ক্রীড়া ডেস্ক :

সংযুক্ত আরব আমিরাতে শুরু হতে যাওয়া উইমেনস টি-টুয়েন্টি এশিয়া কাপ ২০২৬-এর জন্য নিজেদের সেরা প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে কোনো কমতি রাখেনি পাকিস্তান নারী ক্রিকেট দল। এক দশক আগে ২০১৬ সালে আসরের ফাইনালে খেলার পর এবার আসিয়ান অঞ্চলে শিরোপার কাছাকাছি পৌঁছানোর লক্ষ্য তাদের। সেই লক্ষ্যে লাহোরের ন্যাশনাল ক্রিকেট একাডেমিতে ক্যাম্প চলাকালীন আব্দুল কাদির ক্রিকেট একাডেমির বয়সভিত্তিক ও অভিজ্ঞ পুরুষ খেলোয়াড়দের নিয়ে গড়া দলের বিপক্ষে একাধিক প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছে তারা।

প্রতিপক্ষের উচ্চমানের স্কিল ও ফিটনেসের মুখোমুখি হয়ে খেলোয়াড়রা যেন চাপের মুখে কঠিন পরিস্থিতিতে দ্রুত ও সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারেন, সে জন্যই এই পূর্ণাঙ্গ ২০ ওভারের ম্যাচগুলোর আয়োজন করা হয়।

দলীয় প্রস্তুতি নিয়ে অধিনায়ক ফাতিমা সানা জানান, ছেলেদের শক্তিশালী দলের বিপক্ষে প্রতিদ্বন্দিতাপূর্ণ ম্যাচ খেলে চাপ সামলানোর অভিজ্ঞতা এশিয়া কাপের মূল লড়াইয়ে তাদের মানিয়ে নিতে সাহায্য করবে।

টি-টুয়েন্টি ফরম্যাটে সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তানের পারফরম্যান্সে ঘাটতি ছিল মূলত কঠিন পরিস্থিতিতে নার্ভ ধরে রাখতে না পারা ও ফিল্ডিংয়ের ভুল। বিগত টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে কেবল নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে জয় পেয়েছিল তারা, কিন্তু দক্ষিণ আফ্রিকা ও বাংলাদেশের মতো দলের বিপক্ষে কাছাকাছি গিয়েও ম্যাচ হাতছাড়া করতে হয়। তবে পুরো আসরে আলো ছড়িয়েছিলেন ফাতিমা সানা নিজে, টুর্নামেন্টে বল হাতে সর্বোচ্চ ১১টি উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি ব্যাট হাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

ইংল্যান্ডের ‘দ্য হান্ড্রেড’ টুর্নামেন্টে বার্মিংহাম ফিনিক্সের হয়ে প্রথম পাকিস্তানি নারী ক্রিকেটার হিসেবে খেলে অভিজ্ঞতা অর্জন শেষে পুনরায় জাতীয় দলে অধিনায়ক হিসেবে যোগ দিয়েছেন সানা। তিনি মনে করেন, বড় টুর্নামেন্টে অহেতুক আতঙ্কিত না হয়ে শান্ত থেকে নিজেদের পরিকল্পনার ওপর বিশ্বাস রাখাই সাফল্য পাওয়ার চাবিকাঠি।

আগামী ২৮ আগস্ট থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে টি-টুয়েন্টি ফরম্যাটের এই এশিয়া কাপ। পাকিস্তান দল ‘গ্রুপ এ’-তে ভারত, থাইল্যান্ড ও হংকংয়ের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে।

পাকিস্তানের গ্রুপ পর্বের ম্যাচের সময়সূচি:

১ সেপ্টেম্বর: বনাম থাইল্যান্ড

৫ সেপ্টেম্বর: বনাম ভারত (হাই-ভোল্টেজ ম্যাচ)

৭ সেপ্টেম্বর: বনাম হংকং