যোগাযোগ :

ঢাকা থেকে প্রকাশিত, সরকারি মিডিয়া তালিকা ভুক্ত, জাতীয়  দৈনিক যুগযুগান্তর পত্রিকায় ও যে যে টিভি... জেলা উপজেলা, বিশেষ প্রতিনিধি, ক্রাইম রিপোর্টার, বিভাগীয় প্রধান, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি নেওয়া হচ্ছে..। আগ্রহীদের সিভি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এন আইডি কার্ড এর কপি এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট মেইল অথবা হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানোর অনুরোধ করা হলো। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378, ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378 ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা।

নর্দার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউসুফসহ দুজন কারাগারে

নর্দার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউসুফসহ দুজন কারাগারে

নিজস্ব প্রতিবেদক:
ফাইল ছবি

প্রতারণা ও জালিয়াতির মামলায় নর্দার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আবু ইউসুফ মো. আব্দুল্লাহ ও তার সহযোগী রিয়াজুল আলমকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর হাকিম তরিকুল ইসলামের আদালত এ আদেশ দেন।
এদিন দুই আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর খিলক্ষেত থানার মামলায় তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) উপ-পরিদর্শক (নিরস্ত্র) নাজমুল হক। তবে আসামিদের জামিন শুনানির জন্য বুধবার দিন ধার্য রয়েছে। এর আগে ১০ জানুয়ারি আবু ইউসুফ মো. আব্দুল্লাহসহ দুজনকে গ্রেফতার করে সিআইডি।

আশিয়ান ল্যান্ডস ডেভেলপমেন্ট লিমিটেডের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) মো. সাইফুল ইসলাম ভুঁইয়া মামলাটি দায়ের করেন। মামলাতে আবু ইউসুফ মো. আব্দুল্লাহর সহযোগী হিসেবে মো. রিয়াজুল আলম ও সেলিম মুন্সিসহ অজ্ঞাত ছয়-সাত জনকে আসামি করা হয়।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ক্যাম্পাস স্থাপনের জন্য আশিয়ান ল্যান্ডস ডেভেলপমেন্টের ৫ বিঘা জমি পছন্দ করে নর্দার্ন বিশ্ববিদ্যালয়। আলোচনাসাপেক্ষে ঐ জমির মূল্য নির্ধারণ করা হয় ৫০ কোটি টাকা। এর মধ্যে চেকের মাধ্যমে ৩০ কোটি টাকা পরিশোধ করে নর্দার্ন বিশ্ববিদ্যালয়। বাকি ২০ কোটি টাকা পরে পরিশোধ করার কথা বলা হয়।

পরবর্তী সময়ে নর্দার্ন বিশ্ববিদ্যালয় ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আবু ইউসুফ মো. আব্দুল্লাহর কাছে বাকি ২০ কোটি টাকা চাইলে তিনি জানান, সব টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। পরে বাদী খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, ওই জমি ৯ কোটি ৩৩ লাখ টাকায় কেনা হয়েছে বলে দেখানো হয়েছে সাফ কবলা দলিলে। দলিল সম্পাদনকারী মোহরার হিসেবে বাদীর অফিসের মোহরারের নাম থাকলেও তিনি এ ধরনের কোনো দলিল লেখার সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন না বলে জানিয়েছেন।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 jujugantor.com
Theme Customized BY SpacialNews.Com