নিজস্ব প্রতিবেদক
রাজধানীর গৃহস্থালির বর্জ্য (কঠিন বর্জ্য) অপসারণে সমন্বিত পরিকল্পনা না থাকায় স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে। আর যথাযথ তদারকির অভাবে বিদ্যমান আইন ও বিধিমালা কার্যকর হচ্ছে না। এমতাবস্থায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ফেরাতে ও পরিবেশ সুরক্ষায় তদারকি বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা। তারা সমন্বিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় বেশ কয়েকটি সুপারিশ তুলে ধরেছেন।
আজ শনিবার কোয়ালিশন ফর দ্য আরবান পুওর (কাপ)-এর সভাকক্ষে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিধিমালা-২০২১ নিয়ে আয়োজিত মতবিনিময়সভায় এসব সুপারিশ তুলে ধরা হয়। কাপের নির্বাহী পরিচালক খোন্দকার রেবেকা সান-ইয়াতের সভাপতিত্বে সভায় মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন উন্নয়ন সংস্থা ইসাইটের ম্যানেজার নিগার রহমান। আলোচনায় অংশ নেন উন্নয়ন ধারা ট্রাস্টের আমিনুর রসুল বাবুল, সিনিয়র সাংবাদিক আশীষ কুমার দে ও সাকিলা পারভীন, কাপের প্রকল্প ব্যবস্থাপক মো. মাহবুব হক প্রমুখ।
সভায় বক্তারা বলেন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সুনির্দিষ্ট নীতিমালা থাকতে হবে। পেশাদার কর্মীদের দিয়ে রাজধানীর বাসাবাড়ির বর্জ্য অপসারণ করতে হবে। বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর স্ব স্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী বর্জ্য অপসারণের কর্মকৌশল নির্ধারণ করতে হবে। এ ছাড়া পরিবেশ সংরক্ষণ বিধিমালা, ১৯৯৭ অনুযায়ী প্রাথমিক বর্জ্য সংগ্রহ, পরিবহন এবং সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশনের কার্যক্রম পরিচালনায় পরিবেশ ছাড়পত্র সংগ্রহ বাধ্যতামূলক করার প্রতি গুরুত্বারোপ করেন তারা।
সভায় বক্তারা আরো বলেন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আইন ও বিধিমালা থাকলেও তা কার্যকর নেই। ফলে বর্জ্য পরিবহনে স্বচ্ছতা নেই। হাজারীবাগের ট্যানারিসহ অনেক এলাকায় রাস্তায় বর্জ্য পড়ে থাকে। এতে বাতাসের মাধ্যমে পরিবেশদূষণ হচ্ছে। এমনকি মানুষ স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে। তাই বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ফেরাতে তদারিক বাড়ানোর সুপারিশ জানাচ্ছি।
Leave a Reply