বিনোদন প্রতিবেদক :
চেয়েছিলেন পারিশ্রমিক। কিন্তু অভিনেতাকে শুনতে হলো গালি―এমনই অভিযোগ করেছেন অভিনেতা শেহজাদ ওমর। তিনি জাজ মাল্টিমিডিয়ার ‘মোনা’ নামের একটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করছেন।
একজন পরিচালকের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে শেহজাদ ওমর ফেসবুকে লিখেছেন, ‘ভাই আপনার একদিন ডেট লাগবে।
এই বলে ডিরেক্টর ডেট নিলেন। সকাল ১১টায় সেটে গিয়ে দেখি কেউ নাই। ডিরেক্টর আসলেন ২টার পর। এসে বললেন, ভাই শুটিং করার মুড নাই। রিল্যাক্স করেন। ভাই, রোজা রেখে শুটিং করতে গিয়েছি ভালোবাসার জায়গা থেকে। রিল্যাক্স করলে তো বাসায়ই করতে পারতাম। এরপর বললেন, আমার সিন সন্ধ্যার পর। আপনি সন্ধ্যা পর্যন্ত ফ্রি। এরপর ধাপাধাপ সব শেষ করে দেব। ‘
অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে বললেন, ‘আচ্ছা সন্ধ্যার পর হলো রাত ১১টায়। ১১টায় কোনো রকম তাড়াহুড়া করে আমার একটা সিন শেষ করে বললেন বাকি সিন কালকে করবেন। পরদিন আবার সকাল ১০.৪৫-এ সেটে গেলাম। সেই রাত ১১.৩০ পর্যন্ত শুটিং করালেন। এরপর ১ দিনের টাকা দিয়ে বিদায় হতে বললেন। আমি বললাম, ভাই খাটাইলেন ২ দিন দিলেন ১ দিন। আচ্ছা ঠিক আছে আপনি ১ দিনের টাকাই দেন। কিন্তু ২য় দিনের জন্য আমাকে অন্তত কনভেন্সটা দিয়েন। ভাই রোজা রেখে শুটিং করা এতটা সহজ না। ‘
শেহজাদকে অশালীন ভাষায় আক্রমণ করেছেন ওই নির্মাতা, এমনটিই জানিয়ে ফেসবুকে লিখেছেন, ‘এরপর উনি বিকাশ নাম্বার নিলেন কিন্তু ২ দিন আর খবর নাই। বাধ্য হয়ে ফোন দিলাম, উনি কাজে ব্যস্ত তাই টাকা পেয়ে যাবেন বলে রেখে দিলেন। কখন পাব সেটা বললেন না। একটা ভয়েস দিলাম, ভাই আমার এই অল্প টাকার জন্য কেন ফোন দিতে হবে। আমি তো অর্ধেক টাকাও চাইনি। এরপর আমাকে কল দিয়ে শুরু হয়ে গেল―আমাকে তিনি বল্লেন, আপনার মতো ** আমার *** টাইম নাই। আপনি কোন বা* হয়ে গেসেন। আমাকে চেনেন? আপনি ব্লা ব্লা ব্লা। আরো কত কি। বাকিটা বুঝে নেন। ‘
শেহজাদ দাবি করেন, তার এই ভাষার কোনো জবাব না দিয়ে তিনি ফোন রেখে দেন। ওই নির্মাতার বিরুদ্ধে কোনো আইনি অভিযোগ না করে ফেসবুকে নিজের অব্যক্ত কথা বললেন।
শেহজাদ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স এবং মাস্টার্স কমপ্লিট করেছেন। ইতিমধ্যে শেহজাদ ওমর বেশ কয়েকটি টেলিভিশন নাটকে ও ওয়েব সিরিজে কাজ করেছেন, যার মধ্যে কয়েকটি বেশ জনপ্রিয়তা লাভ করেছে।
Leave a Reply