নিজস্ব প্রতিবেদক শামীম আহামেদ :
রাজধানীর গুলশান একটি ডিপ্লোমেটিক জোন এই ডিপ্লোমেটিক জোন এ চলছে জুয়েলের ও আকলির রমরমা মাদক ও
চাঁদাবাজি ।
জানাযায় ঃ
গুলশান, বনানী, বাড্ডা লিংক, রোডে চলছে চাঁদবাজি ও রমরমা মাদক ব্যবসা। ফুটপাত থেকে শুরু করে বিভিন্ন বাসাবাড়ি, কনস্ট্রাকশন থেকে নিয়মিত চলছে চাঁদা উত্তোলন। প্রতিদিন ফুটপাতের দোকানগুলোতে ১০০-৫০০টাকা এবং মাসোহারা হিসেবে ৫-১০ হাজার টাকা নেয় এই চক্রটি। যা ভুক্তভোগী ফুটপাতের দোকানদারদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায় । এরা শুধুমাত্র ফুটপাতে চাঁদাবাজী নয় এদের রয়েছে মাদকের এক বিরাট সিন্ডিকেট।
গুলশান ১ থেকে গুলশান ২ পর্যন্ত ফুটপাত দখল করে দোকান রয়েছে প্রায় হাজারখানেক
তাহলে চলুন হিসেবে করা যাক
ধরে নিলাম প্রতি দোকান থেকে ১০০ টাকা করে উঠায় তাহলে
এক হাজার টি দোকান থেকে প্রতিদিন টাকা উঠে ১ লক্ষ টাকা,
যা মাসে উঠে ৩০ লক্ষ টাকা
এক বছরে উঠে ৩ কোটি ৬০ লাখ টাকা
তাহলে গত পাঁচ বছরে ১৮ কোটি টাকা চাঁদাবাজি করেছে গুলশান এলাকার ফুটপাত থেকে
অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে জুয়েল ও মাদক সম্রাট আকলি (ওরফে ল্যাংড়া আকলি) নাম। জুয়েল যিনি তাঁর নিজস্ব সন্ত্রাস বাহিনী দিয়ে ফুটপাত, বাসাবাড়ী ও কন্সট্রাকশন ফার্মে চাঁদাবাজদের নিয়ন্ত্রণ করেন। এই চক্রের মূল হোতা জুয়েল । জুয়েলের সঙ্গে কথা বলতে চাইলে তিনি বলেন, নিউজ করেন সমস্যা নেই আমি প্রশাসন দিয়ে যা করার করব। প্রশাসন আমার হাতের মুঠোয় ।
আপনারা নিউজ করে কি করবেন।
অন্যদিকে আকলি( ওরফে ল্যাংড়া আকলি)
মাদক ব্যবসা করায় এই জুয়েল চক্র কে দিয়ে এই জুয়েলের এর নামে একাধিক অভিযোগ রয়েছে বলেও জানান স্থানীয় এলাকাবাসি।
এই চক্রের সাথে আরও কয়েকজনের নাম উঠে এসেছে শরিফুল ইসলাম অন্তর, আশরাফুল ইসলাম স্বপন সহ আরো অনেকের নাম উঠে এর মধ্যে অন্যতম আশরাফুল ইসলাম স্বপন ওরফে (কিলার স্বপন) নাম
কে এই কিলার স্বপন ? গুলশানে আলোচিত মিল্কি হত্যায় অন্যতম আসামি সাখাওয়াত হোসেন চঞ্চল এর পার্সোনাল সেক্রেটারী হিসেবে কাজ করতেন এই কিলার স্বপন জানা যায় সাখাওয়াত হোসেন চঞ্চল বর্তমানে দেশের বাইরে অবস্থান করছেন এই সাখাওয়াত হোসেন চঞ্চল এর সঙ্গে এখনো যোগাযোগ রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন সচেতন মহল
শুধুমাত্র চাঁদাবাজী ও মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত নয় দেহ ব্যবসা সহ নানা অপকর্মে জড়িত এই চক্রটি ।
জুয়েল সহ তার চক্রের নামে গুলশান থানায় একাধিক অভিযোগ ও জিডি রয়েছে বলে জানা যায়
বাড্ডা থানা জিডি নং ৯৫২ তারিখ ১৬-৭-২০২০ গুলশান থানার জিডি নং ৫৭৮ তারিখ ১৪-৬-২০২০ গুলশান থানায় জিডি নং ১৯০ তারিখ ৫-৬-২০২০ গুলশান থানার জিডি নং ১৯৩ তারিখ ৫-৬-২০২০ গুলশান থানা জিডি নং ১২৪ তারিখ ৩-৬-২০২০ আরো অনেক অভিযোগ রয়েছে এই চক্রের মূলহোতা জুয়েল এর বিরুদ্ধে
এসমস্ত প্রতিবেদন বিভিন্ন সময় বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলেও প্রশাসন এ বিষয়ে নীরব ভূমিকা পালন করছেন। বিস্তারিত আরো আছে..
Leave a Reply