যোগাযোগ :

ঢাকা থেকে প্রকাশিত, সরকারি মিডিয়া তালিকা ভুক্ত, জাতীয়  দৈনিক যুগযুগান্তর পত্রিকায় ও যে যে টিভি... জেলা উপজেলা, বিশেষ প্রতিনিধি, ক্রাইম রিপোর্টার, বিভাগীয় প্রধান, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি নেওয়া হচ্ছে..। আগ্রহীদের সিভি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এন আইডি কার্ড এর কপি এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট মেইল অথবা হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানোর অনুরোধ করা হলো। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378, ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378 ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা।

অডিও ফাঁস,ইবি উপাচার্যের খতিয়ে দেখার দাবি শিক্ষক সমিতির

অডিও ফাঁস,ইবি উপাচার্যের খতিয়ে দেখার দাবি শিক্ষক সমিতির

ইবি প্রতিনিধি,
সম্প্রতি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ আবদুস সালামের ‘কন্ঠ সদৃশ’ একাধিক অডিও ক্লিপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। এই ঘটনায় মর্মবেদনা প্রকাশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি। একইসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন সংগঠনটির নেতাকর্মীরা।

শনিবার (৪ মার্চ) দুপুর আড়াইটার দিকে সমিতির কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানায় শিক্ষক সমিতি। সম্মেলনে সংগঠনটির সভাপতি অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. তপন কুমার জোদ্দার উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় লিখিত বক্তব্যে শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. তপন কুমার জোদ্দার বলেন, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি হতে ধারাবাহিকভাবে ইবি উপাচার্যের কন্ঠসদৃশ কয়েকটি অডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেপ্রচারিত হয়েছে। এসব অডিওর কয়েকটিতে ইবির শিক্ষক সমাজ ও বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে নেতিবাচক মনোভাবের প্রতিফলন ঘটেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অভিভাবক হিসেবে তার এ ধরনের বক্তব্য ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে প্রচারের ফলে শিক্ষক সমাজ তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি চরমভাবে ক্ষুন্ন হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, প্রচারিত অডিওর বিষয়ে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি উপাচার্যের অবস্থান জানতে চায় শিক্ষক সমিতি। পরে ১৯ ফেব্রুয়ারি উপাচার্য শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে তার অবস্থান ব্যাখ্যা করেন। তিনি অডিওতে প্রচারিত বক্তব্য তার ব্যক্তিগত আলাপচারিতা বলে জানান। এ বিষয়ে আমরা উপাচার্যকে প্রযুক্তিগত সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস এবং আইনী পদক্ষেপ গ্রহণের সুপারিশ করি। কিন্তু উপাচার্য অদ্যাবধি এ ধরনের কোনো পদক্ষেপই গ্রহণ করেছেন কি না আমরা জানি না। পক্ষান্তরে পরবর্তীতে ইবি শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী, শিক্ষার্থীসহ বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে আরও অনেকগুলো নেতিবাচক স্পর্শকাতর অডিও প্রচারিত হয় এবং যার মাধ্যমে সারাদেশের জনমনে বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে একটি নেতিবাচক ভাবমুর্তি তৈরি হয়েছে।

এছাড়া কোভিড পরবর্তী একাডেমিক ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে শিক্ষকরা যখন কর্মব্যস্থ সময় পার করছেন তখন উপাচার্যের কন্ঠসদৃশ এ ধরনের অপ্রাসঙ্গিক ব্যক্তিগত আলাপ জনসম্মুখে উঠে আসায় আমরা মর্মবেদনা বোধ করছি। বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি খতিয়ে দেখা উচিত বলে আমরা মনে করি।

অডিও ফাঁসের বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ আবদুস সালাম গণমাধ্যমকে বলেন, এই বিষয়ে আমি আমার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানিয়েছি। অডিওটি সম্পূর্ণ আমার কি না এটা আমি নিশ্চিত না, পরে কিছু সংযুক্তি করা হতে পারে।

উল্লেখ্য, গত ১৬ ও ১৭ ফেব্রুয়ারি ‘ফারাহ জেবিন ও মিসেস সালাম’ পৃথক দুইটি ফেসবুক আইডি থেকে ৫টি অডিও ক্লিপ ভাইরাল হয়। পরে ‘আল বিদা’ নামে ফেসবুক আইডি থেকে ভিসির আরও একটা অডিও ক্লিপ ভাইরাল হয়। অডিওতে চাকরির প্রশ্নের বিষয়ে কথোপকথন, চাকরির বিনিময়ে আর্থিক লেনদেনসহ শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিয়োগ বাণিজ্য সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে ভিসিকে কথা বলতে শোনা যায়।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 jujugantor.com
Theme Customized BY SpacialNews.Com