যোগাযোগ :

ঢাকা থেকে প্রকাশিত, সরকারি মিডিয়া তালিকা ভুক্ত, জাতীয়  দৈনিক যুগযুগান্তর পত্রিকায় ও যে যে টিভি... জেলা উপজেলা, বিশেষ প্রতিনিধি, ক্রাইম রিপোর্টার, বিভাগীয় প্রধান, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি নেওয়া হচ্ছে..। আগ্রহীদের সিভি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এন আইডি কার্ড এর কপি এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট মেইল অথবা হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানোর অনুরোধ করা হলো। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378, ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378 ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা।

মেরামত হচ্ছে ৫০টি রেল কোচ , ঈদে ঘরমুখো মানুষের জন্য

মেরামত হচ্ছে ৫০টি রেল কোচ , ঈদে ঘরমুখো মানুষের জন্য

নিজস্ব প্রতিবেদক :
দেশের বৃহত্তম সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় ঈদে ঘরমুখো মানুষের জন্য অতিরিক্ত কোচ মেরামত কাজ পরিদর্শন করে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ রেলওয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (এডিজি, আরএস) মঞ্জুর-উল আলম চৌধুরী। রোববার তিনি রেলওয়ে কারখানা পরিদর্শন করেন।
এ সময় তিনি বলেন, লোকবল সংকট সত্বেও কারখানাটিতে ভালো কাজ হচ্ছে। কারখানায় অতিরিক্ত ৫০টি কোচ মেরামত হচ্ছে। এসব কোচে অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহন করা হবে।

এডিজি বলেন, সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় ব্যাপক কর্মযজ্ঞ লক্ষ্য করেছি। কারখানার ২৯টি শপ (উপ-কারখানা) এখন সরব। শ্রমিক-কর্মচারীরা বিরামহীন কাজ করছেন। শ্রমিক-কর্মচারীদের ওপর বেশ লোড আছে। তবুও তারা আন্তরিকতার সঙ্গে ঈদে ঘরমুখো যাত্রী সেবায় অবদান রাখছেন।

কারখানা সূত্র জানায়, ঈদ ঘিরে প্রতিটি গণপরিবহনে যাত্রী চাপ বেড়ে যায়। রেলওয়েও এর ব্যতিক্রম নয়। এ কারণে রেলওয়ে কারখানায় অতিরিক্ত কোচ মেরামতের তাগিদ থাকে। আসছে ঈদ ঘিরে ৫০টি কোচ মেরামত করছে কারখানাটি। এরই মধ্যে মেরামত হওয়া ৩৫টি কোচ রেলওয়ে পরিবহন বিভাগকে হস্তান্তর করা হয়েছে। বাকি ১৫টি রেলকোচ ২৫ এপ্রিলের মধ্যে রেলপথে চলে যাবে। এসব কোচ দিয়ে ঢাকা-খুলনা, ঢাকা-পার্বতীপুর রুটে দুটি বিশেষ ট্রেন চালু করবে। বাকি কোচগুলো অন্যান্য আন্তঃনগর ট্রেনে জুড়ে দেওয়া হবে। ঈদের তিনদিন আগে ঐ ট্রেনগুলো চালু হবে। এর মাধ্যমে নিয়মিত যাত্রীর পাশাপাশি অতিরিক্ত ২০ হাজার যাত্রী পরিবহন সম্ভব বলে জানায় সূত্রটি।

একই সূত্র জানায়, বর্তমানে সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় ২ হাজার ৮৫৯ জনবলের বিপরীতে ৬৩২ জন। একইভাবে বৈদ্যুতিক শাখায় ৩৩৭ জনের স্থলে কাজ করছেন মাত্র ১৪৮ জন শ্রমিক-কর্মচারী। মাত্র ২৫ ভাগ জনবল নিয়ে চলছে বিশাল ঐ কারখানাটি। তবুও প্রতিদিন একটি কোচ ও একটি ওয়াগন মেরামত হয়ে থাকে এখানে। এছাড়াও রেলের ১২ হাজার ধরনের যন্ত্রাংশ তৈরি হয়।

এডিজি আরো বলেন, লোকবল সংকটে আমরা কাজ করছি। দ্রুত এ সমস্যার সমাধান হবে।

সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার বিভাগীয় তত্ত্বাবধায়ক (ডিএস) সাদেকুর রহমান বলেন, ঈদের শেষ মুহূর্তের কাজ নিয়ে ব্যস্ত আমরা। অতিরিক্ত কোচ মেরামত কাজে শ্রমিকদের অতিরিক্ত মজুরি (ওভারটাইম) দেওয়া হচ্ছে। সারাবছর জুড়ে ওভারটাইম ব্যবস্থা চালু থাকলে উৎপাদন কার্যক্রম আরো গতিশীল হবে।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 jujugantor.com
Theme Customized BY SpacialNews.Com