যোগাযোগ :

ঢাকা থেকে প্রকাশিত, সরকারি মিডিয়া তালিকা ভুক্ত, জাতীয়  দৈনিক যুগযুগান্তর পত্রিকায় ও যে যে টিভি... জেলা উপজেলা, বিশেষ প্রতিনিধি, ক্রাইম রিপোর্টার, বিভাগীয় প্রধান, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি নেওয়া হচ্ছে..। আগ্রহীদের সিভি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এন আইডি কার্ড এর কপি এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট মেইল অথবা হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানোর অনুরোধ করা হলো। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378, ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378 ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা।

রায়পুরায় নরসিংদীতে ধর্ষণ মামলায় পুলিশ কনস্টেবল গ্রেপ্তার

রায়পুরায় নরসিংদীতে ধর্ষণ মামলায় পুলিশ কনস্টেবল গ্রেপ্তার

নরসিংদীপ্রতিনিধি:

নরসিংদীর রায়পুরায় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে এক পুলিশ কনস্টেবলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের মাহমুদাবাদ হাজারীবাড়ী এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। একই দিন ওই তরুণী বাদী হয়ে রায়পুরা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি ধর্ষণ মামলা করেন।

 

গ্রেপ্তার পুলিশ কনস্টেবল ইমন মিয়া রায়পুরা উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের বীরশ্রেষ্ঠ মতিউরনগর এলাকার বাসিন্দা। তিনি কিশোরগঞ্জের মিঠামইন থানায় কনস্টেবল পদে কর্মরত আছেন।

রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সাফায়েত হোসেন পলাশ এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এজাহারসূত্রে জানা গেছে, ১৮ মাস আগে ওই তরুণীর সঙ্গে কনস্টেবল ইমনের সমাজমাধ্যম ফেসবুকে পরিচয়। এরপর তাদের মধ্যে গড়ে ওঠে প্রেমের সম্পর্ক। পরে ওই তরুণীকে আবাসিক হোটেলে নিয়ে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক করেন ইমন। সম্প্রতি দুজনের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি দেখা দেয়। রবিবার দেখা করতে প্রেমিকার বাড়ি আসেন ইমন। পরে পুনরায় শারীরিক মেলামেশা করতে চাইলে তাকে বিয়ের জন্য চাপ দেন ওই তরুণী। এ সময় বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানান ইমন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে ভুক্তভোগীর পরিবার ও স্থানীয়রা মিলে ইমনকে আটক করে পুলিশে দেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী ওই তরুণী স্থানীয় একটি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী। এর আগে এক প্রবাসীর সঙ্গে তার বিয়ে হয়। পরে তাদের মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটে। এদিকে কনস্টেবল ইমনও বিবাহিত। দুই সন্তানের জনক।

ওই তরুণী বলেন, ‘বিয়ের কথা বলে আমার সঙ্গে একাধিকবার শারীরিক মেলামেশা করেছেন ইমন। এখন তিনি আমাকে বিয়ে করতে চাচ্ছেন না। এ ঘটনায় আমি তার বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেছি। আমি এর উপযুক্ত বিচার চাই।’

ওসি মো. সাফায়েত হোসেন পলাশ বলেন, ‘ইমনকে তরুণীর বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তরুণী বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা করেন। পরে ইমনকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।’

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 jujugantor.com
Theme Customized BY SpacialNews.Com