শিরোনাম :
মে দিবসে শ্রমিকদের প্রতি রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা বাসস মহান মে দিবস নয়াপল্টনের শ্রমিক সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী ঢাকা দক্ষিণ সিটির মেয়র প্রার্থী ঘোষণা জামায়াতের সাদিক কায়েমকে দেশের স্বার্থে কাজ করব, কেউ কাউকে ব্যর্থ করতে চাইব না: প্রধানমন্ত্রী শ্রমিক সমাবেশে আসবেন প্রধানমন্ত্রী, জানানো হবে যেসব দাবি মে দিবস পালনে দিনব্যাপী নানা আয়োজন টি-টুয়েন্টি এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ হার বাংলাদেশের সংসদ ভবনের নিজের প্রাক্তন কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বিনিময় সোনারগাঁয়ে মাদকবিরোধী অভিযানে ১০৫ পুড়িয়া হেরোইনসহ ৩ যুবক আটক বিআরটিএ-ডিএমটিসিএলসহ ৪ সংস্থায় নতুন প্রধান নিয়োগ
যোগাযোগ :

ঢাকা থেকে প্রকাশিত, সরকারি মিডিয়া তালিকা ভুক্ত, জাতীয়  দৈনিক যুগযুগান্তর পত্রিকায় ও যে যে টিভি... জেলা উপজেলা, বিশেষ প্রতিনিধি, ক্রাইম রিপোর্টার, বিভাগীয় প্রধান, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি নেওয়া হচ্ছে..। আগ্রহীদের সিভি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এন আইডি কার্ড এর কপি এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট মেইল অথবা হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানোর অনুরোধ করা হলো। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378, ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378 ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা।

সংবাদের প্রতিবাদে দেওয়ানবাগ শরীফের বিবৃতি…

সংবাদের প্রতিবাদে দেওয়ানবাগ শরীফের বিবৃতি…

ধর্ম ও জীবন

দেওয়ানবাগ শরীফ বাংলাদেশের একটি ঐতিহাসিক ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, যার কার্যক্রম বর্তমানে বিশ্বের শতাধিক দেশে বিস্তৃত। মহান সংস্কারক বীর মুক্তিযোদ্ধা হযরত সৈয়দ মাহবুব-এ-খোদা দেওয়ানবাগী (রহ.) হুজুর ১৯৮৫ সালে মোহাম্মদী ইসলাম প্রচারের লক্ষ্যে এই দরবার শরীফ প্রতিষ্ঠা করেন।

প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে দেওয়ানবাগ শরীফ ধারাবাহিকভাবে ধর্মীয় শিক্ষা, আধ্যাত্মিক সাধনা এবং মানবকল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।

বর্তমানে দেশের বিভিন্ন স্থানে ১০টি দরবারসহ দেশে-বিদেশে ৫ শতাধিক খানকা ও জাকের মজলিসের মাধ্যমে নামাজ, তালিম, মিলাদ, মোরাকাবাসহ বিভিন্ন আধ্যাত্মিক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। পাশাপাশি এসব কেন্দ্রের মাধ্যমে সমাজসেবামূলক কার্যক্রমও নিয়মিতভাবে পরিচালিত হয়ে আসছে।

সম্প্রতি দৈনিক কালবেলায় প্রকাশিত একটি সংবাদ আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে, যা জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে বলে আমরা মনে করি। উক্ত প্রতিবেদনে যেসব অভিযোগ উত্থাপন করা হয়েছে, সেগুলো আমরা স্পষ্টভাবে প্রত্যাখ্যান করছি।

সংবাদে উত্থাপিত অনেক বিষয়ই বর্তমানে বিচারাধীন, এবং এসব বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি। তদুপরি, প্রতিবেদনে আংশিক ও প্রাসঙ্গিকতাবিচ্ছিন্ন তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে বাস্তবতার পূর্ণ চিত্র তুলে ধরা হয়নি বলে প্রতীয়মান হয়।

