যোগাযোগ :

ঢাকা থেকে প্রকাশিত, সরকারি মিডিয়া তালিকা ভুক্ত, জাতীয়  দৈনিক যুগযুগান্তর পত্রিকায় ও যে যে টিভি... জেলা উপজেলা, বিশেষ প্রতিনিধি, ক্রাইম রিপোর্টার, বিভাগীয় প্রধান, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি নেওয়া হচ্ছে..। আগ্রহীদের সিভি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এন আইডি কার্ড এর কপি এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট মেইল অথবা হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানোর অনুরোধ করা হলো। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378, ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378 ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা।

প্রতীকি অনশনে বসেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মো. ফরিদ উদ্দিন খান

প্রতীকি অনশনে বসেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মো. ফরিদ উদ্দিন খান

রাজশাহী প্রতিনিধি:

রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রাবি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদ জানিয়ে প্রতীকি অনশনে বসেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক মো. ফরিদ উদ্দিন খান।

সোমবার (৩১ অক্টোবর) সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে জোহা চত্বরের পশ্চিম পাশে তিনি এই অনশন কর্মসূচি শুরু করেন।

অনশন কর্মসূচি থেকে অধ্যাপক মো. ফরিদ উদ্দিন খান সারা দেশে সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা সেবার অনিয়ম, অবহেলা ও রোগীর স্বজনদের সাথে অশোভন আচরণের প্রতিবাদ জানান। কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা একাত্মতা প্রকাশ করেন।

অনশন কর্মসূচির বিষয়ে অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন খান কালের কণ্ঠকে বলেন, সারা দেশে ডাক্তারদের অনীহা ও অবহেলায় সাধারণ মানুষেরা ভোগান্তির স্বীকার হচ্ছেন। হাসপাতালে কোনো দুর্ঘটনায় রোগীর স্বজনরা প্রতিবাদ জানালে তারা দলবেঁধে চড়াও হচ্ছে। বিষয়টা ন্যাক্কারজনক। সর্বশেষ রামেক হাসপাতালে আমাদের শিক্ষার্থীদের ওপর যে ঘটনাটি ঘটেছে তা কোনো ভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ডাক্তার মানুষের জীবন রক্ষা করবে কিন্তু তারা অপরেশন থিয়েটারের যন্ত্রপাতি নিয়ে রাবি শিক্ষার্থীদের ওপর যে হামলা করেছে, তা খুবই নিন্দনীয়। এ ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্ত দরকার এবং জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত। যাতে করে আগামী দিনে এ ধরণের ঘটনায় রোগীর স্বজনরা হয়রানির স্বীকার না হয়।

রাবি এই অধ্যাপক বলেন, এর আগেও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের এক শিক্ষককে ইন্টার্ন ডাক্তাররা চরম লাঞ্ছিত করেছিল। সে বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন কিন্তু প্রতিবাদ করেনি। আমাদের সকলের এসব বিষয়ে প্রতিবাদ করা উচিত।

গত ১৯ অক্টোবর রাত ৮টার দিকে শহীদ হবিবুর রহমান উপরের বারান্দা থেকে পড়ে যান রাবির মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী মো. শাহরিয়ার। পরে তাকে উদ্ধার রামেক হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। কিন্তু তার মৃত্যুর ঘটনায় কালক্ষেপণের অভিযোগ তুলে হাসপাতালে ভাঙচুর করেন বিক্ষুব্ধ রাবি শিক্ষার্থী। একপর্যায়ে রামেক হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসক, নার্স, আনসাররা রাবি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করেন।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 jujugantor.com
Theme Customized BY SpacialNews.Com