যোগাযোগ :

ঢাকা থেকে প্রকাশিত, সরকারি মিডিয়া তালিকা ভুক্ত, জাতীয়  দৈনিক যুগযুগান্তর পত্রিকায় ও যে যে টিভি... জেলা উপজেলা, বিশেষ প্রতিনিধি, ক্রাইম রিপোর্টার, বিভাগীয় প্রধান, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি নেওয়া হচ্ছে..। আগ্রহীদের সিভি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এন আইডি কার্ড এর কপি এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট মেইল অথবা হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানোর অনুরোধ করা হলো। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378, ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378 ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা।

কালীগঞ্জে শিশু ধর্ষণের অভিযোগ, ৮০ হাজার টাকায় মীমাংসা

কালীগঞ্জে শিশু ধর্ষণের অভিযোগ, ৮০ হাজার টাকায় মীমাংসা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে ৬ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত সেলিমকে ৮০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে কালীগঞ্জ উপজেলার রাখালগাছি ইউনিয়নের সুবিতপুর গ্রামে। অভিযুক্ত সেলিম সুবিতপুর গ্রামের নুর মোহাম্মদের ছেলে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ভিকটিমের মা মঙ্গলবার দুপুরে সাংবাদিকদের জানান, গত শুক্রবার (২৮ মে) পান আনার জন্য শিশু কন্যাকে পাশের বাড়ি সেলিম চাচার বাড়িতে পাঠানো হয়। মেয়েকে আসতে দেরি দেখে এগিয়ে যায়। এর কিছুক্ষণ পর মেয়েকে ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে বাড়ি ফিরতে দেখে তাকে জিজ্ঞাসা করি। দেখি তার পায়জামাটি রক্তে ভেজা। সেলিমের বাড়িতে গিয়ে তাকে জিজ্ঞাসা করা হলে তখনও তিনি ঘামছিলেন।

ভিকটিমের মা আরও জানান, পাড়া প্রতিবেশীর কথা মতো পরে চেয়ারম্যান মহিদুল ইসলাম মন্টুর কাছে গিয়ে আমি বিষয়টি বলি। তিনি আমার বাড়িতে এসে শিশু কন্যাটিকে ঘরের মধ্যে নিয়ে যৌনাঙ্গে হাত দিয়ে বলেন, কোন আলামত নেই। পরে ইউনিয়ন পরিষদের সভাকক্ষে এক সালিশে প্রথমে অভিযুক্ত সেলিমকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। কিন্তু তিনি টাকা দিতে রাজি না হলে শেষ মেষ ৮০ হাজার টাকায় মীমাংসা হয়।

অভিযুক্ত মোহাম্মদ সেলিম হোসেন সাংবাদিকদের জানান, সালিশে ৮০ হাজার টাকা দেওয়ার কথা। চেয়ারম্যান মহিদুল ইসলাম মন্টুর কাছে ইতোমধ্যে ৫০ হাজার টাকা দিয়েছি। বাকী ৩০ হাজার টাকা দেবার জন্য সময় নিয়েছি। ধর্ষণ না করেও কেন জরিমানা দিলেন এমন প্রশ্নের জবাবে সেলিম জানান, এ নিয়ে থানা পুলিশ করার কথা উঠেছে। তাছাড়া চেয়ারম্যানের কথা আমি ফেলতে পারিনি, তাই টাকা দিয়েছি।

সুবিতপুর গ্রামের মেম্বর আবুল হাসেম জানান, ঘটনাটি গ্রামের মানুষের মুখে মুখে ছড়িয়ে পাড়ার কারণে মঙ্গলবার সকালে আমি শুনেছি যে একটি শিশু ধর্ষিত হয়েছে। কিন্তু পরিবারটি অসহায় হতদরিদ্র হওয়া কারণে থানা পুলিশের কাছে যেতে ভয় পাচ্ছে।

বিষয়টি নিয়ে রাখালগাছি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মহিদুল ইসলাম মন্টু মঙ্গলবার বিকালে জানান, কি হয়েছে তা একমাত্র আল্লাহ পাকই জানেন। তবে আমি এমন অভিযোগ পেয়ে সুবিতপুর গ্রামে গিয়েছিলাম। তিনি বলেন, আমি অভিযুক্তের কাছ থেকে কোন টাকা গ্রহণ করিনি। তবে ভিকটিমের পরিবার যদি আইনগত সহায়তা চায় তবে আমি দিতে প্রস্তুত রয়েছি। চেয়ারম্যান বলেন, ভিকটিমের পরিবার ডাক্তারি পরীক্ষা বা থানায় যেতে রাজি নয়।

কালীগঞ্জ থানার ওসি মাহফুজুর রহমান মিয়া জানান, এমন কোন অভিযোগ এখনো থানায় আসেনি। তবে ভিকটিমের পরিবার যদি মামলা করতে ভয় পায় তবে পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করবে। তাও অপরাধীকে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 jujugantor.com
Theme Customized BY SpacialNews.Com