যোগাযোগ :

ঢাকা থেকে প্রকাশিত, সরকারি মিডিয়া তালিকা ভুক্ত, জাতীয়  দৈনিক যুগযুগান্তর পত্রিকায় ও যে যে টিভি... জেলা উপজেলা, বিশেষ প্রতিনিধি, ক্রাইম রিপোর্টার, বিভাগীয় প্রধান, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি নেওয়া হচ্ছে..। আগ্রহীদের সিভি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এন আইডি কার্ড এর কপি এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট মেইল অথবা হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানোর অনুরোধ করা হলো। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378, ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378 ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা।

অপরাধপ্রবণতা কমে যাবে দ্রুত শাস্তি নিশ্চিত করলে : শায়খ আহমাদুল্লাহ

অপরাধপ্রবণতা কমে যাবে দ্রুত শাস্তি নিশ্চিত করলে : শায়খ আহমাদুল্লাহ

নিজস্ব প্রতিবেদক :
পুরান ঢাকায় প্রকাশ্যে পাথর দিয়ে থেঁতলে ব্যবসায়ীকে হত্যার ঘটনার নিন্দা জানিয়ে প্রখ্যাত আলেম ও ইসলামি আলোচক শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেছেন, ‘এই হত্যাকাণ্ডের বিচার দ্রুত নিশ্চিত করতে পারলে অপরাধপ্রবণতা কমে যাবে।’

শুক্রবার (১১ জুলাই) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এই মন্তব্য করেন তিনি।

ব্যবসায়ী হত্যার নিন্দা জানিয়ে শায়খ আহমাদুল্লাহ লিখেছেন, ‘কিসাসই এসব কসাইয়ের সমাধান।’

এই লাইনটির ব্যাখ্যা দিয়ে কমেন্টবক্সে তিনি লেখেন, ‘কিসাস অর্থ সমপরিমাণ শাস্তি। যেভাবে যতটুকু জুলুম হবে, ঠিক সেভাবে ততটুকু প্রতিকার করা হলো কিসাস। কেন কোরআনে কিসাসের কথা বলা হয়েছে, তা আমরা দেয়ালে পিঠ ঠেকলে উপলব্ধি করতে পারি।’

আহমাদুল্লাহ আরও লেখেন, ‘এ ধরনের চাঞ্চল্যকর হত‍্যাকাণ্ডের বিচার সর্বোচ্চ দুই মাসের মধ্যে শেষ করতে পারলে অপরাধপ্রবণতা কমে যাবে। প্রচলিত পদ্ধতিতে বছরের পর বছর ধরে বিচার কাজ চললে আইনের ফাঁকফোকর দিয়ে পার পাওয়ার পথ খোলা থাকলে এ ধরণের অপরাধ কখনো কমবে না।’

এর আগে বুধবার বিকেলে পুরান ঢাকার মিটফোর্ড হাসপাতালের (সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ) সামনে সোহাগ নামে এক ভাঙারি ব্যবসায়ীকে পাথর দিয়ে মাথায় এবং শরীরের উপর্যুপরি আঘাত করে নৃশংস ভাবে হত্যা করে যুবদলের কয়েকজন নেতাকর্মী। এ ঘটনায় শিহরিত পুরো জাতি।

ওই হত্যাকাণ্ডের ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ সারাদেশে ব্যাপক আলোচনা চলছে। দেশব্যাপী শুরু হয়েছে আন্দোলন-বিক্ষোভ। সবার একটাই দাবি, দ্রত সময়ের মধ্যে এই হত্যাকাণ্ডের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক।

এদিকে ব্যবসায়ী সোহাগ হত্যা মামলায় ইতোমধ্যে প্রধান আসামিসহ পাঁচজনকে অস্ত্রসহ গ্রেফতার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। অন্যদিকে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এ ঘটনার বিচার হবে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের অধীনে।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 jujugantor.com
Theme Customized BY SpacialNews.Com