শিরোনাম :
কুমিল্লায় উপজেলা বিএনপির সভাপতি আটক, থানা ঘেরাও রাত ১টার মধ্যে ১৫ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস কুমিল্লায় মাদরাসায় যাবার পথে শিক্ষক বাবার মোটরসাইকেল থেকে পড়ে ছেলের মৃত্যু তেহরান ‘খারাপ আচরণ’ করলে পুনরায় সামরিক হামলা চালাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প কুমিল্লায় হামে আক্রান্ত হয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু সততা, মেধা ও দক্ষতাই হবে জনপ্রশাসনে পদায়ন ও বদলির নীতি: প্রধানমন্ত্রী হবিগঞ্জ চুনারুঘাটে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, ২ লাখ টাকা জরিমানা শাহ আমানত বিমানবন্দরে মিলল ২৭ লাখ টাকার বিদেশি সিগারেট, আটক ১ চাঁপাইনবাবগঞ্জ নাচোলে ট্রাক ও মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে ২ মোটরসাইকেল আরোহী নিহত লক্ষ্মীপুর ৮ বছর পর লক্ষ্মীপুরে ছাত্রদলের কমিটি গঠন: আহ্বায়ক সৌরভ, সদস্য সচিব অভি
যোগাযোগ :

ঢাকা থেকে প্রকাশিত, সরকারি মিডিয়া তালিকা ভুক্ত, জাতীয়  দৈনিক যুগযুগান্তর পত্রিকায় ও যে যে টিভি... জেলা উপজেলা, বিশেষ প্রতিনিধি, ক্রাইম রিপোর্টার, বিভাগীয় প্রধান, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি নেওয়া হচ্ছে..। আগ্রহীদের সিভি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এন আইডি কার্ড এর কপি এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট মেইল অথবা হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানোর অনুরোধ করা হলো। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378, ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378 ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা।

বউ পেটানো কি ঠিক? সরকারি সমীক্ষায় যা বললেন ভারতের নারীরা

বউ পেটানো কি ঠিক? সরকারি সমীক্ষায় যা বললেন ভারতের নারীরা

প্রবাস

প্রতীকী ছবি

 

বউ পেটানো কি ঠিক? সরকারি সমীক্ষায় এই প্রশ্নের উত্তরে ভারতের তেলাঙ্গানার ৮৩ দশমিক ৮ শতাংশ নারী বলেছেন, ঠিক। এ ক্ষেত্রে নারীদের মধ্যে সমীক্ষায় ‘হ্যাঁ’-এর বিচারে তেলাঙ্গানা যেমন শীর্ষে, তেমনই পুরুষদের মধ্যে সবার আগে কর্ণাটক।

সেই দক্ষিণী রাজ্যের ৮১ দশমিক ৯ শতাংশ পুরুষ মনে করেন, স্বামী যদি স্ত্রীকে মারেন, তাতে কোনো দোষ নেই! পশ্চিমবঙ্গসহ ১৩টি রাজ্যে এই সমীক্ষার আওতায় আসা নারীরাই মনে করছেন, শ্বশুরবাড়ির লোকদের প্রতি অশ্রদ্ধা প্রকাশ করাটাই স্বামীর হাতে স্ত্রীর নিগ্রহের প্রধান কারণ।

ভারতের জাতীয় পরিবারিক স্বাস্থ্য সমীক্ষার সাম্প্রতিক প্রকাশিত ফলাফলের কিছু ইতিবাচক দিক নিয়ে চর্চা হচ্ছে ইদানীং। যেমন- শহরাঞ্চলের ৮০ দশমিক ৯ শতাংশ এবং গ্রামাঞ্চলের ৭৭ দশমিক ৪ শতাংশ নারী ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করছেন। ভারতে নারীপ্রতি শিশুর জন্মহার নেমে এসেছে দুইয়ে। জন্মহারে এগিয়ে শিশুকন্যারা। তা সত্ত্বেও স্বামীর হাতে স্ত্রীর শারীরিক নিগ্রহকে যেভাবে সমর্থন করেছেন নারীদেরই একাংশ, তা উদ্বেগজনক।

২০১৯-২১ সালের মধ্যে এবারের সমীক্ষাটি হয়েছিল পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, অন্ধ্রপ্রদেশ, বিহার, গোয়া, গুজরাট, হিমাচল প্রদেশ, কর্ণাটক, কেরালা, মহারাষ্ট্র, মণিপুর, মেঘালয়, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড, সিকিম, তেলেঙ্গানা, ত্রিপুরা এবং কেন্দ্রশাসিত জম্মু ও কাশ্মীরে।

কেন্দ্রীয় সমীক্ষকরা প্রশ্ন রেখেছিলেন, স্বামী যদি স্ত্রীকে আঘাত করেন বা মারধর করেন, আপনার মতে কি তা যুক্তিসঙ্গত?

