যোগাযোগ :

ঢাকা থেকে প্রকাশিত, সরকারি মিডিয়া তালিকা ভুক্ত, জাতীয়  দৈনিক যুগযুগান্তর পত্রিকায় ও যে যে টিভি... জেলা উপজেলা, বিশেষ প্রতিনিধি, ক্রাইম রিপোর্টার, বিভাগীয় প্রধান, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি নেওয়া হচ্ছে..। আগ্রহীদের সিভি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এন আইডি কার্ড এর কপি এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট মেইল অথবা হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানোর অনুরোধ করা হলো। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378, ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378 ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা।

ড্রেজিং প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগে চাপে প্রধান প্রকৌশলী রাকিবুল ইসলাম

ড্রেজিং প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগে চাপে প্রধান প্রকৌশলী রাকিবুল ইসলাম

নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ)-এর ড্রেজিং প্রকল্পে ভয়াবহ অনিয়ম, দুর্নীতি ও আর্থিক অস্বচ্ছতার অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন সংস্থাটির প্রধান প্রকৌশলী রাকিবুল ইসলাম।

সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের দাবি, কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে পরিচালিত ড্রেজিং কার্যক্রমে বাস্তব অগ্রগতি কম হলেও কাগজে-কলমে কাজের পরিমাণ দেখানো হচ্ছে বেশি। ফলে সরকারের বিপুল অর্থ ব্যয়ের পরও দেশের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে নাব্যতা সংকট থেকেই যাচ্ছে।

আরিচা-কাজীরহাট, দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া, ভৈরব-আশুগঞ্জ ও মোংলা-ঘষিয়াখালীসহ বিভিন্ন রুটে নিয়মিত ড্রেজিংয়ের কথা থাকলেও অভিযোগ রয়েছে—
নির্ধারিত গভীরতা অর্জন করা হয়নি
যন্ত্রপাতি থাকলেও উৎপাদন কম
খননকৃত বালু সঠিকভাবে অপসারণ না করে কাছাকাছি ফেলা হচ্ছে
স্থানীয় নৌযান মালিকদের মতে, এতে একই জায়গায় বারবার ড্রেজিং করতে হচ্ছে—যা বাড়াচ্ছে ব্যয়।

অভিযোগ উঠেছে, অনেক ক্ষেত্রে ড্রেজার পূর্ণ সক্ষমতায় না চললেও জ্বালানি খরচ দেখানো হচ্ছে বেশি। এমনকি কিছু ক্ষেত্রে বন্ধ থাকা যন্ত্রপাতির জন্যও ব্যয় দেখানোর অভিযোগ রয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ড্রেজিং কার্যক্রমে এখনও কার্যকর ডিজিটাল মনিটরিং নেই।
জিপিএস ট্র্যাকিং
ফুয়েল সেন্সর
লাইভ ডাটা ড্যাশবোর্ড
এসব না থাকায় মাঠপর্যায়ের রিপোর্টের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে—যা অনিয়মের বড় সুযোগ তৈরি করছে।

নিজস্ব ড্রেজার থাকা সত্ত্বেও কেন বারবার বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে ড্রেজার ভাড়া নেওয়া হচ্ছে—তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, কিছু প্রভাবশালী ঠিকাদার গোষ্ঠীর সঙ্গে যোগসাজশের মাধ্যমে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।

নিম্নমানের যন্ত্রাংশ সরবরাহ
পুরনো জিনিস নতুন দেখিয়ে বিল
একই যন্ত্রাংশ বারবার কেনা
এসব কারণে বহু ড্রেজার অচল হয়ে পড়ে আছে বলে অভিযোগ।

বিআইডব্লিউটিএ’র ভেতরে একটি শক্তিশালী গোষ্ঠী দীর্ঘদিন ধরে সিদ্ধান্ত নিয়ন্ত্রণ করছে বলে অভিযোগ রয়েছে। ভিন্নমত পোষণকারী কর্মকর্তারা বদলি, পদোন্নতি বঞ্চনা ও প্রশাসনিক চাপের মুখে পড়ছেন।

পদ্মা, যমুনা ও মেঘনাসহ বিভিন্ন নদীতে নাব্যতা সংকট অব্যাহত রয়েছে। ফলে—
ফেরি ও লঞ্চ চলাচল ব্যাহত
পণ্য পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি
দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে

নদী বিশেষজ্ঞদের মতে, পরিকল্পনা ছাড়া ড্রেজিং করলে টেকসই ফল পাওয়া যায় না। কোথায়, কত গভীরতা ও কীভাবে মাটি অপসারণ করা হবে—এসব নির্ভর করে বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণের ওপর।

অভিযোগকারীদের দাবি—
স্বাধীন তদন্ত
তৃতীয় পক্ষের অডিট
স্যাটেলাইট মনিটরিং
রিয়েল-টাইম ডাটা প্রকাশ
এসব ব্যবস্থা চালু করা জরুরি।

প্রধান প্রকৌশলী রাকিবুল ইসলামকে ঘিরে ওঠা অভিযোগ এখন শুধু ব্যক্তি নয়, পুরো ব্যবস্থার ওপর প্রশ্ন তুলছে। স্বচ্ছ তদন্ত ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত না হলে দেশের নৌপথ ও অর্থনীতি বড় ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 jujugantor.com
Theme Customized BY SpacialNews.Com