শিরোনাম :
যোগাযোগ :

ঢাকা থেকে প্রকাশিত, সরকারি মিডিয়া তালিকা ভুক্ত, জাতীয়  দৈনিক যুগযুগান্তর পত্রিকায় ও যে যে টিভি... জেলা উপজেলা, বিশেষ প্রতিনিধি, ক্রাইম রিপোর্টার, বিভাগীয় প্রধান, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি নেওয়া হচ্ছে..। আগ্রহীদের সিভি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এন আইডি কার্ড এর কপি এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট মেইল অথবা হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানোর অনুরোধ করা হলো। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378, ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378 ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা।

‘ছুটির ঘণ্টা’র নির্মাতার মরদেহ দেশের পথে

‘ছুটির ঘণ্টা’র নির্মাতার মরদেহ দেশের পথে

বিনোদন প্রতিবেদক :
দেশ ও বিদেশে বহুল আলোচিত সিনেমা ‘ছুটির ঘণ্টা’র নির্মাতা আজিজুর রহমান মারা গেছেন। বাংলাদেশ সময় সোমবার (১৪ মার্চ) রাত ১১টা ২০ মিনিটে কানাডার একটি হাসপাতালে তিনি মারা যান।
আজ (রোববার) দুপুরে টার্কিশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে তার মরদেহ দেশে এসে পৌঁছাবে। বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির উপমহাসচিব কবিরুল ইসলাম রানা।
তিনি বলেন, আজিজ সাহেবের মরদেহ দুপুরে ঢাকায় পৌঁছাবে। এরপর তার মরদেহ এফডিসিতে নিয়ে যাব। সেখানে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বাদ আছর এফডিসিতে জানাজা হবে।

প্রয়াত পরিচালকের মেয়ে আলিয়া রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, কানাডার টরেন্টোর স্কারবোরোতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনে আব্বার প্রথম জানাজা হয়েছে। রোববার বাদ আছর তাকে শেষবারের মতো এফডিসিতে নেওয়া হবে। সেখানে যাবতীয় আনুষ্ঠানিকতা ও দ্বিতীয় জানাজা শেষে মরদেহ নেওয়া হবে ধানমণ্ডিতে বায়তুল আমান জামে মসজিদে। সেখানে তৃতীয় জানাজা শেষে রাতে মরদেহ বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স ধানমণ্ডির বাড়ির সামনে রাখা হবে।

সোমবার (২১ মার্চ) সকালে হেলিকপ্টারে করে তার মরদেহ নেওয়া হবে বগুড়ার সান্তাহারের কলসা গ্রামে। সেখানে বাদ জোহর চতুর্থ ও শেষ জানাজার পর আমার দাদি আবেজান বেগমের কবরে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হবে আব্বাকে। কারণ তিনি বলে গেছেন, তাকে যেন মায়ের কবরে দাফন করা হয়।

তিনি আরো জানান, মারা যাওয়ার পর কী কী করতে হবে, সবকিছুই বাবা নিজে লিখে গেছেন। এ বাবদ খরচও আলাদা করে রেখে গেছেন। বাবার ইচ্ছানুযায়ী আমরা সবই করছি।

প্রসঙ্গত, ১৯৩৯ সালের ১০ অক্টোবর সান্তাহার রেলওয়ে জংশন এলাকার কলসা সাঁতাহার মহল্লায় জন্মগ্রহণ করেন আজিজুর রহমান। তার পিতার নাম রূপচান প্রামাণিক এবং মায়ের নাম আবেজান বেগম। তিনি স্থানীয় আহসানউল্লাহ ইনস্টিটিউট থেকে এসএসসি ও ঢাকা সিটি কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেছেন। এরপর চারুকলা আর্ট ইনস্টিটিউটে কমার্শিয়াল আর্টে ডিপ্লোমা করেছেন।

আজিজুর রহমান কিংবদন্তি চলচ্চিত্র পরিচালক এহতেশামের সহকারী হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেছিলেন। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি ৫৪টি চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছেন। তবে অশিক্ষিত (১৯৭৮), মাটির ঘর (১৯৭৯), ছুটির ঘণ্টা (১৯৮০) চলচ্চিত্র পরিচালনা করে ব্যাপক খ্যাতি অর্জন করেন আজিজুর রহমান।

এ ছাড়াও তার উল্লেখযোগ্য সিনেমাগুলো হলো- ‘মধুমালা’, ‘অপরাধ’, ‘পরিচয়’, ‘সাম্পানওয়ালা’, ‘ডাক্তার বাড়ি’, ‘গরমিল’, ‘রঙিন রূপবান’, ‘রঙ্গিন কাঞ্চন মালা’, ‘আলিবাবা চল্লিশ চোর’, ‘মায়ের আঁচল’, ‘মেহমান’, ‘জনতা এক্সপ্রেস’, ‘যন্তর মন্তর’, ‘মহানগর’, ‘ফুলেশ্বরী’, ‘সোনার তরী’, ‘অনুভব’, ‘প্রতিদান’, ‘সাত বান্ধবী’, বস্তির রাণী’, ‘দিল’, ‘জমিদার বাড়ির মেয়ে’, ‘ঘর ভাঙা সংসার’, ‘কথা দাও’, ‘লজ্জা’, ‘সমাধান’ ইত্যাদি।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 jujugantor.com
Theme Customized BY SpacialNews.Com