নিজস্ব প্রতিবেদক:
রাজধানীর লালবাগ থানার একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে ৪ জন জাল টাকা ও রূপি তৈরিকারক এবং পাইকারকে গ্রেফতার করেছে ডিবির গুলশান বিভাগের অবৈধ মাদক উদ্ধার টিম।
মঙ্গলবার যুগ্ম-কমিশনার ডিবি (উত্তর) হারুন-অর-রশিদ ও ডিসি ডিবি মশিউর রহমানের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে গ্রেফতারদের থেকে তৈরি করা বিভিন্ন মূল্যমানের প্রায় ২০ লাখ জাল বাংলাদেশি টাকা ও দেড় লাখ ভারতীয় জাল রুপি উদ্ধার করা হয়েছে।
গ্রেফতাররা হলেন- জাহাঙ্গীর আলম, আলী হায়দার, তাইজুল ইসলাম লিটন ও মহসিন ইসলাম মিয়া।
অভিযানে জাল টাকা ও রুপি তৈরিতে ব্যবহৃত ল্যাপটপ, প্রিন্টার, বিভিন্ন রকমের কালি, স্ক্রিন ফ্রেম, বিশেষ ধরনের কাগজ, কেমিক্যালস, স্ক্যানার মেশিন, কাটার ও স্কেল জব্দ করা হয়েছে।
ডিসি মশিউর রহমান জানান, পবিত্র রমজান মাস ও আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে করোনা মহামারি পরবর্তী সুষ্ঠু পরিবেশে ব্যাপক প্রাণচাঞ্চল্যের সঙ্গে অর্থনৈতিক মহাযজ্ঞ চলছে। রমজান ও ঈদকে সামনে রেখে জালনোট কারবারিরা বাজারে জাল নোট ছড়িয়ে দিচ্ছে এ তথ্য পাওয়া যায়।
তথ্য মতে, জাল টাকা ও রুপির একটি চালান সংগ্রহের জন্য নাটোর থেকে ঢাকায় এসেছিল জাল মুদ্রা কারবারি জাহাঙ্গীর আলম। তাকে অনুসরণ করে পুলিশ মঙ্গলবার বেল ১১টার দিকে নবাবগঞ্জ বেড়িবাঁধ এলাকায় নির্মাণাধীন একটি ছয়তলা বিল্ডিংয়ের চতুর্থ তলার একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করা হয় চক্রের টাকা ও রুপি জাল প্রস্তুতকারকদের।
ফ্ল্যাটটি গত ৫/৬ মাস ধরে ভাড়া নিয়ে রেখেছিল চক্রটি। উদ্দেশ্য ছিল রমজানের আগে ও মাঝে এখানে বিপুল পরিমাণে জাল মুদ্রা তৈরি করে সমগ্র দেশে সরবারহ করা। গ্রেফতার প্রত্যেকের বিরুদ্ধে জাল টাকা তৈরি ও বিক্রির একাধিক মামলা রয়েছে।
অষ্টম শ্রেণি পাস লিটন এ কারখানার মূল পরিচালক। তিনি নিজে মেকার। দীর্ঘদিন নীলক্ষেতে কম্পিউটারের দোকানে গ্রাফিক্সের কাজ করায় বিভিন্ন ধরনের জাল কাগজপত্র, দলিলাদি, জাল টাকা/রুপি বানাতে পটু লিটন।
Leave a Reply