যোগাযোগ :

ঢাকা থেকে প্রকাশিত, সরকারি মিডিয়া তালিকা ভুক্ত, জাতীয়  দৈনিক যুগযুগান্তর পত্রিকায় ও যে যে টিভি... জেলা উপজেলা, বিশেষ প্রতিনিধি, ক্রাইম রিপোর্টার, বিভাগীয় প্রধান, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি নেওয়া হচ্ছে..। আগ্রহীদের সিভি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এন আইডি কার্ড এর কপি এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট মেইল অথবা হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানোর অনুরোধ করা হলো। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378, ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378 ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা।

প্রিয় ক্রিকেটার সূর্যবংশী এখন কামিন্সের

প্রিয় ক্রিকেটার সূর্যবংশী এখন কামিন্সের

ক্রীড়া ডেস্ক :
১৫ বছর বয়সী এই বিস্ময় বালক শুধু আইপিএলের রেকর্ড বইই ওলটপালট করছে না, বরং ক্রিকেট বিশ্বের বড় বড় তারকাদেরও নিজের ভক্ত বানিয়ে ফেলছে। রাজস্থান রয়্যালসের এই তরুণ তুর্কির সর্বশেষ গুণমুগ্ধ ভক্ত হয়েছেন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক প্যাট কামিন্স।

গতকাল সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিপক্ষে ম্যাচে রাজস্থান রয়্যালসের হয়ে মারকুটে রূপে ছিলেন সূর্যবংশী। ১৫ বলে হাফ সেঞ্চুরি করা এই তরুণ ব্যাটার হাঁকিয়েছেন আইপিএলের তৃতীয় দ্রুততম শতক। ৩৬ বলের সেই বিস্ফোরক সেঞ্চুরি দেখার পর কামিন্স ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে অকপটে স্বীকার করেছেন, “সে এখন আমার নতুন প্রিয় খেলোয়াড়। ছেলেটা যেভাবে বল হিট করে, তা দেখাটা দারুণ উপভোগ্য। তার ব্যাটিং বেশ আনন্দের।”

কামিন্সের মতে, বৈভবের বিপক্ষে বোলিং করার সময় বোলারদের একদম নিখুঁত লাইনে বল করতে হয়, নাহলে বল সোজা গ্যালারিতে যাওয়া নিশ্চিত। হায়দরাবাদের বিপক্ষে আগের দেখায় যে প্রফুল্ল হিঙ্গে তাকে ‘গোল্ডেন ডাক’ (০ রানে আউট) দিয়েছিলেন, এই ম্যাচে কিন্তু তার মোক্ষম জবাব দিয়েছেন বৈভব। ওই বোলারের প্রথম ওভারেই টানা ৪টি ছক্কা মেরে নিজের আগ্রাসী রূপ দেখিয়ে দিয়েছেন এই কিশোর।

কেন এত ভয়ডরহীন ব্যাটিং? বৈভব জানালেন, ম্যাচ শুরুর আগে যশস্বী জয়সওয়াল তাকে বলেছিলেন যেন তিনি কোনো চাপ না নিয়ে নির্ভয়ে ক্রিকেট খেলেন। বৈভবের ভাষায়, “প্রথম বল থেকেই বাউন্ডারি মারার কোনো নির্দিষ্ট পরিকল্পনা ছিল না। তবে ম্যাচ শুরুর আগে যশস্বী ভাইয়া বলেছিলেন, আজ আমাদের ভয়ডরহীন খেলতে হবে। উইকেটটা খুব ভালো ছিল, তাই আমি শুধু নিজের খেলার ওপর আস্থা রেখেছি। কোনো কিছু নিয়ে বেশি ভাবিনি, বল দেখে ব্যাট চালিয়েছি।”

আইপিএলের চলতি মৌসুমে এই কিশোরের আত্মবিশ্বাস এখন তুঙ্গে। প্যাট কামিন্সের মতো একজন ক্রিকেটারের মুখ থেকে এমন প্রশংসা পাওয়া মানেই, বৈভব যে বিশ্ব ক্রিকেটের ভবিষ্যতের বড় তারকা হতে চলেছেন- তা নিয়ে আর সংশয় থাকার অবকাশ নেই।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 jujugantor.com
Theme Customized BY SpacialNews.Com