লালমনিরহাট প্রতিনিধি:
জানা গেছে,লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলা ধীন জোংড়া ইউনিয়ন গত ২২ সালে পারিবারিক ভাবে বিবাহ হয় একই ইউনিয়ন এর লিটন মোল্লা (৩২)ও রুমানা আক্তার (২৭)।বিবাহের ১ বছরের মাথা তাদের কোলে আসে ফুটফুটে ছেলে সন্তান।
কিন্তু স্বামী লিটন মোল্লা জীবিকার তাগিদে প্রয় সময় অবস্থান করেন উপজেলার বাহিয়ে,এরেই সুযোগে স্ত্রী রুমনা মেতে উঠেন টিকটক ভিডিও করা নিয়ে যায় ফলে তার বেশিরভাগ সময়ই দিতে বাইয়ের ছেলে মেয়েদের, তার এসব আচার-আচরণ অপছন্দীয় তার শাশুড়ীসহ পরিবারের সদস্যদের কাছে,এসব কিছুর প্রতিবাদ করাই স্বামী সাথে কথা-কাটাকাটি এক পর্যায়ে রুমানা চলে যায় বাবার বাড়ি,সেখান থেকেই শুরু হয় স্বামী স্ত্রী দুরত্ব।
এরপর লিটন মোল্লা তাকে বাড়িতে ফিরে আসা জন্য অনেক চেষ্টার, পর ব্যর্থ হলে তিনি স্থানীয় মান্য-গন্য ব্যক্তিবর্গের সরণাপূর্ণ হন,পরে গ্রাম্য বিচার শালিশে রুমনা নিজের নামে ৫০ শতক জমি লিখে নিয়ে স্বামী লিটন মোল্লা বাড়িতে আসতে প্রস্তাব দেন,কিন্তু জমি লিখে দিতে না-রাজি লিটন মোল্লা।
পরে উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে বনিবনা না হওয়ায় লালমনিরহাট বিজ্ঞ আদালতে নারি নির্যাতন ও যৌতুকের মামলা দায়ের করে রুমনা তাহা এখন চলমান।
এরেই ধারাবাহিকতায় মায়ের সঙ্গে থাকা লিটন মোল্লা ছেলে সন্তান কে বিভিন্ন কায়দায় শিশু নির্যাতনের মত মারপিট করে তাহা ভিডিও ধারণা করে স্বামী লিটন মোল্লা হোয়াইট নম্বরে পাঠিয়ে দেন স্ত্রী রুমনা এবং সন্তান কে ভালো রাখতে দেনমোহর বাদে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি রুমানার।
এবিষয়ে লিটন মোল্লা বলেন যেহেতু আদালতে মামলা চলমান তাতে আমার যা-হয় হক,আমি আমার সন্তান কে সুরক্ষিত দেখতে চাই। সে যেসব ভিডিও ধারণা করে আমাকে পাঠায় তা আমি মেনে নিতে পারিনা।
এবিষয়ে রুমনা বলেন সন্তান কে নির্যাতনের অভিযোগ এটা মিথ্যা বানোয়াট, আর টিকটক করা আমি ছাড়তে পারবোনা এবং বাইরে কোন ছেলে মেয়ের সাথে আমার কোন যোগাযোগ নেই শুধুমাত্র টিকটকেই অনেকে সাথে পরিচয়।