শিরোনাম :
সংসদের দেশে মজুত গ্যাস দিয়ে ১২ বছর পর্যন্ত চাহিদা মেটানো সম্ভব: জ্বালানিমন্ত্রী বাংলাদেশি হিসেবে ‘স্টুডেন্ট ফটোগ্রাফার অব দ্য ইয়ার’ জিতলেন অর্ণব সিলেটে ইয়াবাসহ কারবারি গ্রেফতার বাধ্য হয়েই সরকার জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়েছে: জ্বালানিমন্ত্রী প্রথমবারের মতো ড্যান্স পারফর্ম করে ভীষণ উচ্ছ্বসিত রিবা রূপগঞ্জে ‘আন্ডা রফিক’-এর সন্ত্রাস, জমি দখল ও অর্থপাচার দীর্ঘদিনের পলাতকতার শেষে নতুন উত্তেজনা মৌলভীবাজারে ইনসানিয়া স্পেশালাইজড হসপিটাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার এর উদ্বোধন  মগরাহাট পশ্চিমে যোগ্য প্রার্থী হিসেবে সামিম আহমেদের জয় শুধু মাত্র সময়ের অপেক্ষা লালমনিরহাটে পুকুর থেকে মরদেহ উদ্ধার সাভারে এম.এ সালাম ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা ও দোয়া অনুষ্ঠিত
যোগাযোগ :

ঢাকা থেকে প্রকাশিত, সরকারি মিডিয়া তালিকা ভুক্ত, জাতীয়  দৈনিক যুগযুগান্তর পত্রিকায় ও যে যে টিভি... জেলা উপজেলা, বিশেষ প্রতিনিধি, ক্রাইম রিপোর্টার, বিভাগীয় প্রধান, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি নেওয়া হচ্ছে..। আগ্রহীদের সিভি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এন আইডি কার্ড এর কপি এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট মেইল অথবা হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানোর অনুরোধ করা হলো। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378, ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378 ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা।

কুমিল্লা গভীর রাতে ছাত্রী হোস্টেলে ‘অদ্ভুত শব্দ’ কে করে?

কুমিল্লা গভীর রাতে ছাত্রী হোস্টেলে ‘অদ্ভুত শব্দ’ কে করে?

কুমিল্লা প্রতিনিধি:

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের হোস্টেলে থাকা ছাত্রীদের কানে গভীর রাতে ভেসে ‘অদ্ভুত শব্দ’। এতে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন ছাত্রীরা। ছাত্রীদের ধারণা, এসব অদ্ভুত শব্দ ‘ভূতে’ করছে। এজন্য শিক্ষার্থীদের মধ্যে ‘ভূতের ভয়’ দেখা দিয়েছে। এরই মধ্যে শিক্ষার্থীদের ভয় দূর করতে সেখানে হুজুর ডেকে এনে মিলাদও পড়ানো হয়েছে।

তবে স্থানীয়রা বলছেন ভিন্ন কথা। স্থানীয়দের ভাষ্য, ভূত নয় গভীর রাতে এসব অদ্ভুত শব্দ করছেন বখাটেরা। এসব বখাটেদের বেশিরভাগই মাদকসেবী।

সরেজমিনে নগরীর চর্থা এলাকায় অবস্থিত কলেজটিতে গিয়ে দেখা গেছে, কলেজটির দক্ষিণে কুমিল্লা জেনারেল (সদর) হাসপাতাল ও সিভিল সার্জন কার্যালয়। কলেজের পশ্চিম দিকের রাস্তা রাণীর দিঘি হয়ে চলে গেছে নগরীর প্রাণকেন্দ্র কান্দিরপাড়ের দিকে। কলেজের একটু পশ্চিমেই সালাউদ্দিন মোড়। নগরীর গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় অবস্থিত হওয়ায় কলেজটিতে সবসময় আলোক ঝলমল পরিস্থিতি বিরাজ করে। এরপরও সেখানে শিক্ষার্থীরা ‘ভূতের ভয়ে’ রয়েছেন।

