যোগাযোগ :

ঢাকা থেকে প্রকাশিত, সরকারি মিডিয়া তালিকা ভুক্ত, জাতীয়  দৈনিক যুগযুগান্তর পত্রিকায় ও যে যে টিভি... জেলা উপজেলা, বিশেষ প্রতিনিধি, ক্রাইম রিপোর্টার, বিভাগীয় প্রধান, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি নেওয়া হচ্ছে..। আগ্রহীদের সিভি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এন আইডি কার্ড এর কপি এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট মেইল অথবা হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানোর অনুরোধ করা হলো। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378, ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378 ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা।

জাবি বিশ্ববিদ্যালয়কে মাদকের ‘হটজোন’ বানিয়েছিলেন মামুন

জাবি বিশ্ববিদ্যালয়কে মাদকের ‘হটজোন’ বানিয়েছিলেন মামুন

নিজস্ব প্রতিবেদক:
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) এক দম্পতিকে ডেকে এনে স্বামীকে আবাসিক হলে আটকে স্ত্রীকে ধর্ষণের মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন ওই দম্পতির পূর্বপরিচিত মামুনুর রশিদ মামুন। তাকে গ্রেপ্তারের পর র‌্যাব বলছে, বহিরাগত হলেও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নিয়মিত যাতায়াত ছিল মামুনের। মাদক কারবারি মামুন কক্সবাজার থেকে ইয়াবা এনে বিক্রি করতেন। তার ইয়াবা বিক্রির হটজোন জাবি ক্যাম্পাস, বিশেষ করে বটতলা। ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার আসামি মামুন ও মুরাদকে গতকাল গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। আজ এ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত তথ্য জানান র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।

তিনি বলেন, মামুন ২০১৭ সাল থেকে জাবি ক্যাম্পাসের সিনিয়র প্রভাবশালী শিক্ষার্থীদের সহযোগিতায় ক্যাম্পাসে মাদক কারবার করে আসছেন। ক্যাম্পাসে আগেও নারী নিপীড়ন, ধর্ষণসহ শ্লীনতাহানির ঘটনায় জড়িয়েছে সে।

৩ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ৯টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মীর মশাররফ হোসেন হলের পাশের জঙ্গলে ধর্ষণের ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর কয়েকদিন ধরে টানা বিক্ষোভ করে আসছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

ঘটনার পরদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ৪৫তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ও বহিষ্কৃত ছাত্রলীগ নেতা মোস্তাফিজুর রহমান, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ৪৫তম ব্যাচের শিক্ষার্থী হাসান প্রান্ত, ৪৬তম ব্যাচের সাগর সিদ্দিকী এবং উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের ৪৭তম ব্যাচের সাব্বির হাসানকে আটকের কথা জানায় সাভার ও আশুলিয়া থানা পুলিশ। আশুলিয়া থানায় মামলা করেন ওই নারীর স্বামী।

কমান্ডার মঈন বলেন, মাদক বিক্রির সুবাদে মামলার ১ নম্বর আসামি সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মোস্তাফিজুর রহমানসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের আরও কয়েকজন ছাত্রের সাথে মামুনের সখ্য তৈরি হয়। একই এলাকায় বসবাসের সুবাদে পরিচয় হয় ভুক্তভোগী তরুণীর স্বামীর সাথে।

ভুক্তভোগীর স্বামীর মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়সহ আশপাশের এলাকায় মামুন মাদক সরবরাহ করতেন বলেও জানতে পেরেছে র‌্যাব।

 

কমান্ডার মঈন বলেন, বেশিদিন এক স্থানে থাকতেন না মামুন। মাদক কারবারের কারণে কিছুদিন পূর্বে গ্রেপ্তারও হয়েছিলেন তিনি। তার থাকার জায়গা নিয়ে সমস্যা সৃষ্টি হয়। তখন তিনি ওই দম্পতির সাথে একটি বাসায় সাবলেট থাকেন।

ঘটনার দিন যা হয়
র‌্যাব বলছে, পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী ৩ ফেব্রুয়ারি বিকেলে মামুন ওই তরুণীর স্বামীকে ফোন করে বলেন— মোস্তাফিজুর রহমান নামে এক বড় ভাই বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে তার থাকার ব্যবস্থা করেছেন। ওই বড় ভাইয়ের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার জন্য তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ে আসতে বলেন মামুন। মামুনের কথা মতো সন্ধ্যার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মীর মশাররফ হোসেন হলের ৩১৭ নম্বর কক্ষে দেখা করেন তিনি। সেখানে মামলার অন্য আসামি মুরাদ, সাব্বির হাসান, সাগর সিদ্দিক ও হাসানুজ্জামানের সাথেও পরিচিত হন তিনি।

মামুন এরপর কৌশলে ভুক্তভোগীর স্বামীকে বলেন, বাসায় থেকে যাওয়া তার (মামুন) কাপড়গুলো তার স্ত্রী যেন একটি ব্যাগে করে মীর মশাররফ হোসেন হলের সামনে নিয়ে আসেন। এরপর রাত ৯টার দিকে মামুনের ব্যবহৃত কাপড় নিয়ে হলের সামনে উপস্থিত হন ওই তরুণী। এ সময় মামুন ও মোস্তাফিজ ওই তরুণীর স্বামীকে ৩১৭ নম্বর রুমে নিয়ে যেতে বলেন।

এই সুযোগে ভুক্তভোগী তরুণীকে হলের পাশে নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করা হয় ও ভয়ভীতি দেখিয়ে বাসায় চলে যেতে বলা হয়। পরে মামুন ও মোস্তাফিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের হলের রুমে গিয়ে স্ত্রী চলে গেছে বলে তার স্বামীকেও বাসায় চলে যেতে বলে।

 

জাবিতে ধর্ষণের ঘটনায় ৬ শিক্ষার্থীর সনদ স্থগিত, তিনজন বহিষ্কার
ক্ষমতার ছায়াতলে দেশে ধর্ষণের ঘটনা ঘটছে : গণতন্ত্র মঞ্চ
‘আর কোনো ক্যাম্পাসে যেন ধর্ষণের ঘটনা না ঘটে’
বাসায় গিয়ে স্ত্রীকে গণধর্ষণের ঘটনা জানতে পেরে থানায় গিয়ে মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগীর স্বামী।

জিজ্ঞাসাবাদে প্রাপ্ত তথ্যের বরাতে কমান্ডার মঈন বলেন, মামুন প্রায় ২০ বছর আগে জুরাইন এলাকায় গার্মেন্টস কর্মী হিসেবে চাকরি শুরু করেন। পরবর্তীতে তিনি আশুলিয়া এলাকায় এসে গার্মেন্টসের চাকরির পাশাপাশি মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত হন। মাদক ঘিরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু মাদকসেবী শিক্ষার্থীর সঙ্গে তার সখ্য তৈরি হয়। ২০১৭ সাল থেকে তিনি পুরোপুরি মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েন। তার বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় মাদক সংক্রান্ত ৮টি মামলা রয়েছে। এসব মামলায় একাধিক বার কারাভোগও করেছেন তিনি।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 jujugantor.com
Theme Customized BY SpacialNews.Com