যোগাযোগ :

ঢাকা থেকে প্রকাশিত, সরকারি মিডিয়া তালিকা ভুক্ত, জাতীয়  দৈনিক যুগযুগান্তর পত্রিকায় ও যে যে টিভি... জেলা উপজেলা, বিশেষ প্রতিনিধি, ক্রাইম রিপোর্টার, বিভাগীয় প্রধান, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি নেওয়া হচ্ছে..। আগ্রহীদের সিভি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এন আইডি কার্ড এর কপি এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট মেইল অথবা হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানোর অনুরোধ করা হলো। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378, ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378 ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা।

বিলুপ্তির পথে পুরান ঢাকার বানর

বিলুপ্তির পথে পুরান ঢাকার বানর

ফিচার ডেস্ক :
পুরান ঢাকার গেন্ডারিয়াকে একসময় বলা হতো গ্র্যান্ড এরিয়া। এই এলাকার দীননাথ সেন রোডে অবস্থিত সাধনা ঔষধালয়। ওষুধ তৈরিতে ব্যবহৃত হয় বিভিন্ন বনজ উদ্ভিদ। এই এলাকায় বানরের আনাগোনা শুরু হয় উনিশ শতকের শুরুর দিকে। ১৯১৪ সালে সাধনা ঔষধালয়ের প্রতিষ্ঠাতা চিকিৎসক যোগেশ চন্দ্র ঘোষ বানরের বসবাসের জন্য একটি ঘর উন্মুক্ত করে দেন। পাশাপাশি নিয়মমাফিক প্রতিদিন খাবার দিতেন তিনি। একসময় বিস্তার লাভ করে বানরের রাজত্ব।
যোগেশ চন্দ্র ঘোষের প্রস্থানের পর তার উত্তরসূরিরা নিয়মিত খাবার দিতেন। বিকেল হলেই আশপাশের এলাকা থেকে দর্শনার্থীরা আসতেন বানরের খুনসুটি দেখতে। তবে এখন অনেকটা অবহেলার শিকার হচ্ছে এই নির্বাক প্রাণীগুলো। একসময় এ এলাকায় বানরের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়ে গেলেও এখন তা এসে দাঁড়িয়েছে এক–দেড় শ তে।

সরেজমিনে দেখা যায়, খাদ্যের খোঁজে বানররা ছুটছে এ পাশ থেকে ও পাশ। মানুষ দেখলেই কাছে চলে আসে, কেউ কেউ খাবার ছুড়ে দেন। নিজেদের মধ্যে খাবার নিয়ে কাড়াকাড়ি লেগে যায়। স্পষ্ট বোঝা যায়, চাহিদার তুলনায় খাদ্যের জোগান খুবই কম।

পুরান ঢাকার গেন্ডারিয়া ছাড়াও রায় সাহেব বাজার, লক্ষ্মীবাজার, বনগ্রাম, টিপু সুলতান রোড, তাঁতিবাজার, নারিন্দা ও সূত্রাপুরে বানরের দেখা মেলে। একসময় এখানে বানরের অবাধ বিচরণ ছিল। তবে এখন এসব বিলুপ্তির পথে। খাবারের অভাবে বানরগুলো মানুষের বাড়িতে প্রতিদিন হানা দেয়। অনেকে বিরক্তি বোধ করে বানরের গায়ে গরম পানি ছুড়ে মারেন।

অনেক বানর খাবারের অভাবে মারাও যাচ্ছে। স্থানীয় ব্যক্তিদের কেউ কেউ সহানুভূতি থেকে মাঝেমধ্যে খাবার দিতেন। তবে বানরগুলোকে আগের মতো খাবার কেউ দিতে পারছেন না।

স্থানীয়রা বিভিন্ন সময়ে ঢিল মারেন, এতে ভয়ে অনেক বানর এলাকা ছেড়ে যায়। যদিও এ ব্যাপারে নিষেধ করা হয়েছে একাধিকার। স্থানীয় ব্যক্তিদের অভিযোগ, অনেকের বাড়ির ছাদে উঠে কাপড় নিয়ে যায়, আবার জানালা দিয়ে ঘরে ঢুকে শিশুদের আক্রমণ করে। এতে অনেকে অতিষ্ঠ হয়ে বানরের গায়ে আঘাত করেন।

কালের বিবর্তনে পুরান ঢাকায় বানরের বিলুপ্তির কারণ নিয়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ও বন্য প্রাণী গবেষক মনিরুল এইচ খান জানান, পুরান ঢাকায় মূলত ‘রেসাস ম্যাকাক’ প্রজাতির বানর বাস করে। উন্নত বিশ্বে এ প্রজাতির বানর গবেষণার কাজে ব্যবহার করা হয়। মারা যাওয়ার পাশাপাশি পাচারের কারণেও বিলুপ্ত হচ্ছে এই বানরগুলো। অনেকে বানরের ছোট বাচ্চা আটকে রেখে বিক্রি করে দেয়। ফলে দিনে দিনে হারিয়ে যাচ্ছে পুরান ঢাকার ঐতিহ্য বহন করা এই বানরের দল। এদের সংরক্ষণে স্থানীয় বাসিন্দা এবং প্রশাসনের হস্তক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 jujugantor.com
Theme Customized BY SpacialNews.Com