নিজস্ব প্রতিবেদক :
বুধবারও দিনের কিছু সময় বেশ চকচকে ছিল আকাশ। আজ সকাল থেকেই মনে হচ্ছে ঘোমড়া, কালো মেঘ ভিড়েছে আকাশে। ঢাকার পুরো আকাশ যখন অভিমানী মেঘের অন্ধকারে; তখনই আবহাওয়া অফিস বললো, আগামী তিনদিনে যখনই মন চাইবে, কেঁদে ফেলবে! সেই পানিতে থই-থই করবে খাল-বিল-নদী!
সারাদেশেই বৃষ্টি হচ্ছে ইলশেগুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছে গত দুদিন ধরে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই ঢাকার আকাশের মুখ ভারী। মেঘে মেঘে ছেয়ে আছে আকাশ। কোথাও কোথাও হালকা বৃষ্টিও হচ্ছে। তবে এই বৃষ্টি থাকবে না, বরং বাড়বে।
মৌসুমি বায়ুর সক্রিয়তায় আরও তিন দিন উপকূলীয় এলাকায় ভারি বৃষ্টিসহ সারাদেশেই বৃষ্টি থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী (৪৪ থেকে ৮৮ মিলিমিটার) থেকে অতিভারী (৮৯ মিলিমিটারের বেশি) বৃষ্টি হতে পারে।
বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
এ সময়ে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে বলেও পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।
এছাড়া সমুদ্রবন্দর, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও কাছাকাছি বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকার ওপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। তাই চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থায়ী সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় উল্লেখযোগ্য বৃষ্টিপাত হয়েছে কুতুবদিয়ায় ৯৮, টেকনাফে ৪৩, সিলেটে ৩৯, কক্সবাজারে ৭৫ সিলেটে ৩৯, দিনাজপুরে ৪৮, ডিমলায় ২৪, সাতক্ষীরায় ৪১, খুলনায় ৭০, পটুয়াখালীতে ৫৪, খেপুপাড়ায় ৪৬ ও ভোলায় ৬৮ মিলিমিটার।
আবহাওয়ার সিনপটিক অবস্থায় বলা হয়েছে, বিহার ও এর কাছাকাছি এলাকায় লঘুচাপটি অবস্থান করছে। মৌসুমী বায়ুর অক্ষের বাড়তি অংশ উত্তর প্রদেশ, লঘুচাপের কেন্দ্রস্থল, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি বাড়তি অংশ উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। মৌসুমী বায়ু দেশের উপর সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝামাঝি থেকে প্রবল অবস্থায় রয়েছে।
ঢাকায় আজ সূর্যাস্ত সন্ধ্যা ৬টা ৪৭ মিনিটে এবং কাল সূর্যোদয় ভোর ৫টা ১১ মিনিটে।
Leave a Reply