নিজস্ব প্রতিবেদক :
রাজধানীর ধানমণ্ডিতে এক বাসায় পার্লারের সেবা দিতে গিয়ে এক অন্তঃসত্ত্বা নারী সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হওয়ার ঘটনায় দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার দুজন হলো রিয়াদ (২৪) এবং ইয়াছিন হোসেন সিয়াম (২৩)।
আজ বৃহস্পতিবার (১৩ অক্টোবর) দুপুরে নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) এইচ এম আজিমুল হক।
ঘটনার বিবরণে তিনি বলেন, ধর্ষণের শিকার তরুণী (২৫) পেশায় একজন বিউটিশিয়ান।
আগে বিউটি পার্লারে কাজের অভিজ্ঞতা থাকায় তিনি করোনা-পরবর্তী সময়ে সেবা দেওয়ার সুবিধার্থে ফেসবুকে নিজের একটি পেজ খোলেন। তার কাছ থেকে এর আগে সেবা নেওয়া পরিচিত এবং অনলাইনে যোগাযোগ করা নারীরা তার প্রধান সেবাগ্রহীতা।
ডিসি আরো বলেন, ভুক্তভোগীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী অভিযানে নামে শেরেবাংলানগর থানার পুলিশ। ঢাকার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ঢাকা ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নেওয়ার সময় রিয়াদ ও সিয়ামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার রাতে শুক্রাবাদে একটি বাসায় মেকআপের জন্য ডেকে এনে ওই বিউটিশিয়ানকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া যায়। ধানমণ্ডি ২৮ নম্বর সড়কের একটি বাসায় মঙ্গলবার রাত ৮টা থেকে ১০টার মধ্যে এ ঘটনা ঘটে। পরে নারীকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করা হয়।
ওই নারীর স্বামী জানান, তার স্ত্রী সাভারে এক আত্মীয়ের বাসায় ছিলেন। সেখানে থাকা অবস্থায় এক নারী কল করে ধানমণ্ডিতে এসে মেকআপ করে দেওয়ার জন্য তাকে অনুরোধ করে। কল পেয়ে ২৮ নম্বর সড়কে আসার পর কয়েকজন জোর করে একটি বাসায় নিয়ে যায় তাকে। সেখানে অন্তত তিনজন তাকে ধর্ষণ করে। ধর্ষণকারীদের সঙ্গে এক নারীও ছিল।
বিউটিশিয়ানের স্বামী আরো জানান, তার স্ত্রী ৮-৯ বছর ধরে বিউটিশিয়ান হিসেবে কাজ করেন। তিনি বাসায় গিয়ে মেকআপ করেন। মঙ্গলবার একটি কল পেয়ে সাভার থেকে ঢাকায় আসেন তিনি। পরে এ ঘটনা ঘটে।
Leave a Reply