সেই প্রশ্নেরই উত্তর বাছাই করে দেখা যায়, ‘হ্যাঁ’-এর শতকরা হিসাবে পুরুষদের মধ্যে কর্ণাটক এবং নারীদের মধ্যে তেলাঙ্গানা শীর্ষে। দুই তালিকায়ই সবার শেষে হিমাচলপ্রদেশ। সে রাজ্যের মাত্র ১৪ দশমিক ২ শতাংশ পুরুষ এবং ১৪ দশমিক ৮ শতাংশ নারী মনে করেন, কাজটা ঠিক।

নারীদের ‘হ্যাঁ’-এর তালিকায় বেশ ওপরের দিকেই রয়েছে অন্ধ্রপ্রদেশ (৮৩ দশমিক ৬ শতাংশ), কর্ণাটক (৭৬ দশমিক ৯ শতাংশ), মণিপুর (৬৫ দশমিক ৯ শতাংশ) এবং কেরালা (৫২.৪ শতাংশ)।

পুরুষদের মধ্যে সমীক্ষায় এ ক্ষেত্রে শেষের দিক থেকে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ত্রিপুরা (২১ দশমিক ৩ শতাংশ)। যারা বলছেন বউ পেটানো ঠিক, কোন কোন কারণে তা মনে করছেন? এ ক্ষেত্রে সমীক্ষকরা সম্ভাব্য সাতটি কারণের কথা জানতে পেরেছেন।

স্বামীকে না বলে বাইরে যাওয়া। সংসার বা সন্তানদের অবহেলা করা। স্বামীর সঙ্গে তর্ক করা। স্বামীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করতে না চাওয়া। ভালো রান্না না করা। স্ত্রীর বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক আছে বলে স্বামীর সন্দেহ করা এবং শ্বশুরবাড়ির লোকদের ‘অশ্রদ্ধা’ করা।

সমীক্ষায় দেখা গেছে, পশ্চিমবঙ্গসহ ১৩টি রাজ্যের নারীদের অভিমত, স্ত্রীর তরফে শ্বশুরবাড়ির লোকদের অশ্রদ্ধাই পারিবারিক দ্বন্দ্বের প্রধান কারণ। দ্বিতীয় কারণ হিসেবে উঠে এসেছে সংসার ও সন্তানদের অবহেলা করা। এই সম্ভাব্য কারণের তালিকায় সবার নিচে রয়েছে পরকীয়ার সন্দেহ। কিন্তু মিজোরামের নারীদের মতে আবার সেটাই প্রধান কারণ।

২০১৮ সালের জানুয়ারিতে প্রকাশিত পারিবারিক স্বাস্থ্য সমীক্ষার আগের রিপোর্টে দেখা গিয়েছিল, সারা ভারতের ৫২ শতাংশ নারী এবং ৪২ শতাংশ পুরুষ পারিবারিক হিংসাকে যুক্তিযুক্ত বলে মেনে নিচ্ছেন।

সাম্প্রতিক সমীক্ষায় বিভিন্ন রাজ্যে ওই শতকরা হার আশির ঘরে পৌঁছানো নিয়ে উদ্বিগ্ন অনেকে। নারীদের অধিকার নিয়ে কাজ করা একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার প্রধান সারদা এ এল বলছেন, এ হলো এক ধরনের পুরুষতান্ত্রিক মনোভাব, যা নারীদের একাংশের মনের মধ্যে গভীর প্রভাব বিস্তার করেছে। তারা মনে করছেন, পরিবার ও স্বামীর সেবা করে যাওয়াটাই তাদের অগ্রাধিকার হওয়া উচিত।
সূত্র : আনন্দবাজার।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 jujugantor.com
Theme Customized BY SpacialNews.Com