কলেজের শিক্ষার্থী জান্নাতুল ফেরদৌস, হাবিবা আক্তার জানান, গত বেশ কয়েকদিন ধরে কলেজ হোস্টেলের মেয়েদের মধ্যে ভূতের আতঙ্ক বিরাজ করছে। রাত হলে তারা অদ্ভুত শব্দ শুনতে পান। এ আওয়াজ সহজে বন্ধ হয় না। অদ্ভুত শব্দে গা শিউরে ওঠে ছাত্রীদের। আওয়াজ শুরু হলে রাতে সবাই জবুথবু হয়ে বসে থাকে। এ অবস্থা চলতে থাকার এক পর্যায়ে গত সোমবার (১০ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় হুজুর ডেকে এনে হোস্টেলে মিলাদ পড়ানো হয়!

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, হোস্টেলটির একটি ভবন পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে। নড়বড়ে ভবনটিতে বৃষ্টি হলে পানি ঢুকে পড়ে। বাতাস ও ভূমিকম্প হলে সবাই আঁতকে ওঠে। কলেজ এবং ছাত্রীদের হোস্টেলগুলো একই আঙিনায় অবস্থিত। ছাত্রীদের হোস্টেলের পূর্ব দিকে কলেজের সীমানা প্রাচীরের বাইরে বখাটেদের আনাগোনা আছে। কলেজের পূর্ব পাশের সড়কে প্রায়ই প্রকাশ্যে গাঁজা সেবন করে বখাটেরা। রাতেও সেখানে তাদের উৎপাত থাকে।

চর্থা এলাকার বাসিন্দা তারেকুল ইসলাম, মোহাম্মদ হোসেন, জমিন উদ্দিন বলেন, কলেজের পূর্ব পাশেই ছাত্রীদের হোস্টেলগুলো অবস্থিত। পূর্ব পাশে সীমানাপ্রাচারীর থাকলেও অনেক স্থানে প্রাচীরের ওপরে তারকাটার বেড়া নেই। যার কারণে গভীর রাতে প্রাচীর টপকে বখাটেরা কলেজ আঙিনায় ঢুকে পড়ে। এরপর তারা সেখানে নিরাপদে মাদক সেবন করে। গভীর রাতে তারা অনেক সময় মাদক সেবন করে চিৎকার-চেঁচামেচি করে। আমাদের ধারণা, নেশাগ্রস্থরাই ছাত্রীদের ভয় দেখাতে এমনটা করছেন।

নাম প্রকাশ না শর্তে হোস্টেলে থাকা অন্তত তিনজন ছাত্রী জানান, করোনাকালে তাঁদের হোস্টেল বন্ধ ছিল। হোস্টেল চালু হলে অনেক শিক্ষার্থী এসে দেখেন, অনেকের জামা-কাপড়সহ বিভিন্ন জিনিসপত্র চুরি হয়ে গেছে। পরে বেশ কয়েকজন ছাত্রী কলেজ অধ্যক্ষের কাছে এ সমস্যার সমাধান চেয়েছেন। তাঁদেরও ধারণা, ছাত্রীদের ভয় দেখাতে মাদকসেবীরা এমন কাণ্ড করছে।

বৃহস্পতিবার বিকেলে এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক জামাল নাছের বলেন, ‘মেয়েরা রাতে ভয় পাওয়ার বিষয়টি আমাকে জানিয়েছে। তাই মিলাদ পড়ানো হয়েছে।’ বখাটেদের উৎপাতের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘বখাটেরা সীমানাপ্রাচীরের বাইরে কি করে সেটা আমি জানি না। তবে আমাদের কলেজ সুরক্ষিত আছে।’

জামাল নাছের আরো বলেন, এই আধুনিক যুগে ভূতের ভয় এটা হাস্যকর ব্যাপার। আমার কাছে মনে হয় ছাত্রীরা রাতে পড়ার সময় হতে পারে বিড়াল কান্না করেছে। এছাড়া গভীর রাতে অনেকেরই মনে ভয় কাজ করে। এমন কিছু থেকেই ছাত্রীরা ভয় পেতে পারে বলে দাবি করেন তিনি।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 jujugantor.com
Theme Customized BY SpacialNews.Com