যোগাযোগ :

ঢাকা থেকে প্রকাশিত, সরকারি মিডিয়া তালিকা ভুক্ত, জাতীয়  দৈনিক যুগযুগান্তর পত্রিকায় ও যে যে টিভি... জেলা উপজেলা, বিশেষ প্রতিনিধি, ক্রাইম রিপোর্টার, বিভাগীয় প্রধান, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি নেওয়া হচ্ছে..। আগ্রহীদের সিভি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এন আইডি কার্ড এর কপি এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট মেইল অথবা হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানোর অনুরোধ করা হলো। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378, ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378 ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা।

পাত্র খুঁজছেন সায়ন্তিকা, যোগাযোগ মায়ের নম্বরে

পাত্র খুঁজছেন সায়ন্তিকা, যোগাযোগ মায়ের নম্বরে

বিনোদন ডেস্ক :

টলিউডে একসময় দাপিয়ে কাজ করেছেন সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে বর্তমানে টলিউডের পর্দায় খুব একটা পাওয়া যায় না তাকে। রাজনীতির ময়দানে পা রেখে এই সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত কি না তা স্পষ্ট নয়। কারণ টলিউডের এমন অনেক মুখ রয়েছে, যারা প্রথম সারিতে কাজ করে চলেছেন, অথচ সমান তাহলে রাজনীতির ভার বহন করে চলেছেন। রাজ চক্রবর্তী, দেব, মিমি চক্রবর্তী এমন নামের অভাব নেই। তবে কেন পর্দায় নেই সায়ন্তিকা? এই প্রশ্নের জবাব এখনো স্পষ্ট নয়, তবে ভালো চরিত্রের সুযোগ পেলে যে তিনি সিনেমার কাজ ফেরাবেন না, তার প্রমাণ মিলে সেই ইতিমধ্যে।

সম্প্রতি বাংলাদেশের দুইটি সিনেমার প্রস্তাব গ্রহণ করেছেন সায়ন্তিকা। সেই সূত্রে বাংলাদেশে যাওয়া-আসার চলছে মাঝেমধ্যেই। এ তো গেল ক্যারিয়ার প্রসঙ্গ, আর ব্যক্তিগত জীবনে কবে নতুন অধ্যায় শুরু করতে চলেছেন অভিনেত্রী? বাংলাদেশের এক সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে সায়ন্তিকার জানালেন, ভালো পাত্র পেলেই বিয়ে করবেন তিনি। তবে বিয়ের আগে তো পাত্র প্রয়োজন।

হাসতে হাসতে সায়ন্তিকা জানান, তিনি তার মায়ের নম্বর সবাইকে দিয়ে দেবেন, যে ইচ্ছুক সে যোগাযোগ করতে পারেন। বর্তমানে বাংলাদেশের এই দুই সিনেমার চরিত্র নিয়ে ব্যস্ত সায়ন্তিকা।

বেশ কয়েক বছর হলো দুই বাংলার কাজের আদান-প্রদান বেড়ে গিয়েছে বহু মাত্রায়। সিনেমা থেকে ওটিটি প্রচারের ক্ষেত্রেও দুই বাংলাকেই বেছে নিচ্ছেন তারকারা। কয়েক মাস আগে কলকাতায় গিয়েছিলেন আফরান নিশো। তিনি জানিয়েছিলেন, দুই বাংলার মধ্যে সবচেয়ে বড় যোগসূত্র হলো ভাষা। হয়ত বলার ধরনটা আলাদা, কিন্তু ভাষা যেহেতু একই… তাই দুই বাংলার প্রত্যেকটি আমাদের সিনেমার দর্শক। তাই দুই বাংলার দর্শকদের কাছে যদি সিনেমাকে পৌঁছে দেওয়া হয়, তাহলে ব্যবসার ক্ষেত্রেও লাভজনক হবে এবং শিল্পীর কাজও অনেকটা পরিধি পাবে।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 jujugantor.com
Theme Customized BY SpacialNews.Com