যোগাযোগ :

ঢাকা থেকে প্রকাশিত, সরকারি মিডিয়া তালিকা ভুক্ত, জাতীয়  দৈনিক যুগযুগান্তর পত্রিকায় ও যে যে টিভি... জেলা উপজেলা, বিশেষ প্রতিনিধি, ক্রাইম রিপোর্টার, বিভাগীয় প্রধান, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি নেওয়া হচ্ছে..। আগ্রহীদের সিভি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এন আইডি কার্ড এর কপি এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট মেইল অথবা হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানোর অনুরোধ করা হলো। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378, ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378 ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা।

সিজিএ সমবায়ের সভাপতির যাবজ্জীবন

সিজিএ সমবায়ের সভাপতির যাবজ্জীবন

নিজস্ব প্রতিবেদক :
ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে গ্রাহকের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের করা পৃথক দুই মামলায় সিজিএ সমবায় ঋণদান লিমিটেডের সভাপতি রফিকুল ইসলামকে যাবজ্জীবন (দুই মামলায় আলাদা আলাদাভাবে) কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
সোমবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক মো. ইকবাল হোসেনের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।

এছাড়া সমিতির ক্যাশিয়ার আবদুল কাদেরকে দুই মামলায় সাত বছর করে ১৪ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী সাইফুল ইসলাম এসব তথ্য জানিয়েছেন।

রায়ের আদেশে এক মামলায় দুই আসামিকে ৫৮ লাখ ৭৪ হাজার ৬৩৫ টাকা টাকা অর্থদণ্ড এবং আরেক মামলায় এক কোটি ৭৪ লাখ ৮৭ হাজার ১৪৪ টাকা অর্থ দণ্ড করা হয়েছে, যা রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এদিন আসামি রফিকুল ইসলাম আদালতে হাজির হন। তার উপস্থিতিতে আদালত রায় ঘোষণা করেন। এরপর তাকে সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। তবে জামিনে থাকা অপর আসামি আবদুল কাদের আদালতে হাজির হননি। এ জন্য আদালত জামিন বাতিল করে তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

এদিকে, এক কোটি ৭৪ লাখ ৮৭ হাজার ১৪৪ টাকা এবং ৫৮ লাখ ৭৪ হাজার ৬৩৫ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ২০১৫ সালের ২৫ জানুয়ারি রমনা থানায় পৃথক দুটি মামলা করেন দুদকের সহকারী পরিচালক ফজলুল হক। মামলায় সমিতির সভাপতি রফিকুল ইসলাম, অডিটর জহিরুল ইসলাম এবং ক্যাশিয়ার আবদুল কাদেরকে আসামি করা হয়।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, আসামিরা সরকারি দপ্তরের অডিটর হিসেবে সুদীর্ঘকাল চাকরি করেন। কিন্তু তারা অসৎ উদ্দেশ্যে সমিতির আয়-ব্যয়ের কোনো অডিট করাননি, যথাযথভাবে আর্থিক হিসাব ও রেকর্ডপত্র সংরক্ষণ বা হালনাগাদ করেননি। এমনকি দৈনিক/মাসিক/বার্ষিক আয়-ব্যয়ের ব্যালেন্সশিট তৈরি করেননি। নিয়মিত সভা বা সমিতির অন্যান্য সদস্যদের সমিতির আয়-ব্যয়ের হিসাব জানতে দেননি। তারা সমিতির অর্থ-সম্পদের রক্ষক হয়ে পরস্পর যোগসাজসে ২০১০ সালে এক কোটি ৭৪ লাখ ৮৭ হাজার ১৪৪ টাকা এবং৫৮ লাখ ৭৪ হাজার ৬৩৫ টাকা আত্মসাৎ করেন।

২০২০ সালের ৫ মার্চ দুই মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচারের আদেশ দেন আদালত। মামলার বিচার চলাকালে আদালত ১৯ জন সাক্ষীর মধ্যে ১১ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 jujugantor.com
Theme Customized BY SpacialNews.Com