যোগাযোগ :

ঢাকা থেকে প্রকাশিত, সরকারি মিডিয়া তালিকা ভুক্ত, জাতীয়  দৈনিক যুগযুগান্তর পত্রিকায় ও যে যে টিভি... জেলা উপজেলা, বিশেষ প্রতিনিধি, ক্রাইম রিপোর্টার, বিভাগীয় প্রধান, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি নেওয়া হচ্ছে..। আগ্রহীদের সিভি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এন আইডি কার্ড এর কপি এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট মেইল অথবা হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানোর অনুরোধ করা হলো। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378, ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378 ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা।

আগারগাঁওয়ের আদিবাসী ভাষাগুলোকেও ডিজিটাল প্রযুক্তিতে আনা হবে: পলক

আগারগাঁওয়ের আদিবাসী ভাষাগুলোকেও ডিজিটাল প্রযুক্তিতে আনা হবে: পলক

নিজস্ব প্রতিবেদক:
একুশে ফেব্রুয়ারি আমাদের জন্য একই সঙ্গে শোকের দিন, আবার গর্বের দিনও। বাংলাদেশের তরুণ

শিক্ষার্থী ও বিজ্ঞানীরা একসঙ্গে কাজ করার মাধ্যমে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারবে এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য ভবিষ্যতে আদিবাসী ভাষাগুলোকেও ডিজিটাল প্রযুক্তির আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্‌মেদ পলক।

আজ বুধবার বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি) আগারগাঁওয়ের মিলনায়তনে ‘উচ্চারণ’, ‘কথা’ ও ‘বর্ণ’ সফটওয়্যারসহ ‘পূর্ণ’ নামের বাংলা ফন্ট উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্যকালে তিনি এসব কথা বলেন।

জুনাইদ আহমেদ পলক প্রযুক্তিতে বাংলা ভাষার প্রচলনকে বাংলা ও বাঙালি বিশেষ করে বিশ্বে ৩৫ কোটি বাংলাভাষী মানুষের জন্য এক ঐতিহাসিক ঘটনা উল্লেখ করে বলেন, `স্মার্ট প্রযুক্তিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রজ্ঞাবান নেতৃত্বে বাংলা ভাষার বিকাশে এক নতুন মাত্রা সংযুক্ত হলো।’

তিনি বলেন, `বাঙালির পরিচয়ের মূলভিত্তি তার ভাষিক পরিচয়। আর্থ-সামাজিক জীবনে বাংলা ভাষা যথাযথ গুরুত্ব না পেলে তার শক্তি ক্রমশ দুর্বল হয়ে যাবে।’

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে তিনটি বাংলা সফটওয়্যার ও বাংলা ফন্ট আনে বিসিসি। অমর একুশের শহীদদের স্মরণে বাংলা ভাষায় নিজেদের তৈরি তিনটি সফটওয়্যার ও বাংলা ফন্ট উন্মুক্ত করেছে তারা।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ‘উচ্চারণ’ নামের টেক্সট টু স্পিচ সফটওয়্যারটি ওয়েবসাইট বা যন্ত্রের পর্দায় থাকা সব তথ্য পড়ে শোনাতে পারে। ফলে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি দৃষ্টি প্রতিবন্ধীরাও সফটওয়্যারটির মাধ্যমে সহজেই বিভিন্ন ফাইল বা ওয়েবসাইটের তথ্য জানতে পারবেন। এই ওয়েবসাইট থেকে সফটওয়্যারটি ব্যবহার করা যাবে।

মুখের কথাকে লেখায় রূপান্তর করতে পারে ‘কথা’ সফটওয়্যারটি। ফলে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বার্তা মুখে উচ্চারণ করে সহজেই লিখিত আকারে সংরক্ষণ করা যাবে। এই ওয়েবসাইট থেকে সফটওয়্যারটি ব্যবহার করা যাবে।

বর্ণ’ হলো বাংলা ওসিআর সফটওয়্যার। পিডিএফ বা ছবিতে থাকা বার্তা লেখায় রূপান্তরের সুযোগ থাকায় সফটওয়্যারটির মাধ্যমে সহজেই সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিজ্ঞপ্তির তথ্য লিখিত আকারে সংরক্ষণ করা যাবে। এই ওয়েবসাইট থেকে ব্যবহার করা যাবে সফটওয়্যারটি।

পূর্ণ’ ফন্টটি মূলত ইউনিকোডভিত্তিক ফন্ট। স্বরবর্ণ, ব্যঞ্জনবর্ণ, বিরাম চিহ্ন, ইংরেজি বর্ণ, গাণিতিক চিহ্নসহ প্রয়োজনীয় সব সুবিধা থাকায় প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবহারের পাশাপাশি মুদ্রণ কাজেও ব্যবহার করা যাবে ফন্টটিতে। এই ওয়েবসাইট থেকে ফন্টটি নামিয়ে ব্যবহার করা যাবে।

বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক রণজিৎ কুমারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব আবু হেনা মোরশেদ জামান, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগের সচিব মো. সামসুল আরেফিন, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান মো. মহিউদ্দিন আহমেদ এবং বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেডের চেয়ারম্যান শাহজাহান মাহমুদ উপস্থিত ছিলেন।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 jujugantor.com
Theme Customized BY SpacialNews.Com