যোগাযোগ :

ঢাকা থেকে প্রকাশিত, সরকারি মিডিয়া তালিকা ভুক্ত, জাতীয়  দৈনিক যুগযুগান্তর পত্রিকায় ও যে যে টিভি... জেলা উপজেলা, বিশেষ প্রতিনিধি, ক্রাইম রিপোর্টার, বিভাগীয় প্রধান, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি নেওয়া হচ্ছে..। আগ্রহীদের সিভি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এন আইডি কার্ড এর কপি এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট মেইল অথবা হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানোর অনুরোধ করা হলো। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378, ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378 ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা।

ইসি গঠন আইন বাকশালের মতো : ফখরুল

ইসি গঠন আইন বাকশালের মতো : ফখরুল

নিজস্ব প্রতিবেদক :
জাতীয় সংসদে পাস হওয়া নির্বাচন কমিশন গঠন সংক্রান্ত আইন বাকশালের মতো বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, ‘সরকার একটা আইনও তৈরি করলো কয়েকদিন আগে। ঠিক সেই বাকশালের মতোই। বাকশাল ১১ মিনিটে ছিল, এটা সাতদিনের মধ্যে একটা প্রহসন করে তাঁরা আইনও পাস করে নিলো সংসদে।

রবিবার বিএনপির উদ্যোগে বাকশাল দিবস উপলক্ষে ’২৫ জানুয়ারি ১৯৭৫ : বাকশাল’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। স্বাধীনতার সূবর্ণজয়ন্তী উদযাপন বিএনপির জাতীয় কমিটির এটির আয়োজন করে।

ভার্চুয়াল এই আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ‘১৯৭৫ : বাকশাল’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মেচন করেন। গ্রন্থের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে সূচনা বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট রিসার্চ অ্যান্ড কমিউনিকেশন সেন্টারের পরিচালক সাবেক সংসদ সদস্য জহির উদ্দিন স্বপন।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বাকশাল একটি গালিতে পরিণত হয়েছে। কেনো? এই বাকশালের মধ্য দিয়ে সেদিন দেশে অর্থনীতিকে ধবংস করা হয়েছিল, রাজনীতিকে ধবংস করা হয়েছিল, স্বপ্নকে ধবংস করা হয়েছিল। একদলীয় শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করে তারা দেশ ও জাতিকে গভীর অন্ধকারে ভেতরে নিয়ে গিয়েছিল। ’

নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আজকে ৪৭ বছর পরে আবার বাকশাল প্রতিষ্ঠার যে নীলনকশা শুরু হয়েছে এই নীলনকশাকে আমাদের প্রতিহত করতে হবে এবং সেটা আমাদের জনগণকে সঙ্গে নিয়েই। সকল রাজনৈতিক দলকে একত্রে নিয়ে এসে, রাজনৈতিক ব্যক্তিদের এক জায়গায় নিয়ে গণতন্ত্রকামী মানুষকে নিয়ে এসে আজকে আমাদের রুখে দাঁড়াতে হবে। ’

স্বাধীনতার সূবর্ণজয়ন্তী উপদযাপন কমিটির আহ্বায়ক ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্ব এবং সদস্য সচিব আবদুস সালামের পরিচালনায় ভার্চুয়াল সভায় দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সেলিমা রহমান ও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বক্তব্য রাখেন।

খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, আওয়ামী লীগ আর গণতন্ত্র একসঙ্গে যায় না। ১৯৭২ থেকে ’৭৫ সাল, তারপর ’৭৫ সালে বাকশাল প্রতিষ্ঠা এবং গত ১৪ বছর আওয়ামী লীগের শাসন, বিনা ভোটে নির্বাচিত সরকার, রাতে অন্ধাকারে ডাকাতির সরকার আজকে গায়ের জোরে বাংলাদেশ পরিচালনা করছে। বাংলাদেশেও আজকে সেই বাকশালের চিন্তা চেতনা অলিখিতভাবে বাস্তবায়ন হচ্ছে।

গয়েশ্বর রায় বলেন, বর্তমান পরিস্থিতির সঙ্গে বাকশালের কোনো তফাৎ নেই। ’৭৫ সালে বাকশাল প্রতিষ্ঠার মধ্যদিয়ে গণতন্ত্রের বস্ত্র হরণ করা হয়েছিল।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 jujugantor.com
Theme Customized BY SpacialNews.Com