আমরা লক্ষ্য করছি যে, সাম্প্রতিক সময়ে সুফিপন্থী প্রতিষ্ঠানসমূহকে ঘিরে বিভিন্ন ধরনের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। এই প্রবণতা তীব্রভাবে শুরু হয়েছে বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে। তখন দেশের বিভিন্ন স্থানে শতাধিক দরবার, মাজার ও খানকায় হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ এবং অনুসারীদের ওপর নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে।

ওই সময়ে দেওয়ানবাগ শরীফও হামলা, অগ্নিকাণ্ড ও লুটপাটের শিকার হয়েছে এবং একাধিক অনুসারী হতাহত হয়েছেন।

সুফিপন্থীদের জন্য এই তীব্র প্রতিকূল পরিবেশের মধ্যেই রাষ্ট্রীয় সংস্থাগুলোও সুফিধারার প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বাভাবিক কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। এরই ধারাবাহিকতায় দেওয়ানবাগ শরীফ-সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসাবগুলো স্থগিত করে দিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে তদন্ত পরিচালনা করে বিএফআইইউ; এর মাধ্যমে সুফিধারার এই ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম স্থিমিত করার প্রচেষ্টা চালানো হয়।

তবে এসব তদন্তে কোনো অর্থ পাচার বা আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি। সংশ্লিষ্ট তদন্তে বিএফআইইউ কর্তৃক সংগৃহীত ব্যাংক হিসাব ও লেনদেনের তথ্যের আংশিক উপস্থাপনার ভিত্তিতে সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছে, যা সামগ্রিক বাস্তব চিত্র প্রতিফলিত করে না।

দেওয়ানবাগ দরবার শরীফ একটি ব্যক্তি মালিকানাধীন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান। এখানে কোনো ট্রাস্ট, ওয়াকফ বা ফাউন্ডেশনের কাঠামো নেই এবং কোনো দানবাক্সের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করা হয় না।

এই প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম ওয়ারিশসূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তি, ভক্তদের স্বপ্রণোদিত উপঢৌকন এবং বৈধ ব্যবসায়িক আয়ের মাধ্যমে পরিচালিত হয়।

পাশাপাশি দেওয়ানবাগ শরীফের পরিচালক, সমন্বয়ক ও সমস্যার ফয়সালাকারী এবং মোহাম্মদী ইসলামের নেতৃত্ব প্রদানকারী ইমাম প্রফেসর ড. কুদরত এ খোদা (মা.আ.) হুজুর কেবলাজান দীর্ঘদিন ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতার পাশাপাশি ব্যবসায়িক কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত।

তিনি ধর্মীয় কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি বৃহৎ পরিসরে সমাজসেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকেন।
নিজের প্রতিষ্ঠিত ‘কদর ফাউন্ডেশন’-এর মাধ্যমে লক্ষাধিক অসহায় মানুষের মাঝে বিনামূল্যে খাদ্য, বস্ত্র, চিকিৎসা ও শিক্ষা পৌঁছে দিয়েছেন ইমাম কুদরত এ খোদা হুজুর, এবং এই কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

দেওয়ানবাগ শরীফ অতীতের মতো ভবিষ্যতেও ধর্মীয় শিক্ষা, আধ্যাত্মিক উন্নয়ন এবং মানবকল্যাণে তার কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে এবং হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর রেখে যাওয়া মোহাম্মদী ইসলামের সুমহান আদর্শ বিশ্বব্যাপী পৌঁছে দিতে কাজ করে যাবে, ইনশাআল্লাহ।

আমরা সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানাই — যাচাই-বাছাই ছাড়া কোনো বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার ও গ্রহণ থেকে বিরত থাকুন এবং দায়িত্বশীল উপস্থাপনার মাধ্যমে জনস্বার্থ রক্ষা করুন।

ধন্যবাদান্তে,
তাকী মোহাম্মদ জোবায়ের
মুখপাত্র, দেওয়ানবাগ শরীফ

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 jujugantor.com
Theme Customized BY SpacialNews.Com