নিজস্ব প্রতিবেদক:
ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর রুনি মিলনায়তনে হত্যা মামলার প্রধান অভিযুক্ত আসামী শহীদুল ইসলাম অপুর বিরুদ্ধে বাদী মো: নাজমুল হুদা এ সম্মেলন করেন। সম্মেলনে বলা হয় চার্জশীট ভূক্ত হত্যা মামলা, বীর মুক্তিযােদ্ধার হাত কর্তন মামলা ও শ্রমিক লীগের যুগ্ন আহবায়ককে পঙ্গুত্ব মামলার প্রধান আসামী শহীদুল ইসলাম অপু কে টাঙ্গাইল জেলার নাগরপুর উপজেলাধীন আসন্ন সলিমাবাদ ইউপি নির্বাচনে মনােনয়ন না দেওয়ার জন্য আবেদন জানিয়েছেন। বাদী বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, সলিমাবাদ ইউনিয়ন শাখা। তার পিতা মরহুম গােলাম মােস্তফা (মাষ্টার) বঙ্গবন্ধুর সময়ের অত্র-ইউনিয়ন শাখার বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও তার বর্তমান ইউনিয়ন শাখা কার্যকারী কমিটির সম্মানিত সদস্য, তার ছােট ভাই সজিবুল হুদা সিজু, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক, আপন চাচাতাে ভাই আজহারুল ইসলাম মন্টু আহবায়ক বাংলাদেশ আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগ নগরপুর উপজেলা শাখা এবং তার আরেক আপন চাচাতাে ভাই নজরুল ইসলাম লিটন দীর্ঘ ১২ বছর ইউনিয়ন শাখার সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তিনি একজন আওয়ামী পরিবারের সন্তান হিসেবে দাবী করছেন। হাজার হাজার জনতার সামনে স্থানীয় মাননীয় সাংসদ জানাজায় উপস্থিত হয়ে তার ভাইয়ের হত্যার দ্রুত ন্যায় বিচারের অঙ্গিকার করেন অতঃপর সাংসদ মহােদয়ের সুপারিশে জেলা চানচাল্যকর ও লােমহর্ষক মামলা চিহ্নিত করণ কমিটি মামলাটি দ্রুত বিচার ট্রাইবুনালে স্থানান্তরের জন্য সুপারিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রনালয়ে প্রেরণ করলেও প্রভাবশালী মহল ফাইলটি আটকিয়ে রাখে। কিন্তু অত্যান্ত দুঃখ ও পরিতাপের বিষয় জেলে থাকাকালীন হত্যা মামলার প্রধান আসামীকে তার জেলার সন্ত্রাসী প্রভাবশালী আত্নীয়-স্বজন প্রভাবিত করার মাধ্যমে মামলার সুবিধা নেওয়ার জন্য উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদকের নাম অন্তর্ভূক্ত করেন।
এমতাবস্থায় আরাে সুবিধার জন্য ঐ প্রভাবশালী মহল চেয়ারম্যানের মনােনয়ন দেওয়ার জন্য জোড় লবিং করছেন। শহিদুল ইসলাম অপু একজন বীর মুক্তিযােদ্ধার দিবালােকে হাত কর্তন ও ইউনিয়ন শাখা শ্রমিক লীগের যুগ্ন আহবায়ক কে মারপিটের মাধ্যমে পঙ্গুত্ব মামলারও প্রধান আসামি বটে। তার মনােনয়ন পাওয়ার সম্ভাবনার খবরে স্থানীয় আওয়ামীলীগ ও জনসাধারণের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হচ্ছে। সকল বিষয় সুবিবেচনার মাধ্যমে একজন খুনী, সন্ত্রাসী শহীদুল ইসলাম অপুকে মনােনয়ন না দেওয়ার জন্য বাদী সবিনয় অনুরােধ করেছেন।
Leave a Reply