ফরহাদ আলী মিয়া,, টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধিঃ
বন বিভাগের বাধায়
টাঙ্গাইল- ময়মনসিংহ সড়ক সম্প্রসারণের কাজ বন্ধ রয়েছে। বন
বিভাগের দাবি ওই জমি সংরক্ষিত বনাঞ্চলের। তাই সেখানে সড়ক
নির্মান করতে হলে উর্ধ্বতন কতৃপক্ষের অনুমতি নিতে হবে। তবে
সড়ক ও জনপদ (সওজ) বিভাগের দাবী,৮২ বছর আগে ওই জমি
অধিগ্রহন করা হয়েছে।
মধুপুর উপজেলার জলছত্র পঁচিশ মাইল এলাকা থেকে রসুলপুর পর্যন্ত
সাত কিলোমিটার সড়কের কাজ গত নভেম্বে ,শুরু করার উদ্যোগ নেয়
ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। ওই সময় বন বিভাগ তাদের হঠাৎ বন্ধ করে
দেয়। এর পরে সড়কও বনপথ (সওজ) বিভাগের মধ্যে চলছে আলোচনা।
সওজ টাঙ্গাইল কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী মুহাম্মদ আলিউল
হোসেন দাবি করেন, সব কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করেই প্রকল্প
পাস করা হয়েছে।
সওজ কার্যালয়ের সূত্র জানায়, ১৯৪১ সালে ভূমি অধিগ্রহন করে
টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ সড়ক নির্মান করা হয়। এই সড়ক দিয়েই
প্রথম বাস চলাচল শুরু হয়। বর্তমানে রাস্তাটি ১৮ ফুট প্রশস্ত
রয়েছে। আঞ্চলিক সড়কগুলো প্রশস্তকরণ প্রকল্পের আওতায় মধুপুর
থেকে ময়মনসিংহ পর্যন্ত সড়কটি আরও ১৬ ফুট সম্প্রসারণ করে
৩৪ ফুট করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া সড়কের দুই পাশে
তিন ফুট করে পার্শ্ব সড়ক নির্মান করা হয়। সড়কটি টাঙ্গাইল
জেলা অংশের মধুপুর থেকে রসুলপুর পর্যন্ত ১৫ কিলোমিটার
নির্মান ধরা হয় ১৪২ কোটি টাকা এ অংশের কাজ করছে তাহের
ব্রাদার্স লিমিটেড নাম্ধেসঢ়;র একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। তারা
গত জুন মাসে ওই সড়কের কাজ শুরু করে। মধুপুর উপজেলা, সদর
থেকে জলছত্র পর্যন্ত ৮ কি.মি. সড়কের সম্প্রসারণ কাজের ৭০ শতাংশ
ইতো মধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।
সওজ বিভাগের মধুপুর উপবিভাগীয় প্রকৌশলি জাহাঙ্গীর আলম
বলেন, ওই সড়কে ৭০ থেকে ৮০ ফুট জায়গা সড়ক ও জনপদ বিভাগের
রয়েছে। সড়ক সম্প্রসারন করার পর ৪০ ফুট ব্যবহৃত হবে। সড়কের
বাইরে আরো অনেক জায়গা তাদের রয়ে যাবে। এর পরও বন বিভাগ
নির্মান কাজ করতে দিচ্ছে না ।
দুই বছর মেয়াদী প্রকল্পের কাজ আগামী ২০২৪ সালের জুন মাসের
মধ্যে শেষ করতে হবে বলে জানিয়েছেন। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠন তাহের
ব্রাদার্স লিমিটেডের প্রকল্প ব্যবস্থাপক মো. মিজানুর রহমান ।
তিনি বলেন, হঠাৎ করেই জলছত্র থেকে রসুলপুর পর্যন্ত সাত
কিলোমিটার সড়কের কাজ করতে বন বিভাগের কর্মকতা-
কর্মচারীরা বাধা দিচ্ছেন। তাই তারা নির্মান করতে পারছেন না।
তবে ওই জমি সড়কও জনপদের (সওজ ) নয় বলে দাবি করেন টাঙ্গাইল
বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, এ
জমি বন বিভাগের জন্য সংরক্ষিত।
Leave a Reply