নিজস্ব প্রতিবেদক :
ঈদের ছুটি শেষে আজ থেকে খুলেছে অফিস-আদালত, কারখানা। কর্মস্থলে যোগ দিতে একদিন আগে থেকেই ফিরতে শুরু করেছে মানুষ। এতে যাত্রীদের চাপ পড়েছে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১টি জেলার অন্যতম প্রবেশদ্বার শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটে। এ রুটে সচল ১৭টি ফেরিতেই দেখা গেছে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়।
রোববার সরেজমিনে দেখা গেছে, লঞ্চ-স্পিডবোট বন্ধ থাকায় শিমুলিয়া নৌরুটের সবগুলো ফেরিতে গাদাগাদি করে পদ্মা নদী পাড়ি দিচ্ছেন যাত্রীরা। গণপরিবহন সংকট ও তীব্র গরম উপেক্ষা করে কর্মস্থলে যোগ দিতে রাজধানীর দিকে ছুটে আসছেন তারা।
যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বাস না থাকায় ফেরি থেকে নেমে তারা মোটরসাইকেল, সিএনজি, অটোরিকশা, প্রাইভেটকার ও ট্রাকে উঠে গন্তব্যে যাচ্ছেন। এতে ভাড়া গুণতে হচ্ছে দ্বিগুণ-তিনগুণ।
বিআইডব্লিউটিসি’র শিমুলিয়া ঘাটের উপ-মহাব্যবস্থাপক মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ঈদের আগে ঘরমুখো যাত্রীদের চাপ সামলাতে হিমশিম খেতে হয়েছে। বিআইডব্লিউটিসি’র সুপারভাইজার কাজী মফিজুল ইসলাম বলেন এখন ঢাকামুখী যাত্রীদেরও চাপ বেড়েছে। আমাদের ১৬টি ফেরি দিয়ে যাত্রী পারাপার করেও চাপ কমানো যাচ্ছে না।
মাওয়া ট্র্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক হিলাল উদ্দিন বলেন, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী গণপরিবহন বন্ধ রয়েছে। মোটরসাইকেল, সিএনজি, অটোরিকশা, প্রাইভেটকার, ট্রাকসহ বিভিন্ন বাহনে চড়ে গন্তব্যে যাচ্ছেন রাজধানীমুখী যাত্রীরা। ঈদের ছুটি শেষ হওয়ায় সড়কে যানবাহনের চাপ বেড়েছে। আমরা যানজট ঠেকাতে কাজ করছি।
তিনি আরো বলেন, যারা ঈদের আগে গ্রামে যেতে পারেননি তারা এখন যাচ্ছেন। এ কারণেও যানবাহনের চাপ বেড়েছে। রোববার সকালের দিকে শিমুলিয়া ঘাটে দক্ষিণাঞ্চলগামী বেশ কিছু ব্যক্তিগত গাড়ির লাইন ছিল। সবগুলো ফেরি সচল থাকায় বাংলাবাজারগামী যানবাহনের চাপ কমেছে।
Leave a Reply