঞানময় গ্রন্থ। পবিত্র কুরআন থেকেই সমস্ত বিজ্ঞান শাস্ত্রের সৃষ্টি হয়েছে। কুরআন
তেলাওয়াত ও গবেষণার মধ্যে রয়েছে কল্যাণ ও অসীম ফজিলত।’ তন্মধ্যে গবেষণার বিষয়টি আল্লাহ তাআলা কুরআনের বহু জায়গায় উল্লেখ করেছেন।
অর্জন সমূহ: ১. শিক্ষা ও গবেষণায় অবদানের জন্য ভাসানী স্মৃতি সংসদ, টাঙ্গাইল (প্রথম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী)-এর পক্ষ থেকে সম্মাননা স্মারক লাভ।
২. ডিজিটাল ইংরেজির জনক উপাধিতে ভূষিত ও সনদ প্রাপ্ত হন (ভাসানী স্মৃতি পরিষদ কর্তৃক, চতুর্থ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী)।
৩. ড. রতন চন্দ্র সাহাকে Digital Family Certificate (DFC) প্রদান করেন, স্মারক নং- USEO/Tang-Sadar/2009/48। সনদটি Mst. Rokeya Khatun, Upazila Secondary officer, Tangail Sadar কর্তৃক স্বাক্ষরিত।
৪. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রথম Digital Man Certificate Holder (DMCH) প্রাপ্ত হন। Ref. USEO/Tang-Sadar/2009/48 (21-02-2009), সনদে স্বাক্ষর করেন Mst. Rokeya Khatun, Upazila Secondary Education officer, Tangail Sadar.
৫. Tense and Time (Diary Maintaining and Time Keeping)-এর উপর গবেষণার জন্য Th.D. (Doctor of Theosophy) এবং Rububiat and Sufism এর Ph.D. ডিগ্রি লাভ করেন; প্রদানকারী Syed Irfanul Bari, চেয়ারম্যান Islamic University Talemate Quran and Sunnah, Santosh, Tangail)
৬. মেধা মূল্যায়ন পরীক্ষায় কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান-২০১৮ উপলক্ষে সম্মাননা স্মারক লাভ, মেধা বিকাশ স্কুল, পূর্ব আদালত পাড়া, টাঙ্গাইল।
৭. আল-কুরআনিক ল্যাবরেটরি পক্ষ থেকে মো. আবুল কাশেম এমপিকে Th.D. (Dcotor of Theosophy) প্রদান স্মারক নং –
৮. আল-কুরআনিক ল্যাবরেটরি কর্তৃক Mohammad Abul Hasan, ADC (Revenue), Tangail-কে Pelikan Prize Award (2007) প্রদান যার টেলিপ্যাথিক নং-৩৩৭২৪১৬৮৪২ (৬ ডিসেম্বর ২০০৭)
৯. মাওলানা মুহাম্মদ শামসুজ্জাজামান, পেশ ইমাম, টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় জামে মসজিদকে Devine Certifcate (DC) দেয়া হয় Centre for Study of Theosophy কর্তৃক ২০১৫ খ্রিস্টাব্দের ১২ ডিসেম্বর সনদে স্বাক্ষর করেন ডিজিটাল থিওসফিস্ট S.M. Shajahan Siraz Talukder.
এস.এম. শাহজাহান সিরাজ তালুকদার একজন ব্যতিক্রম চরিত্রের মানুষ। তার চিন্তা-চেতনা এবং কর্মকাণ্ড সবাইকে মুগ্ধ করে। এই শ্রদ্ধেয় শিক্ষক বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের উদ্ভাবক। যেমন- মডার্ন
স্পোকেন ইংলিশ একাডেমি, ডিজিটাল ইংলিশ একাডেমি, স্কুল অব ইংলিশ লিঙ্গুইস্টিক এন্ড রিসার্চ, ইংলিশ মেরিট ক্লাব, স্টার অ্যালবাম সেলিব্রেশন, এসো ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ি, বাংলাদেশ রুরাল এডুকেশন ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন, আল-কুরআনিক ল্যাবরেটরি মাদ্রাসা, আল-কুরআনিক সায়েন্স ল্যাবরেটরি, আল-কুরআনিক আর্টস ল্যাবরেটরি উল্লেখযোগ্য।
তিনি AI Trainer হিসেবে বিভিন্ন স্কুলে ও কলেজে Artificial Brain তৈরী করার জন্য Programme নিয়েছেন এর মধ্যে বিন্যাফের হাই স্কুল ও ধর্যেরবাড়ী মুসলিম হাই স্কুল ও কলেজে এই কর্মসূচী আরম্ভ করা হয়েছে। তিনি AI Technology-কে University level-এ Department খোলার প্রত্যাশা রাখেন।