নিজস্ব প্রতিবেদক:
সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরামের উদ্যোগে বেগম রোকেয়ার ১৪১তম জন্ম ও ৮৯তম মৃত্যুবার্ষিকীর আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, নারী মুক্তির আন্দোলনে বেগম রোকেয়া এখনও প্রেরণার উৎস হয়ে আছে। তার আদর্শকে ধারণ করে শোষণমূলক ব্যক্তি মালিকানার সমাজ ও পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতা পরিবর্তন এবং সমাজের সকল বৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়াই জোরদার করতে হবে। আজ শুক্রবার রাজধানীর সেগুনবাগিচাস্থ সংগঠন কার্যালয়ে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন মহিলা ফোরাম ঢাকা নগরের সংগঠক শিক্ষক শিপ্রা মন্ডল।
কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য রুখশানা আফরোজ আশার সঞ্চালনায় সভায় আলোচনা করেন বাসদ ঢাকা নগর শাখার সদস্য সচিব জুলফিকার আলী, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আল কাদেরী জয়, মহিলা ফোরাম ঢাকা নগরের সংগঠক মুক্তা বিশ্বাস, সুস্মিতা মরিয়ম।
সভায় বক্তারা বলেন, বেগম রোকেয়া ছিলেন নারীমুক্তি আন্দোলনের পথিকৃৎ। সমাজে নারীকে মানুষ হিসেবে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তোলা, নারীর সামনে সকল প্রতিবন্ধকতা দূর করার সাহস, যুক্তি ও আপন প্রত্যয় নির্মাণের লক্ষ্যে আজীবন তিনি সংগ্রাম করেছেন, লেখনী ধরেছেন, স্কুল প্রতিষ্ঠা করেছেন, সংগঠন গড়ে তুলেছেন।
বক্তারা আরো বলেন, বর্তমান সময়ে সারা দেশে নারী-শিশু-ধর্ষণ-নির্যাতন-হত্যা এক ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। পাহাড়ে-সমতলে-ঘরে-পথে-স্কুলে-কারখানায় যেকোন স্থানে, দিনে-রাতে, যেকোন জায়গায় নারীরা নিপীড়নের শিকার হন। স্বাধীনতার ৫০ বছর পরও বাংলাদেশের আইনে নারীর সমানাধিকার নাই, সমকাজে সম মজুরী নাই। বাল্য বিবাহ করোনাকালীন সময়ে আরো ভয়াবহ রূপ লাভ করেছে। নারীরা একদিকে অর্থনৈতিক শোষণ ও আরেকদিকে ভোগবাদী পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতার দ্বারা নির্যাতিত। এই অবস্থা পরিবর্তনে লড়াই জোরদার করতে হবে।
Leave a Reply