নিজস্ব প্রতিবেদক :
স্বস্তির বৃষ্টির পর এবার তীব্র ভোগান্তিতে পড়েছে রাজধানীবাসী। রাজধানীর সবগুলো সড়কেই চলাচলে বিরূপ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
রাজধানীর সড়কগুলোর কোথাও কোথাও বৃষ্টিতে হাঁটুপানি জমেছে। এতে সড়কে স্বাভাবিকভাবে পরিবহন চলছে না। এর ফলে রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে তীব্র যানজটের তৈরি হয়েছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বাসস্ট্যান্ডের গোলচত্বর এলাকায় বৃষ্টিতে প্রায় হাঁটুপানি জমে গেছে। এতে করে বনানী থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়েছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যানজটের মাত্রা আরও বাড়ছে। যা এখন গাজীপুর পর্যন্ত বেড়ে দাঁড়িয়েছে।
এদিকে আব্দুল্লাহপুর থেকে উত্তরা, এয়ারপোর্ট, খিলক্ষেত, বিশ্ব রোড, বনানী, কুড়িল প্রগতি সরণিজুড়ে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়। অন্যদিকে বনানী, বিশ্বরোড, খিলক্ষেত, কাওলা, এয়ারপোর্ট, উত্তরা, আব্দুল্লাহপুর ছাড়িয়ে গেছে যানবাহনের দীর্ঘ সারি। এর ফলে কেউ কেউ হেঁটেই গন্তব্যস্থলের দিকে যাত্রা করছেন।
পথচারীরা বলছেন, সড়কে এখন হাঁটার মতো অবস্থাও নেই। ভোরে বৃষ্টি ভোগান্তি বাড়িয়েছে কয়েকগুণ। ফুটপাথ দিয়ে হাঁটাও দায় হয়ে পড়ে।
ট্রাফিক পুলিশ জানিয়েছে, বিমানবন্দরের বাস র্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) প্রকল্পের ফলে মহাসড়ক এমনিতেই অনেক সরু। রাস্তার খানাখন্দ ও গর্ততেও পানি জমেছে, যা চালকেরা বুঝতে পারছেন না। এর ফলে রাস্তায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।
সোহান আহমেদ নামে এক যাত্রী বলেন, যানজটের কারণে মহাখালী থেকে বনানী যাওয়ার জন্য হাঁটা শুরু করেছি। রাস্তায় মানুষের চাপের কারণে ঠিকমতো হাঁটাও কষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
এ বিষয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক উত্তরা বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) নাবিদ কামাল শৈবাল জানান, বৃষ্টিতে সড়কের বেশ কিছু এলাকা ডুবে যায়। উন্নয়নমূলক কাজের কারণে সড়কের অনেক জায়গায় খানাখন্দ, গর্ত তৈরি হয়। এর মধ্যে অফিসগামী মানুষ সড়কে অবস্থান নেওয়ায় হ-য-র-ব-ল অবস্থা তৈরি হয়।
তিনি আরও বলেন, অবস্থা স্বাভাবিক করতে, বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় মোটর বসিয়েছি। আমাদের ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা রাস্তায় চলাচল স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করছে। পানি সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। বাড়তি চাপ নিতে হচ্ছে।
Leave a Reply