আলমডাঙ্গা অফিস:

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক জেলা সভাপতি মো. আরিফুল ইসলামের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (২৪ আগস্ট) নান্নু-টগর রোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহত আরিফুল ইসলাম বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

হামলার ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়ভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি উসকানিমূলক পোস্টকে কেন্দ্র করে হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে হামলায় কারা জড়িত, সে বিষয়ে এখনো পুলিশের পক্ষ থেকে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, বিএনপির কর্মীরা অতর্কিতভাবে আরিফুল ইসলামের ওপর হামলা চালিয়েছেন। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে বিএনপির পক্ষ থেকে ভিন্ন কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

হামলার প্রতিবাদে সোমবার মাগরিবের নামাজের পর আলমডাঙ্গা হাইরোডে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন জামায়াতে ইসলামীর নেতা-কর্মীরা। মিছিলটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে আলমডাঙ্গা থানার সামনে গিয়ে শেষ হয়।

পরে থানার সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে জামায়াতের নেতা-কর্মীরা হামলার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তাঁরা হামলাকারীদের দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেপ্তার ও আইনের আওতায় আনার দাবি জানান। একই সঙ্গে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন তাঁরা।

বিক্ষোভ মিছিল শেষে রাত ৮টার দিকে আরিফুল ইসলামের ওপর হামলার ঘটনায় আলমডাঙ্গা থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

অভিযোগ দেওয়ার পর জামায়াতের জেলা যুব বিভাগের সভাপতি নুর মোহাম্মদ টিপু বলেন, ‘প্রকাশ্যে একজন রাজনৈতিক কর্মীর ওপর হামলার ঘটনা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।’ তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, হামলাকারীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

এদিকে রাত সাড়ে আটটার দিকে আলমডাঙ্গা উপজেলা বিএনপির পক্ষ থেকেও পাল্টা বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি আলমডাঙ্গা হাইরোড প্রদক্ষিণ করে আলতায়েবা মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে বিএনপির নেতা-কর্মীরা সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন।

তবে প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত হামলার ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তারের খবর পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকেও আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।